• শিরোনাম


    সংলাপে বিশেষ কোন সমাধান মিলেনি- ড.কামাল। সন্তুষ্ট নন মির্জা ফখরুল।

    | ০২ নভেম্বর ২০১৮ | ৬:৩৬ পূর্বাহ্ণ

    সংলাপে বিশেষ কোন সমাধান মিলেনি- ড.কামাল। সন্তুষ্ট নন মির্জা ফখরুল।

    সন্ধ্যা সাতটা। গণভবনে চোখ বাংলাদেশের। একই টেবিলে আওয়ামী লীগ ও বিরোধী জোটের নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্য। সাড়ে তিন ঘন্টা খোলামেলা আলোচনা। বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য। শুরুতে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন মনে করিয়ে দেন অতীতের কথা। বলেন, ৭৩ সালে গণপরিষদ ভেঙেই নির্বাচন হয়েছিলো।
    সাত দফা উপস্থাপন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন দুই দফায়। আলোচনায় আসে প্রায় সব ইস্যুই। তবে নির্বাচনকালীন সরকার, সংসদ ভেঙে দেয়া, খালেদা জিয়ার মুক্তির মতো বড় তিনটি ইস্যুতে আলোচনায় কোন অগ্রগতি হয়নি। অগ্রগতি বলতে সভা-সমাবেশে বাধা না দেয়ার প্রতিশ্রুতি মিলেছে। সংলাপ আরো হবে কি-না তা খোলাসা হয়নি। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ঐক্যফ্রন্ট চাইলে আরো আলোচনা হবে। তবে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সংলাপের জন্য ঐক্যফ্রন্টকে ডাকা হবে না।

    সংলাপ শেষে আলাদা প্রতিক্রিয়া দেয় দুই পক্ষ। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন জানিয়েছেন, সংলাপে বিশেষ কোন সমাধান মিলেনি। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংলাপে সন্তুষ্ট নন বলে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংবিধানের মধ্যেই আলোচনা হয়েছে। বৈঠক সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় সাতটায় শুরু হওয়া সংলাপের প্রারম্ভে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সূচনা বক্তব্য দেন। এরপর ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কথা বলেন। বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সবাই আলোচনায় অংশ নেন। নির্বাচনকালীন সরকার, নির্বাচনের তফসিল, খালেদা জিয়ার মামলা, রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা ও সভা সমাবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয় আলোচনায় আসে।



    দুই পক্ষের নেতাদের বক্তব্য শেষে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার সমাপনী বক্তব্যে ঐক্যফ্রন্টকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার আহবান জানিয়ে বলেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে এই নিশ্চয়তা তিনি দিচ্ছেন। বৈঠক সূত্র জানায়, সংলাপে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি তোলা হলে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন করেন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? খালেদা জিয়ার মামলার প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী এটিকে আইনী বিষয় উল্লেখ করেন। তিনি এটাও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেনি। মামলা করেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। নির্বাচনের তফসিলের বিষয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি নির্বাচন কমিশনের বিষয়। রাজবন্দির মুক্তি ও রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে প্রশ্ন করেন ঐক্যফ্রন্টের একজন নেতা। জবাবে প্রধানমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করেন রাজবন্দি কারা? দেশে কোন রাজবন্দি আছে কিনা? তিনি বলেন, কোন মামলা রাজনৈতিক তার তালিকা দিলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার দাবির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা বলেছেন, সংবিধানে এ ধরনের সরকারের কোন বিধান নেই

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম