• শিরোনাম


    হিফজখানা সম্পর্কে বাংলাদেশের হিফজ জগতের দুই নক্ষত্রের অমুল্য নছিহত

    মাওঃ হাফেজ রমজান | ৩০ জুন ২০১৮ | ৬:১৮ অপরাহ্ণ

    FB_IMG_1530360830203

    1.দৈনিক যতটুকু মুখস্ত করার ইচ্ছা প্রথমে ততটুকু কমপক্ষে আধা ঘণ্টা তেলাওয়াত করবে। এবং
    কাউকে তা দেখে পড়ে শুনাবে, যাকে নাযারা বলা হয়।
    2.নাযেরার পর ঐ পৃষ্ঠা মাগরিবের পর ভালো ভাবে মুখস্ত করবে। মুখস্ত করার একটা নিয়ম আছে, ঐ নিয়মটি পৃষ্ঠার শেষে দেয়া আছে।
    3.ক্লাস ছুটির পর পিছনের পড়া শুরু করে দিবে, এমন ভাবে পড়বে যাতে প্রত্যেক পারা প্রতিদিন ২/১
    বার পড়া হয়।
    4.সবক প্রতিদিন ফজরের পূর্বে শুনাবে, যদি প্রতিদিন তেলাওয়াত করা হয়, তাহলে
    প্রতিদিন আমুখতা শুনাতে আরাম পাবে, ইয়াদ থাকবে। পিছনের পড়া কাঁচা রেখে সবক দিবে না।
    5.বাজে, বেফায়দা, ফাইজলামি থেকে সর্বদা বেঁচে থাকবে, সর্বদা তেলাওয়াত করার আপ্রাণ চেষ্টা
    করবে। আছরের পর সময়টা কাজে লাগাতে হবে। আছরের পর ৩/৪ পারা পড়বে।
    6.সবিনার দিন যে ভূল গুলো হবে কমপক্ষে বিশবার জপতে হবে।
    7.প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ১ পারা দিয়ে ৪ রাকাত নফল নামাজ পড়বে।
    8.প্রতিদিন সবক কোন ভালো ছাত্রকে শুনানোর পর হুজুরকে শুনাবে।



    9.সবক শিখার নিয়ম——
    ভালো কোন ছাত্রের কাছে বসে গল্পগুজব না করে ১টি আয়াত ৮ বার দেখে পড়বে যেমন- ذالك الكتاب لا ريب فيه এরপর ১বার না দেখে ১বার দেখে, ১০বার হলো এইভাবে আধা পৃষ্ঠা হওয়ার পর দেখবে পার কি না। যদি না পার তাহলে ঐ আধা পৃষ্ঠা ৬বার পড়বে। এইভাবে পুরা পৃষ্ঠা ইয়াদ করবে।
    * এক আয়াত ইয়াদ না হওয়া পর্যন্ত অন্য আয়াতে যাবে না।
    যদি ইয়াদ না হওয়ার আগে অন্য আয়াতে যাও তাহলে ইয়াদ কাঁচা হবে। পরে সমস্যার সম্মুখিন হতে হবে।


    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    ০৯ অক্টোবর ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম