• শিরোনাম


    সুবর্ণচরে সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিত করণ না মানায় এসিল্যান্ডের আবেগগন স্টাটার্স ভাইরাল

    মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, জেলা প্রতিনিধি,নোয়াখালী | ০৫ জুন ২০২০ | ১০:০৭ অপরাহ্ণ

    সুবর্ণচরে সামাজিক দূরুত্ব নিশ্চিত করণ না মানায় এসিল্যান্ডের আবেগগন স্টাটার্স ভাইরাল

    বিশ্ব ব্যাপি চলমান কোরোনা ভাইরাসে মৃত্যুর মিছিলে প্রতি দিন হাজার হাজার লাশের সংখ্যা যোগ হচ্ছে।বিশ্ব নিরুপায় হয়ে চেয়ে চেয়ে দেখছে শত নাগরিকের লাশ।চেষ্টার কোন কমতি নেই কোরোনা ভাইরাসের ঔষধ তৈরীতে ধনী দেশ,দ্ররিদ্র সহ সকল দেশে দেশে।চলমান করোনা ভাইরাসে থমকে পড়েছে,বিশ্ব অর্থনীতি চাকা, বেকার লক্ষ লক্ষ পেশায় নিয়োজিত মানুষ।

    বাংলাদেশে তুলনামূলক ভাবে মৃত্যুর সংখ্যা কম অন্য দেশ গুলার তুলনায়।কিন্তুু হতদ্ররিদ্র,অসচেতন জীবন জীবিকা নিরর্বাহের জন্য মানুষ ছুটে চলেছে কর্মস্হলে।অসচেতন হওয়ার কারণে আক্রান্ত কোরোনা আক্রান্ত সংখ্যা বৃদ্দি পাচ্ছে সারা দেশে। সুবর্ণচরে গত ২৪ ঘন্টায় ৭ জন কোরোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন,এই নিয়ে মোট উপজেলাতে কোভিট-১৯ আক্রান্ত ২৮ জন।

    তাই জনগন কে সচেতন করতে সুবর্ণচর উপজেলা এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান আজ সন্ধ্যায় এক আবেগগন স্টাটার্স দেন তার ওয়ালে যা অল্প কিছু সময়ের মধ্য ব্যাপক ভাইরাল হয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।



    এসিল্যান্ডের স্টাটার্স হবহু তুলে ধরা হলো এখানে।
    মানছি জীবিকার তাগিদে ঘরের বাহিরে যাচ্ছেন। দোকানদার দোকান করছেন, কৃষক মাঠে কাজ করছেন, জেলেরা মাছ ধরছেন, নির্মাণ শ্রমিক নির্মাণ কাজ করছেন, ইট ভাটায় শ্রমিকরা কাজ করছেন, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকগণ অটোরিকশা চালাচ্ছেন। এছাড়াও যার যে কাজ তিনি সেটা করছেন। সব কাজই চলছে। আগেও চলেছিল। লকডাউন কখনো মেনেছেন কিনা আপনারাই ভালো বলতে পারবেন। লুকিয়ে লুকিয়ে সবই চলেছে। অস্বীকার করতে পারবেন না।

    এখন সরকার আপনাদের কথা চিন্তা করে ও বাধ্য হয়ে লকডাউন শিথিল করেছে। আপনারা দ্বিগুণ উৎসাহে বাহির হয়েছেন। কতো মজা বাহিরে যেতে, আড্ডা দিতে।

    আপনাদের আচরণে আমি ব্যাথিত, শংকিত, আশাহত, লজ্জিত। আমি সচেতন নাগরিকদের নিয়ে ও শংকিত। কারণ অসচেতন যারা তাদের জন্য সকলে বিপদে আছেন।

    বাজারে একজন মানুষের কাজ কতোক্ষণ থাকতে পারে। আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা। কাজ শেষে বাজারে আড্ডা দেয়া কি আবশ্যিক। বাজারে গেছেন মাস্ক নাই, থাকলেও পরেন নাই, পকেটে রেখেছেন, অথবা কোন মতে পড়েছেন তাই নাক ও মুখ দুটাই দেখা যায়। সামাজিক দূরত্ব আপনাদের কাছে তামাশা।

    সরকার কিন্তু আপনাদের স্বাস্থ্য বিধি মেনে ও মাস্ক পড়ে ব্যবসা করতে বলেছেন। এটা মানলে লকডাউন এর দরকার হতো না। এটা মানার উপর আপনার আমার বেঁচে থাকা নির্ভর করছে। আপনি মাস্ক পড়লে খুব বেশি কি কষ্ট হয়? আপনি চাইলেই কি পারেন না মাস্ক ছাড়া কাউকে আপনার দোকানে না ডুকতে দিতে? আপনি ইচ্ছে করলেই পারেন স্বাস্থ্য বিধি মানতে। নাকি মাস্ক পড়লে কথা বলা ও আড্ডা দিতে অসুবিধা হয়?

    এত কিছু লিখলাম আমাদের সচেতনতার লেভেল দেখে। আপনাদের ভালোর জন্য এই উপজেলায় কাজ করা পাঁচ জন আনসার সদস্য করোনা পজিটিভ। এই আনসার সদস্যগণ কার মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছে তা আমরা জানি না। এই ১০ জন আনসার সদস্য যাদের অধিকাংশের বাড়ি উত্তর বঙ্গে এবার ঈদ করেছে প্রিয়জন ছেড়ে আপনাদের উপজেলায়। আপনাদের মঙ্গলের জন্য। তারা বাড়ি থেকে কতো দূরে। তাদের পরিবারের ও তাদের নিজেদের মনের অবস্থাটা এখন কেমন একটু ভেবে দেখুন। কিন্তু কার থেকে তারা আক্রান্ত হয়েছে তা বাহির করা কঠিন। হয়তো অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি আপনার আমার পাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    সবকিছু বিবেচনা করে স্বাস্থ্য বিধি মানা না মানা আপনাদের উপর। এভাবে চললে কি হবে তা চিন্তা করে আমি দিশেহারা।আজ সুবর্ণচরে নতুন করে ৪ জনের কোরোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে,এই নিয়ে সু্বর্ণচর উপজেলাতে মোট রুগির সংখ্যা হলো ২৪ জন।এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান বলেন,সুবর্ণচর উপজেলাবাসী জন্য ভয়াবহ বিপদ অপেক্ষা করেছে সামনে,সচেতন না হলে আরো।তাই আবারো বলেন তিনি আসুন আমরা ঘরে থাকি, নিরাপদ থাকি।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম