• শিরোনাম


    সুন্দরগঞ্জে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়, সংস্কারের দাবী এলাকাবাসীর

    জাহিদ হাসান জীবন ,সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি: | ১১ জুন ২০২০ | ৯:৪৬ পূর্বাহ্ণ

    সুন্দরগঞ্জে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়, সংস্কারের দাবী এলাকাবাসীর

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ঝড়ে লণ্ডভণ্ড ছাপড়হাটি বড় আখড়া বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সংস্কার করে লেখাপড়ার উপযোগী করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

    করোনার কারণে সাময়িকভাবে পাঠদান বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠান প্রধান বাড়িতে বসে দাপ্তরিক কাজ করলেও যে কোন সময় পাঠদানের নির্দেশনা এলে এই কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের কোথায়, কিভাবে পাঠদান করা হবে তা নিয়ে নানা ধরণের দুঃচিন্তায় রয়েছেন সেখানকার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা।



    এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষা ব্যবস্থা এগিয়ে নিতে যত দ্রুত সম্ভব বিদ্যালয়টি সংস্কারে সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হোক।

    জানা যায়, উপজেলার ছাপড়হাটি ইউনিয়নের বড় আখড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে ওই এলাকার শিক্ষানুরাগী পঙ্কজ কুমার রায় ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। জমি,অর্থসহ সব ধরণের সহযোগিতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে আসছেন তিনি । বর্তমান প্রতিষ্ঠানে শিশু শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শতাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন পাঁচজন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে,অফিস ও শ্রেণিকক্ষসহ বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণ ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে আশপাশ বিভিন্ন গাছের উপর ও ফসলি জমির উপর পড়ে আছে।

    স্থানীয়রা জানান, ঈদ-উল-ফিতরের দিন সকাল ছয়টার দিকে কাল বৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়টি বিধ্বস্ত হয়। আশপাশে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। এ গ্রামের কোমলমতি শিশুরা তাদের নিকটবর্তী এ প্রতিষ্ঠানটিতে লেখাপড়া করতো। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যে কোন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। বিদ্যালয়টি দ্রুত সংস্কার করা না হলে শিক্ষার্থীরা কোথায় লেখাপড়া করবে তা নিয়ে শিক্ষকদের পাশাপাশি এলাকাবাসিও চিন্তায় রয়েছেন।

    জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পঙ্কজ কুমার রায় জানান, এ এলাকার শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থা সহজ করতে ও স্থানীয় বেকার শিক্ষিত যুবকদের কর্মসংস্থান তৈরির জন্য বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেছি। কিন্ত এখন পর্যন্ত জাতীয় করণ না হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে।

    প্রধান শিক্ষক সুজন বলেন, পারিশ্রমিক ছাড়াই প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে পাঠদান করে আসছি। কোন প্রকার বেতন ছাড়াই অতি কষ্টে দিন পার করছি। এলাকাবাসি বিদ্যালয়টি জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারসহ জাতীয় করণ করার দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী লুতফুল হাসান জানান, আবেদন করলে সংস্কার কাজের বরাদ্দ দেয়ার চেষ্টা করা হবে।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম