• শিরোনাম


    সূবর্ণচরে ব্যাটারী আবদুল কুদ্দুছ হত্যা সাজানো মামলা থেকে ভূক্তভুগিদের জামিন লাভ।

    রিপোর্ট: মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি. | ০৩ আগস্ট ২০১৯ | ১০:৪৭ পূর্বাহ্ণ

    সূবর্ণচরে ব্যাটারী আবদুল কুদ্দুছ হত্যা সাজানো মামলা থেকে ভূক্তভুগিদের জামিন লাভ।

    নোয়াখালীর সূবর্ণচরের ০২ চরবাটা ইউনিয়নের চরবাটা গ্রামে ভূমি বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্য সংঘর্ষ হলে আবদুল কুদ্দুছ (৫৫) নামের এক ব্যাক্তি আহত হয় বলে দাবী করেন তার পরিবার।

    জানা যায় গত ৫ মে আনোয়ার বক্সের ছেলে আবদুল কুদ্দুছ (৫৫) চর বাটা গ্রামের মৃত জেবল হকের ছেলে ও কুদ্দুছের চার ছেলে আবদুল্লাহ (৫৩),আজাদ (৩৩), মিজান,(৩১),মাসুদ (২৮) সহ অঙ্গাত ৫/৬ জনের সন্রাসী গ্রুপ নিয়ে হামলা করে জেবল হকের দখলীকৃত ও মালিকানাধীন জায়গাতে এবং জোর করে ঘর তুলতে চেষ্টা করে,এতে বাঁধা দেয় জেবল হকের পরিবারের সদস্যেরা। এতে আবদুল কুদ্দুছের ছেলারা ও তাদের সন্ত্রাসীগ্রুপ।
    মৃত জেবল হকের স্ত্রী রাবেয়া বেগম ও তার ছেলে নুরুল হক বাধা দিলে,তাদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্র সস্র দিয়ে এলোপাড়ি কুপিয়ে আহত করে।তখন উক্ত ঘটনাস্হলে আবদুল কুদ্দুছ যখম হয়,এবং খবর পেয়ে চরজব্বর থানা পুঁলিশের একটি টিম ঘটনাস্হল থেকে ফয়সাল নামের এক যুবক কে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। জেবল হকের কলেজ পড়ুয়া মেয়ে আয়েশা আক্তার (১৬),হাজেরা খাতুন (১৮) কুপিয়ে যখম করে কুদ্দুছের ছেলেরা,পরে এলাকার স্হানীয় লোকজন তাদের চরজব্বর থানা উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। আবদুল কুদ্দুছ ঘটনাস্হলে অসুস্হ হলে তাকে নোয়াখালীর সদর জেনারেল হাসফাতাল ভর্তি করেন।
    ১৫/৫/২০১৯ ইং তারিখে তার বড় মেয়ে সুমি (২৮) ও স্বনাতন ধর্মের এক ব্যাক্তিকে সাথে নিয়ে ডায়াবেটিস সুগার বেড়ে যাওয়ার কারণে হাসপাতালে নিয়ে আসে ।
    এছাড়া আবদুল কুদ্দুছ,লিভার,ক্যান্সারজনিত নানা রোগে ভূগছেন বলে জানা যায়। হাসপাতাল কতৃপক্ষ আবদুল কুদ্দুছের নানা সমস্যার কথা শুনে পরিক্ষা করে বলেন যে,উনার,লিভার সিরোসিস,ডায়াবেটিস,ক্যান্সারজনিত সমস্যা গুরুতর। এই সুযোগ টা কে কাজে লাগিয়ে একটি মহলের চক্রান্তে, চরজব্বর থানা হত্যা মামলা দায়ের করে ১৩ জন কে আসামী করে আবদুল কুদ্দুছের বড় ছেলে।দীর্ঘ দিন হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেওয়া আবদুল কুদ্দুছ গত ৫ মে ২০১৯ তারিখে রাত আনুমানিক ৪ ঘটিকার সময় মৃত্যু বরণ করেন। তার মৃত্যুর সময় স্বজনের কেউ পাশে ছিলো না বলে জানা যায় হাসপাতাল কতৃপক্ষ সাথে মুটো ফোনে প্রতিবেদকের আলাপ কালে। ডিউটিরত নাস বাড়িতে ফোন করে ঘটনার সত্যেতা নিশ্চিত করেন যে আবদুল কুদ্দুছ মারা গেছেন। এই মিথ্যা মামলা ও হয়রানী থেকে রক্ষা পায় ভূক্তভুগি আসামীরা। মামলার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ১৪/৭/২০১৯ ইং বলা হয়েছে যে,নিতহ আবদুল কুদ্দুছ ডায়াবেটিস গেন্টিং জন্য পায়ে পচন ধরে,ক্যান্সারজনিত কারণে মৃত্যে বরণ করেন। পুঁলিশের ময়না তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করলে,আদালত আসামীদের জামিন দিয়ে দেয়।



    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম