• শিরোনাম


    ৬ই ফেব্রুয়ারী, বিক্ষোভে উত্তাল ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ঝরে ছিল তাজা ৬টি প্রাণ।

    | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৪:০২ পূর্বাহ্ণ

    ৬ই ফেব্রুয়ারী, বিক্ষোভে উত্তাল  ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ঝরে ছিল তাজা ৬টি প্রাণ।

    আওয়ামিলীগ প্রথম বারের মত ক্ষমতায়
    ৯৬ – ২০০১ ইং সময়টা খুব খারাপ যাচ্ছিল ইসলাম, মুসলমান, আলেম, উলামাদের জন্য।
    একের পর এক বাস্তবায়ন হচ্ছিল নাস্তিক মুরতাদ আর ইসলাম বিদ্ধেষীদের নীল নকশা।
    নির্যাতনের প্রকোষ্টে তৌহিদী জনতা ও তৌহিদী জনতার রাহবার আলেম উলামাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছিল।
    কিন্তু হাল ছাড়েননি দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান ফখরে উলামা মুফতী আমিনী রহ., শাইখুল হাদিস আজিজুল হক রহ. খতিব উবাইদুল হক রহ. আলেম উলামার অভিবাবক সর্বজন শ্রদ্ধেয় বড় হুজুর সিরাজুল ইসলাম রহ.।

    আওয়ামী ক্ষমতার শেষ বৎসর ২০০১ আলেম উলামাদেরকে একেবারে স্তব্ধ করে দেবার লক্ষে
    ফরিদপুরের একটি মীমাংসিত ঘড়োয়া মাস্আলাকে টেনেএনে ১লা ফেব্রুয়ারি হাইকোট থেকে সবধরনের ফতোয়া নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়।
    এই অনাকাঙ্ক্ষিত, ইসলাম বিদ্ধেষী রায় তৌহিদী জনতা, আলেম উলামা মেনে নিতে পারেননি, মানতে পারেননি মিল্লতের মুজাহিদ মুফতী আমিনী রহ. তিনি ২রা ফেব্রুয়ারি সারাদেশের আলেম উলামাদের সাথে পরামর্শ করে ৩রা ফেব্রুয়ারি ঢাকার পল্টনে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির ব্যনারে মহাসমাবেশের ডাকদেন, মহাসমাবেশ থেকে রায় ঘোষনাকারী দুই বিচারপতি গোলাম রব্বানী ও নাজমুন আরা সুলতানাকে মুরতাদ ঘোষনা করেন এবং ঢাকা বিভাগে অর্ধদিবস হরতাল ঘোষনা করেন বীর আমিনী।



    এদিন শাইখুল হাদিসকে গ্রেফতার করেন পুলিশ,
    ৪টা জানুয়ারি মুফতি আমিনীকে গ্রফতার করেন সাথে মুফতী ইজহারুল ইসলাম চৌদুরী, জুনায়েদ আল হাবীব, গাজী ইয়াকুব, হুজুরের সাহেবজাদা মাও: আবুল হাসানাত আমিনীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যান পুলিশ।

    ৫ই ফেব্রুয়ারি ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি দেশব্যাপী হরতালের ডাকদেন।
    হরতালে জনগনের সতস্ফুর্থ অংশগ্রহন দেখে সরকার টালমাটাল হয়ে পরেন, শুরু হয় গণগ্রেফতার বন্ধকরে দেওয়া হয় দেশের বেশ কয়েকটি মাদ্রসা এরই মাঝে ৬ই ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মনবাড়ীয়ার সন্তান হিসাবে আল্লামা মুফতী আমিনী রহ. মুক্তি এবং ফতোয়া বিরোধী রায় বাতিলের দাবীতে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটামে শান্তিপূর্ণ হরতালের ডাকদেন বড় হুজুর আল্লামা সিরাজুল ইসলাম রহ.।
    ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আপামর জনতার অংশগ্রহনে শান্তিপূর্ণ হরতাল চলাকালে তৎকালিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাসিমের নির্দেশে বিনা উস্কানিতে হাফেজ তাজুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম সহ হায়েনার বুলেট কেড়ে নেয় তাজা ৬টি প্রান।

    ফতোয়া রক্ষার জন্য শাহাদাতের নজরানা পেশ করেন ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ( শহীদ বাড়িয়া)জমিন।

    বিনিময়ে আমরা বিচার না পেলেও পরবর্তিতে তাগুত তাদের এঅন্যায় (ফতোয়া বিরুদী)রায় বাতিল করতে বাধ্য হয়, আর শহিদরা তাদের রবের কাছ থেকে আদায় করে নিয়েছেন জান্নাতে সবুজ পাখি হয়ে উড়ার যোগ্যতা।

    ” ইসলাম জিন্দাহুতা হে হার করবালা কে বাদ”

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম