• শিরোনাম


    সমকামিতার কুফল : মুফতি মাহমুদ উল্লাহ

    | ০৩ এপ্রিল ২০১৯ | ৫:৩৭ পূর্বাহ্ণ

    সমকামিতার কুফল : মুফতি মাহমুদ উল্লাহ

    ✋সমকামিতার কুফল✋
    এক পুরুষের অন্য পুরুষ বা বালকের সঙ্গে যৌন কর্মে লিপ্ত হওয়া এবং কাম লালসা চরিতার্থ করাকে পুরুষদের সমকামিতা বলা হয়। এই বদ অভ্যাস সর্ব প্রথম হযরত লূত আলাইহিস সাল্লামের সম্প্রদায়ের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছিল। হযরত লূত আলাইহিস সালাম আল্লাহর নির্দেশে তাদেরকে এ অপকর্ম থেকে বিরত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু যখন তারা কোন ভাবেই গ্রাহ্য করল না তখন আল্লাহর আযাব নাযিল হয় এবং সেই জালিম ও নাফরমানদের সমস্ত বসতি উল্ট পাল্ট করে দেয়া হয়। এ থেকে বুঝা যায় যে, আল্লাহ তাআলার যতটুকু অসন্তোষ এই অপকর্মকারীদের উপর নিপতিত হয় ততটুকু অন্য কোন গুনাহের উপর হয় না। (আল্লাহ তাআলা আমাদের হেফাজত করুন)।

    সমকামিতা নিয়ে ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিঃ



    মহান আল্লাহ মানুষের মাঝে নারী ও পুরুষ সৃষ্টি করেছেন।
    তিনি নারীকে পুরুষের জন্য আর পুরুষকে নারীর জন্য শান্তিলাভের মাধ্যম বানিয়েছেন-

    وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً إِنَّ فِي ذَلِكَ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ
    “ তিনি তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের জন্য সঙ্গিনীদের সৃষ্টি করেছেন যাতে করে তোমরা তাদের কাছ হতে প্রশান্তি লাভ কর”(সূরা আর-রুম ২১) ।

    তিনি নারীদেরকে পুরুষদের জন্য আকর্ষণীয় আর পুরুষদের নারীদের জন্য আকর্ষণীয় করে সৃষ্টি করেছেন।এটা মহান আল্লাহর অসীম দয়া যে তিনি পুরুষ ও নারীদের অসাধারন সৌন্দর্য ও অবয়ব দিয়ে সৃষ্টি করেছেন।আসলে তাঁর এই দয়ার কৃতজ্ঞতা আদায় করে শেষ করা যাবে না। অথচ সমকামীরা চরম অকৃতজ্ঞ। মহান আল্লাহ যে নেয়ামত দান করেছেন তার শূকরিয়া আদায় তো দুরের কথা বরং তারা এতোটাই সীমালঙ্ঘন করে যে, তারা মহান আল্লাহ প্রদত্ত নিয়মের বিপরীতে নিজেদের জন্য বিকৃত পথে যৌন চাহিদা মেটানোকেই বেছে নেয়।

    সমকামীদের নিন্দা করে কুরআন বলছে – এটা সীমালঙ্ঘন।কারণ ,মহান স্রষ্টা প্রদত্ত প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরে গিয়ে এই ধরনের কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
    পৃথিবীর বুকে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা সমকামিতার কুফল ও এর প্রতিরোধ ও মূলোৎপাটনের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছে। মানব রচিত সকল দর্শন,বিজ্ঞান আর মতবাদ হাতড়িয়ে মানুষ যখন কোনও দিশা পায় না ঠিক তখনই ইসলামের বিধিবিধান তার অন্তরচক্ষুকে উন্মুক্ত করে দেয়, মানুষ পায় আলোর দিশা।

    ইসলামের মতে সমকামিতা চরম সীমালঙ্ঘন ও বিকৃত আচরন।সমকামীরা মহান আল্লাহর ক্রোধ ছাড়া আর কিছুই অর্জন করতে পারে না।
    এক হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
    ‘যৌন উত্তেজনার সাথে নারীদের পারস্পরিক আলিঙ্গনও ব্যভিচারের শামিল।’
    তাবরানী ও বাইহাকীতে বর্ণিত হাদীসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন;
    “চার ব্যক্তি সকাল সন্ধ্যা আল্লাহর গযব ও আক্রোশের আওতায় থাকেঃ মহিলাদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বেশভূষা গ্রহণকারী পুরুষ, পুরুষদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ বেশভূষা গ্রহণকারী মহিলা, জীবজন্তুর সাথে সংগমকারী এবং সমকামী।”
    অন্য এক হাদীসে হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে, ‘চার শ্রেণীর লোক সকাল সন্ধ্যা আল্লাহর ক্রোধে অতিবাহিত করে , এরা হল মহিলা বেশধারী পুরুষ, পুরুষ বেশধারী মহিলা, পশু মৈথুনকারী ও পুং মৈথুনকারী।” আরো বর্ণিত রয়েছে, “যখন কোন পুরুষ অপর কোন পুরুষে উপগত হয়, তখন আল্লাহর গযবের ভয়ে আল্লাহর আরশ কাঁপতে থাকে এবং আকাশ পৃথিবীর উপর ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়।
    ফেরেশতারা আল্লাহর ক্রোধ প্রশমিত হওয়া পর্যন্ত আকাশকে তার প্রান্তসীমায় ধরে রাখে এবং সূরা ইখলাস তিলাওয়াত করতে থাকে।

    ” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ সাত শ্রেণীর লোকের উপর আল্লাহ অভিশাপ বর্ষণ করেন,কিয়ামতের দিন এদের দিকে তাকাবেন না এবং এদেরকে জাহান্নামে প্রবেশের আদেশ দিবেনঃ
    সমকামীদের, জীবজন্তুর সাথে সংগমকারী, কোন মহিলা ও তার কন্যাকে একসাথে বিবাহকারী, আপন বোনের সাথে ব্যভিচারী, কন্যার সাথে ব্যভিচারকারী এবং হস্তমৈথুনকারী । তবে এরা যদি তাওবা করে তাহলে তারা সবাই হয়ত ক্ষমা পেতে পারে।

    ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি কোন পুরুষ বা নারীর মলদ্বারে সংগম করবে, আল্লাহ তায়ালা তার দিকে তাকাবেন না।” (তিরমিযি, নাসায়ী)

    সমকামিতার মত ঘৃণ্য পাপাচার সমাজ থেকে দূরীকরণে হযরত লুত আঃ এর সংগ্রাম আমাদের সবার জন্যই অনুকরণীয় আদর্শ হতে পারে।
    তিনি এমন এক জনপদের মানুষের মাঝে সত্যের আহবান পৌঁছে দেয়ার আপ্রান চেষ্টা করেছেন যারা ছিল সমকামিতার মত জঘন্য পাপাচারে নিমজ্জিত।

    আল্লাহ তায়ালা হযরত লূত(আ) সম্পর্কে বলেনঃ

    وَلُوطًا آتَيْنَاهُ حُكْمًا وَعِلْمًا وَنَجَّيْنَاهُ مِنَ الْقَرْيَةِ الَّتِي كَانَت تَّعْمَلُ الْخَبَائِثَ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمَ سَوْءٍ فَاسِقِينَ
    ” আর আমি তাকে সে জনপদ থেকে উদ্ধার করেছি, যে জনপদ ছিল অশ্লীল কাজে লিপ্ত। এ জনপদবাসীরা ছিল দুরাচারী পাপিষ্ঠ।” [সূরা আল আম্বিয়া-৭৪]
    হযরত লুত আঃ বারংবার সংশোধন করার নিয়তে তাদের ভুলগুলো তাদের সামনে তুলে ধরেছেনঃ
    وَلُوطًا إِذْ قَالَ لِقَوْمِهِ أَتَأْتُونَ الْفَاحِشَةَ مَا سَبَقَكُم بِهَا مِنْ أَحَدٍ مِّن الْعَالَمِينَ

    نَّكُمْ لَتَأْتُونَ الرِّجَالَ شَهْوَةً مِّن دُونِ النِّسَاء بَلْ أَنتُمْ قَوْمٌ مُّسْرِفُونَ
    ‘তোমরা তো কামনা চরিতার্থ করতে নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষদের কাছে গমন কর। বরং তোমরা হলে এক সীমালঙ্ঘনকারী জাতি।’ (সূরা আল আরাফ, আয়াতঃ ৮১)

    ‘‘হে আমার জাতি!এরা হচ্ছে আমার(জাতির) মেয়ে,( বিবাহের মাধ্যমে যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য) এরাই হচ্ছে তোমাদের জন্যে বেশী পবিত্র,সুতরাং (তোমরা) আল্লাহকে ভয় কর”(সূরা হুদ)
    কিন্তু এমন আহবানে সাড়া দেয়ার কোনও লক্ষণই তাদের মধ্যে দেখা গেলো না।তখন হযরত লুত আঃ আক্ষেপ করে বলেনঃ
    “তোমাদের মধ্যে একথাগুলো শোনার জন্য একজন ভালো মানুষও কি অবশিষ্ট নেই?”

    সমকামীরা লুত আঃ এর আন্তরিক আহবানের দিকে কোনও কর্ণপাত তো করলোই না বরঞ্চ আল্লাহর নবীকেই তাদের জনপদ থেকে বের করে দেবার খায়েশ পোষণ করে।বারংবার আহবান সত্ত্বেও তারা যখন ফিরে আসলো না তখনই তাদের উপর নেমে এলো সেই আজাব যার সম্পর্কে তাদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিলো। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ
    قَالُواْ يَا لُوطُ إِنَّا رُسُلُ رَبِّكَ لَن يَصِلُواْ إِلَيْكَ فَأَسْرِ بِأَهْلِكَ بِقِطْعٍ مِّنَ اللَّيْلِ وَلاَ يَلْتَفِتْ مِنكُمْ أَحَدٌ إِلاَّ امْرَأَتَكَ إِنَّهُ مُصِيبُهَا مَا أَصَابَهُمْ إِنَّ مَوْعِدَهُمُ الصُّبْحُ أَلَيْسَ الصُّبْحُ بِقَرِيبٍ
    .
    فَلَمَّا جَاء أَمْرُنَا جَعَلْنَا عَالِيَهَا سَافِلَهَا وَأَمْطَرْنَا عَلَيْهَا حِجَارَةً مِّن سِجِّيلٍ مَّنضُودٍ
    .
    سَوَّمَةً عِندَ رَبِّكَ وَمَا هِيَ مِنَ الظَّالِمِينَ بِبَعِيدٍ
    “এরপর যখন আমার সিদ্ধান্ত কার্যকর হল তখন আমি তাদের দেশটির উপরিভাগ নিচে এবং নিম্নভাগ ওপরে ওঠালাম এবং তার উপর পাকা পাথর ( যা আগুনে পুড়ে ইটের মত হয়ে গেল) অবিরাম ধারায় নিক্ষেপ করলাম। পাথরগুলো ছিল সুচিহ্নিত। এগুলো তোমার প্রভূর ভাণ্ডারে ছিল।” যা(অপরাধী ব্যক্তিদের নাম-ধামসহ) তোমার মালিকের কাছে চিহ্নিত ছিলো, আর (গযবের) এ স্থান তো এ যালেমদের কাছ থেকে দূরেও নয়!’’ [সূরা হুদঃ ৮২-৮৩]

    কাওমে লুতের ভয়াবহ পরিনতি স্মরন করিয়ে আমাদেরও তা থেকে শিক্ষা নিতে বলা হয়েছেঃ
    ‘অতএব দেখো, অপরাধীদের পরিণাম কেমন হয়েছিল?’
    ,
    ‘তাদের ঘটনার মধ্যে অবশ্যই শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্যে। এ এমন কাহিনী নয় যা জাল করা হয়েছে, বরঞ্চ এ হচ্ছে এর আগে যা এসেছিল তার সমর্থনকারী, এবং সব বিষয়ের বিস্তারিত বৃত্তান্ত, আর পথনির্দেশ ও করুণা যারা বিশ্বাস করে সেই সম্প্রদায়ের জন্য।‘ ( ১২:১১১ )

    সাম্প্রতিক গ্রামীণফোনের এই পায়ুকামি সম্প্রচারের বিরুদ্ধে আমাদের সকলকে প্রতিবাদী ও সোচ্চার হতে হবে ।

    বর্তমানের আমেরিকা ও ইংল্যাণ্ড ইত্যাদি দেশে যারা বৈজ্ঞানিক উন্নতির ভিত্তিতে নিজেদেরকে সবচেয়ে বেশী সভ্য ও উন্নত মনে করে যেখানে এই অপকর্মের সর্বাপেক্ষা বেশী প্রসার ঘটেছে এবং একে তারা কোন অন্যায়ই মনে করছে না। তাই আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নেমে এসেছে এইড্স নামক এমন এক ঘাতক ব্যাধি, মৃত্যুই যার অনিবার্য পরিণাম।

    যেহেতু এ কাজটি প্রাকৃতির চাহিদা পরিপন্থি সেহেতু যে এ কাজ করে আর যে করায় উভয়েই দুনিয়াতেও এর সাজা ভোগ করছে। এধরনের অপকর্মকারীর যৌনাঙ্গ বাঁকা, চিকন ও দুর্বল হয়ে যায়। যৌনাঙ্গের শিরায় অস্বাভাবিক চাপ পড়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। ফলে সে নারী মিলনের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে। আর যার সঙ্গে এ কাজ করা হয়, বাহিরের চাপের ফলে তার পায়খানা ধারণের ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। আর দেখা গেছে যে, সে নিজেই পয়সা দিয় পর্যন্ত একাজ করিয়ে নিজের মনোষ্কানা পূর্ণ করে। সম্ভবতঃ পুরুষের শুক্রকীট তার পায়ূপথে এমন সুড়সুড়ি সৃষ্টি করে যার ফলে সে এমন কাজ করাতে বাধ্য হয়ে পড়ে।

    এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজের হস্ত পরিচালনা দ্বারা বীর্যস্খলনের পরিবর্তে সমলিঙ্গের বালক, পুরুষ বা মহিলাদের গুহ্যদ্বারে অথবা জীব জন্তুর সাথে অস্বাভাবিক পন্থায় লিঙ্গ ঢুকিয়ে নিজের শরীরের মূল্যবান পদার্থ বীর্যকে নষ্ট করে চিরদিনের জন্য অভিসম্পাত, অবমাননা এবং অবর্ণনীয় ক্ষতির শিকার হয়ে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়।

    #রোগের কারণঃ

    দাড়ী বিহীন ছেলেদের সাথে মেলা-মেশা, যৌবনের উন্মত্ততা, কামোত্তজনার সময় স্ত্রীকে কাছে না পাওয়া। একাজে অভ্যস্থ অসৎ চরিত্র ছেলেদের সংসর্গ দ্বারা একে অপরকে শিখিয়ে দেয়, আবার কখনও বাড়ীতে অল্প বয়স্ক কাজের ছেলের মালিকের সমবয়স্ক ছেলেদের সাথে খেলাধুলার ছলে এ কাজে পথ প্রদর্শন করে। আবার কখনও অসৎ শিক্ষক তাদের ছাত্রদের এ অপকর্ম করে থাকে এবং অভ্যস্থ হয়ে গেলে নারীদের তুলনায় সমলিঙ্গ বালকরেই প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

    #ক্ষতিসমূহঃ
    সমকাম যদিও হস্তমৈথুনের ন্যায় এক অস্বাভাবিক কাজ কিন্তু তার ক্ষতি হস্তমৈথুনের চেয়ে জঘন্য। এর ফলে লিঙ্গের অগ্রের স্পর্শকাতর অংশে ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয় এবং অনুভূতি শক্তি, দ্রুত বীর্যস্খলন, অধিক স্বপ্নদোষ, বীর্যপ্রবাহ, লিঙ্গ বক্রতা, দুর্বলতা, অবসন্নতা, প্রভৃতি রোগ সৃষ্টি হয়, অবশেষে রুগী নারী গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। বিশেষ বিশেষ অঙ্গগুলি দুর্বল হয়ে পড়ে।

    #চিকিৎসাঃ
    প্রথমতঃ রুগীকে এ বদ অভ্যাসের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে তা পরিত্যাগ করাতে হবে। সঠিক তাওবা করাতে হবে এবং হস্তমৈথুনের রুগীর ন্যায় এরও চিকিৎসা করাতে হবে। তবে রুগীকে নৈরাশ্যতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া যাবে না।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম