• শিরোনাম


    সুবর্ণচরে মসজিদের জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝি নিরসনে ভূমি সহকারী কমিশনের ব্রিফিং

    | ২৩ এপ্রিল ২০২০ | ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

    সুবর্ণচরে মসজিদের জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝি নিরসনে ভূমি সহকারী কমিশনের ব্রিফিং

    সুবর্ণচরে মসজিদের জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে ভুল বুঝাবুঝি নিরসনে ভূমি সহকারী কমিশন আজ তার ফেসবুকে আবেগঘন এক পোস্ট করেছে, সম্মানিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে তা হুবহু তুলে ধরা হলো।

    সুবর্ণচর উপজেলার সকল সম্মানিত নাগরিকদের প্রতি আহবান আপনারা কোন বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ না জেনে কোন কিছু শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।



    সুবর্ণচর উপজেলায় সহকারী কমিশনার ভূমি হিসেবে আমার প্রধান দায়িত্ব সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ করা। সরকারি সম্পত্তিতে অবৈধভাবে কিছু যে করবেন তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর অংশ হিসেবে প্রথমে সতর্ক করা হবে, না শুনলে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এবার মুল বিষয়ে আসা যাক.. আজ আমার বিরুদ্ধে একটি প্রচারণা চালানো হচ্ছে আমি মসজিদকে জরিমানা করেছি। আজ জরিমানা করা হয় যে কন্ট্রাক্টর এই কাজ করছে তাকে। গতকাল সতর্ক করার পরও সে কাজ বন্ধ না করে দ্বিগুণ লোক লাগিয়ে (৩১ জন)কাজ করতে থাকে। তাকে বলা হয়েছিল করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ও জমির মালিকানার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার পর কাজ করতে।

    ২১২৭ দাগের জমিটি ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত জমি এবং এটি সরকারের একটি জলমহাল। সরকারের জমি কেউ অনুমোদন ছাড়া নিতে পারে না। এছাড়াও পুকুর শ্রেণির জমিতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুমোদন না নিয়ে ভরাটও করা যাবে না। কিন্তু এক্ষেত্রে গায়ের জোর খাটিয়ে কাজ করা হচ্ছে। সরকারি খাস খতিয়ানের জমি যারা পুকুর শ্রেণির জমি (২১২৭ দাগ) নাল দেখিয়ে বন্দোবস্ত নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে আইন অনুসারে।

    এছাড়াও ঐ মসজিদের অবস্থা জরাজীর্ণ হওয়ায় ও মসজিদের নামে ৫৫ শতক জমি ডাঙ্গায় থাকায় ঐ জায়গায় পুরাতন মসজিদ ভেঙ্গে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা যেত। এক্ষেত্রে সরকারের জলমহালটির কোন ক্ষতি হতো না ও মানুষ ও ওযু করার জন্য ঐ পুকুর ব্যবহার করতে পারতো।
    এছাড়াও জলমহালটির ইজারা যেহেতু মসজিদ নিয়েছে সেখান থেকে মসজিদের আয়ও হতো।
    এখানে কোন উদ্দেশ্য নিয়ে সরকারের জলমহাল নষ্ট করছে তা বিচারের ভার আপনাদের হাতেই দিলাম।

    একজন মুসলমান হিসেবে আমিও চাই সুন্দর একটি মসজিদ হোক। তবে অবশ্যই তা সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করে নয়। সঠিক ভাবে সার্ভেয়ারের মাধ্যমে মাপার পর মসজিন নির্মাণ করা হলে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহোযোগিতা করবে।আর তা ছাড়া কিছু করলে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    আর আজ মসজিদকে কোন জরিমানা করা হয়নি। জরিমানা করা হয়েছে যে আদেশ অমান্য করে মাপার পূর্বেই করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ৩০-৪০ জন শ্রমিক নিয়ে কাজ করছিল তাকে।

    আপনাদের সকলের বুঝার সুবিধার্থে খতিয়ানের কপি সংযুক্ত করলাম।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম