• শিরোনাম


    সস্তায় চামড়া বিক্রি করে দাম দিয়ে জুতা কিনি – মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন

    | ২৩ আগস্ট ২০১৮ | ১১:৫১ অপরাহ্ণ

    সস্তায় চামড়া বিক্রি করে দাম দিয়ে জুতা কিনি – মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন

    ১৬কোটি মানুষের দুই জোড়া করে বৎসরে কমপক্ষে ৩২কোটি জোড়া স্যান্ডেল লাগে। এদের প্রায় সকলেরই চামড়ার স্যান্ডেল পছন্দ, যদি সাশ্রয়ে পাওয়া যায়। কেননা চামড়ার স্যান্ডেল ৮০০টাকা থেকে ২৫০০/৩০০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হয়। এছাড়া চামড়ার ব্যাগ, চামড়ার কোট, চামড়ার তৈরি বেল্ট, চামড়ার মোজা সবই এদেশের মানুষের বেশ প্রিয়। যদি আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দর কমও থাকে তাতে কিচ্ছু যায়-আসে না। ৫০লক্ষ গরুর চামড়া ৫০লক্ষ খাসির চামড়া দিয়ে জুতা ব্যাগ ইত্যাদি তৈরি করলে এদেশের মানুষই তা ক্রয় করে ফেলবে।
    আর আমাদের দেশে যেহেতু শ্রম সস্তা, চামড়া রপ্তানি না করে চামড়া দিয়ে তৈরি জুতা ব্যাগ ইত্যাদি রপ্তানি করলেও তাতে এদেশের মোটা অংকের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে। চামড়ার দাম কমলেও চামড়ার তৈরি জিনিসের দাম তো আর কোথাও কমেনি।
    কিন্তু আফসোস! আমরা এদেশের চামড়া বাজার নষ্ট করছি, চামড়া পাচার করছি, অতপর বিদেশী চামড়ার জুতা অথবা আমাদের চামড়ায় জুতা ইত্যাদি প্রস্তুত হয়ে তা আবার আমাদের দেশেই প্রবেশ করছে। আমরা সস্তায় চামড়া বিক্রি করে দাম দিয়ে জুতা কিনে অবশিষ্ট টাকা টুকুও দেশ থেকে পাচার করে দিচ্ছি। আমাদের চামড়া দিয়ে আমরা তেমন কিছুই করতে পারছি না। ঘৃণা হয় শাসকগোষ্ঠীর উপর, যাদের ব্যর্থতার কারণে স্বাধীনতার ৪৭বছর পরেও দেশের সম্পদ কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষ চাহিদা পূরণ করতে পারছে না।
    উল্লেখ্য যে, একটা মাঝারি সাইজের গরুর চামড়া দিয়ে কমপক্ষে বিশ-বাইশ জোড়া স্যান্ডেল, কয়েকটা চামড়ার ব্যাগ তৈরি হবে। এতে মজুরিও আমার দেশে থাকলো, লাভও আমার দেশে থাকলো।

    Facebook Comments



    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম