• শিরোনাম


    সুবর্ণচরে এনজিও ঋণ গ্রহিতারা কোরোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত কর্মে বাধাগ্রস্ত হয়ে ঋণ পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে

    দেলোয়ার হুসাইন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি | ২২ মার্চ ২০২০ | ৫:৩৯ অপরাহ্ণ

    সুবর্ণচরে এনজিও ঋণ গ্রহিতারা কোরোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত কর্মে বাধাগ্রস্ত হয়ে ঋণ পরিশোধে হিমশিম খাচ্ছে

    নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলাতে প্রায় ইউনিয়নের মানুষ এখন কোরোনা ভাইরাস বিষয়ে আবগত হয়েছে।কোরোনা ভাইরাসের বিষয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন, চিন্তা,কৌতুহলি, আতঙ্কজনক অবস্হা বিরাজমান করছে বলে ও জানান অনেকে।সুবর্ণচরে গ্রামীণ জনপদের,নাগরিকদের শিক্ষা,স্বাস্হ্য, নারীর অধিকার বিষয়ে এনজিও গুলা রাবার হিসিবে কাজ করেছেন।

    বিভিন্ন কর্মসূচি,সামাজিক বনায়ন,কৃষি,উন্নত চাষাবাদ, গবাদিপশু লালন-পালন সহ সেলাই মেশিন,ইভটিজিং,নারী নির্যাতন ,নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে সহায়তা করেছে ভিবিন্ন এনজিও গুলার ক্রার্যক্রম।ব্রাক এনজিও শিক্ষা কার্যক্রম,আশা সমিতির,ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম,ব্যুরো বাংলাদেশ কৃষিঋণ ,মৎস্য ঋণ,হেড বাংলাদেশ,সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্হা নানা মূখি কার্যক্রম,দ্বীপ উন্নয়ন,গ্রামীণ ব্যাংক কার্যক্রম,টিএমএস,উএসডিসি,সহ বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে অনেক সুন্দরমত, জিবীকা নিরর্বাহ করে দিন যাপন করেছেন সুবর্ণচরে নিম্ন আয়ের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষেরা।কোন কোন এনজিও সাপ্তাহিক, মাসিক কিস্তিতে ঋণ প্রদান করেছে।



    কোরোনা ভাইরাসে ইতালীয় নাগরিক,ইতালীতে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন সংবাদ মাধ্যম গুলা।কোনোরা ভাইরাসে নিহত ব্যাক্তির বাড়ি,নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ বলে নিশ্চিত করেন,ইতালীয় বাংলাদেশি প্রবাসী বাহার উদ্দিন।সুবর্ণচরের প্রবাস ফেরত ৩২ নাগরিক নিজ হোম কোয়ারিন্টাইনে আছেন বলে নিশ্চিত করেন, সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসন পক্ষ থেকে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,সুবর্ণচরের ভিবিন্ন ইউনিয়নের হাট- বাজার ,দোকানঘরে,ফাঁকা দেখা যায়,আগের মত মানুষের ভিড় নেই।বেশী প্রয়োজন ছাড়া মানুষ বাসা থেকে বের হচ্ছে না তবে নামাজের সময় হলে নামাজ পড়তে কিছু মানুষ মসজিদের গিয়ে নামাজ আদায় করে, ঘরে ফিরে যাচ্ছেন।আটকপালিয়া, থানার হাট,চরবাটা খাসের হাট রাস্তার মাথা,চরমজিদ ভুঞার হাট জিরো পয়েন্ট,মন্জু চেয়ারম্যান বাজার,আক্তার মিয়ার হাট,চর বৈশাখী থানার হাট সিএনজি স্ট্যান্ড ও অটোরিক্সা স্ট্যান্ড, ফাঁকা, যাএীর আশায় গাড়ি চালকেরা বসে আছেন। সিএনজি চালক আবদুছ সোবহান সেন্টু (৪৮),বাবুল (৪০) এবং অটোরিক্সা চালক বাহার (৩৮),জুয়েল (৩০) যাএী নেই রাস্তাতে,বসে আছি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত আমরা গাড়ি সিরিয়াল দিয়ে লাইনে।ক্ষুদ্রঋণ গ্রহিতা ব্যাবসায়ী হেলাল (২৯),পান ব্যাবসায়ী নিজাম (৪৬) বলেন দোকান খুলে বসে আছি ক্রেতা নেই,দীর্ঘ সময় পরে দুই এক ক্রেতা আসছে পন্য ক্রয় করতে তা ও বাকীতে।আরো বিপাকে পড়েছে তরমুজ চাষী,সয়াবিন চাষী,ভূট্টা চাষী কৃষকেরা,জমিতে কাজ করার জন্য কোন লোক পাচ্ছি না বলে জানান নুর নবী (৬৩) নামের এক চাষী।কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন,কোরোনা ভাইরাসে ভয়ে কেউ কাজ করতে রাজী হচ্ছেন না।কোরোনা ভয়ে আক্রান্ত হতে পারে সেই ভয়ে বেকার সময় পার করছে বাড়ীতে কর্মজীবী সাধারণ মানুষেরা।কিন্তুু ঋণের টাকার জন্য মাঠ চষে বেড়াচেছন এনজিও মাঠ কর্মী,বড় কর্মকর্তারাও।দৈনিক আয় না থাকার কারণে ঋণ পরিশোধ করতে হিমশিম ক্ষেতে হচ্ছে সাধারণ নাগরিকদের।ঋণ না দিতে পারলে শুনতে হচ্ছে বিভিন্ন গালমন্দ, খারাপ ব্যাবহার,বলপ্রয়োগ, ভয়,পদর্শন করেছেন এনজিও কর্মীরা।ঋণ গ্রহিতারা বলেন,কোরোনা ভাইরাস না হলে আমরা ঋণ পরিশোধ করতে পারতাম,দৈনিক আয় করতে বের হতাম।কিন্তুু কোরোনা ভাইরাসের ভয়ে বাড়ি থেকে বের হতে পারছি না,আয় করতে অক্ষম,তাই যত খারাপ ভাষা আছে নিরবে শুনতে হচ্ছে এনজিও কর্মীদের থেকে।মাননীয় প্রধান মন্রীর প্রতি আমাদের আবেদন, আপাতত কিছু দিন ঋণ সংগ্রহ কার্যক্রম বন্দ করা হোক সব সমিতি,এনজিও গুলার ঋণ আদায়। পরিস্হিতি ভালো হলে এনজিও গুলা ঋণ আদায় করতে আসে যেন আমরা বর্তমান সময়ে ঋণ দিতে অসহায়।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম