• শিরোনাম


    যাকাতের প্রয়োজনীয় ৫০টি মাসআলা [] মুফতি ছালেহ বিন আব্দুল কুদ্দুস

    মুফতি ছালেহ বিন আব্দুল কুদ্দুস, অতিথি লেখক | ১২ মে ২০২০ | ৭:২৮ পূর্বাহ্ণ

    যাকাতের প্রয়োজনীয় ৫০টি মাসআলা [] মুফতি ছালেহ বিন আব্দুল কুদ্দুস

    ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম একটি হলো যাকাত। কুরআনুল কারীমে সালাত কায়েমের নির্দেশের সাথে যাকাত প্রদান করার আদেশও বারবার এসেছে। যাকাতবর্ষ পূর্ণ হলে দ্রুত আদায় করে দেয়াই উত্তম। তবে যদি কারো যাকাত রমজানে ফরজ হয় অথবা এর আগেই ফরজ হওয়া সত্বেও আদায় করেনি তাহলে রমজানে দেয়াই শ্রেয়। আমীরুল মুমিনীন হযরত উসমান রা. রমজানের এক খুতবায় বলেন, الا ان شهر زكاتكم حضر
    “তোমাদের যাকাত আদায়ের মাস এসেছে।”(মুআত্তা মালেক, হা.৩২২) বর্তমানে রমজান মাস চলছে। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তাআলার প্রিয় বান্দাগণ অন্যান্য নেক আমলের পাশাপাশি যাকাত প্রদানেও প্রতিযোগিতা করছেন। তবে অনেকেই যাকাতের মাসায়েল না জানার দরুণ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। নিম্নে যাকাতের অতি প্রয়োজনীয় ৫০টি মাসআলা উল্লেখ করা হলো।

    ১. প্রাপ্তবয়ষ্ক বিবেকবান মুসলিম সাড়ে সাত তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা তৎমূল্যের নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক সম্পদের মালিক হলে তার উপর যাকাত ওয়াজিব। শর্ত হলো, মৌলিক প্রয়োজন ও ঋণের অতিরিক্ত হয়ে এক বছরকাল স্থায়ী থাকতে হবে। -(হিদায়া ১/১৮৫)



    ২. আধুনিক পরিমাপে স্বর্ণের নেসাব হলো, ৮৭.৪৮গ্রাম। আর রূপার নেসাব, ৬১২.৩৬গ্রাম। বর্তমানে (রামাজান-১৪৪১ হিজরী) রূপার মূল্যানুযায়ী ৫২,৫০০টাকায় যাকাত আবশ্যক।।
    -(জাওয়াহিরুল ফিকহ ১/৪২৩, ফাতাওয়ায়ে জামেয়া ৭/২৩৭)
    ৩. যদি স্বর্ণ-রূপা উভয়টি থাকে কিন্তু পৃথকভাবে কোনটিই নেসাব পরিমাণ হয় না, তাহলে যার হিসাব ধরলে যাকাত ফরয হবে সেটার হিসাব করতে হবে।। -(ফাতাওয়া দারুল উলূম ৬/৫০)

    ৪. স্বর্ণ-রূপার অলঙ্কার ব্যবহার করা হোক বা না হোক সর্বাবস্থায় যাকাত ওয়াজিব হবে।।
    -(ফাতাওয়ায়ে উসমানী ২/৪২)

    ৫. নাবালেগ কন্যাকে স্বর্ণ-রূপার অলঙ্কারের মালিক বানিয়ে দিলে মেয়ে বা পিতা-মাতা কারো উপর যাকাত ওয়াজিব নয়। তবে বালেগ হওয়ার পর তার উপর যাকাত আবশ্যক হবে।।
    -(ফাতাওয়ায়ে মাহমূদিয়া ১১/১২৬)
    ৬. নেসাবের প্রতিটি টাকায় পূর্ণ এক বছর অতিবাহিত হওয়া জরুরী নয়। বরং শুরু ও শেষ ধর্তব্য; বছরের মধ্যবর্তী সময়ে কী পরিমাণ সম্পদ ছিল তা দেখার বিষয় নয়।।-(আহসানুল ফাতাওয়া ৪/২৫৫)

    ৭. হজ্ব,চিকিৎসা,বিবাহ ইত্যাদি প্রয়োজনের জন্য জমাকৃত টাকা নেসাব পরিমাণ হয়ে একবছর অতিবাহিত হলে এতেও যাকাত আবশ্যক।।-(ফাতাওয়া হক্কানিয়া ৩/৪৯৩)

    ৮.ব্যবসায়িক পণ্যের ক্ষেত্রে বিধান হলো, কোন বস্তু ক্রয় করার সময় ব্যবসার নিয়ত থাকলে কেবল তাতেই যাকাত ওয়াজিব হয়।।-(ফাতাওয়া দারুল উলূম ৬/১৪২)

    ৯.গরু-মহিষ ইত্যাদির দুধে যাকাত নেই। তবে এর প্রাপ্ত আয় নেসাব পরিমাণ হলে যাকাত দিতে হবে।। -(ফাতাওয়া হক্কানিয়া ৩/৫৫৬)
    ১০. চাষের মাছও যাকাতযোগ্য সম্পদ। অতএব, বছর শেষে পুকুরে কী পরিমাণ মাছ আছে তা অনুমান করে নেসাবের সমমূল্যের হলে যাকাত দিতে হবে।।-(আলমুহীতুল বুরহানী ৩/১৮৮)
    ১১.পড়ার কিতাবাদি যাকাতের হিসাবে ধর্তব্য হবে না।।-(আদ্দুররুল মুখতার ২/২৬৫)
    ১২.বাড়ি বানানোর জন্য জমাকৃত টাকা নেসাব পরিমাণ হলে এবং বৎসর অতিবাহিত হয়ে গেলে এর যাকাত দিতে হবে।।-(আলবাহরুর রায়েক ২/২২৬)
    ১৩. কারো ব্যবসা মুরগীর না হয়ে মুরগী থেকে পাওয়া ডিমের ব্যবসা হলে ডিমের ক্ষেত্রে যাকাত আসবে।।-(আহসানুল ফাতাওয়া ৪/৩০০)
    ১৪. কোম্পানীর শেয়ারে শেয়ারমালিকের উপর মার্কেট-মূল্য হিসেবে যাকাত আবশ্যক হবে।।
    -(কিতাবুল ফাতাওয়া ৩/৩৬৮)

    ১৫. ব্যবসার যন্ত্রপাতি যেমন কাপড় বানানোর মেশিন, কম্পিউটার, ফটোস্ট্যাট মেশিন ইত্যাদি নেসাবের অন্তর্ভূক্ত হবে না। বরং ইনকামকে নেসাবে হিসাব করা হবে।।-(দারসুল ফিকহ ১/১৩৫)

    ১৬. ভাড়ায় অর্জিত মুনাফার উপর যাকাত আসে। ভাড়ার মালের উপর নয়।।-(দারসুল ফিকহ ১/১৩৫)
    ১৭. ডেকোরেটরের মালামাল যা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভাড়া দেয়া হয় সেগুলোর যাকাত দিতে হবে না। তবে এর আয় নেসাব পরিমাণ হলে যাকাত আবশ্যক হবে।।-(ফাতাওয়া কাযীখান ১/২৫১)

    ১৮. ঋণগ্রস্থ ব্যক্তি ঋণের টাকা বাদ দিয়ে বাকী টাকা নেসাব পরিমাণ হলে যাকাত প্রদান করবে।।-(কিতাবুল ফাতাওয়া ৩/২৬০)

    ১৯. ব্যাংক থেকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে নেয়া মোটা অংকের দীর্ঘ মেয়াদী ঋণকে নেসাব থেকে বাদ দেয়া হবে না। তবে শুধু বাৎসরিক যত টাকা কিস্তি দিতে হয়, সে পরিমাণ বাদ দিয়ে বাকি সম্পদকে যাকাতের নেসাবের অন্তর্ভূক্ত করে তার উপর যাকাত ওয়াজিব হবে।।-(দারসুল ফিকহ ১/১৬৫)
    ২০. যাকাত ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে চন্দ্রবছরের হিসাব করতে হবে।।-(দুররে মুখতার ২/২৯৪)

    ২১.আমাদের দেশে স্বামীর উপর মহরের ঋণ যাকাত ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধক নয়।।-(ইমদাদুল মুফতিঈন ১/৩১৯)

    ২২. মহরের টাকা স্ত্রী গ্রহণ করার আগে এটা তার নেসাবে অন্তর্ভূক্ত হবে না।।-(দুররে মুখতার ২/৪৯)
    ২৩. যাকাত দেয়ার সময় অথবা যাকাতের মাল পৃথক করার সময় যাকাতের নিয়ত করা জরুরী। নিয়ত ছাড়া ফকীর-মিসকীনকে টাকা দিয়ে দিলে যাকাত পুনরায় আদায় করতে হবে।।
    -(ফাতাওয়া হক্কানিয়া ৩/৬১৩)

    ২৪. যাকাতের নিয়তে রক্ষিত সম্পদ চুরি হয়ে গেলে পুনরায় আদায় করতে হবে।। -(রদ্দুল মুহতার ২/১৫)

    ২৫. যাকাত আদায়ের নিয়তে কোন দরিদ্র অসুস্থ ব্যক্তিকে ঔষধ কিনে দিলেও যাকাত আদায় হয়ে যাবে।।-(আহসানুল ফাতাওয়া ৪/২৮১)
    ২৬. অন্তরে যাকাতের নিয়ত রেখে মৌখিকভাবে পুরস্কার, হাদিয়া, ঈদ উপহার ইত্যাদি বলেও যাকাত দেয়া যায়।।-(ফাতাওয়া রহীমিয়া ৭/১৮৯)
    ২৭. অমুসলিমকে যাকাত দিলে আদায় হবে না।।-(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৮৮)

    ২৮. মাদরাসায় যাকাত দিলে স্পষ্টভাবে বলে দিতে হবে যে, এটা যাকাতের টাকা। যেন কর্তৃপক্ষ একে সঠিক খাতে ব্যয় করতে পারেন। এক্ষেত্রে যাকাতদাতার স্পষ্টকরণ ব্যতীত শুধু নিয়ত যথেষ্ট নয়।।-(ফাতাওয়া হক্কানিয়া ৪/৭৯)
    ২৯. ইলমে দ্বীন অর্জনকারী গরীব ছাত্র ও আলেমদেরকে যাকাত দেয়া উত্তম।।-(ইমদাদুল ফাতাওয়া)
    ৩০. বুঝমান দরিদ্র নাবালেগকে যাকাত দেয়া যায়, যদি তার পিতা ধনী না হয়।।-(ফাতাওয়া দারুল উলূম ৬/২০৬)
    ৩১. একজনকেই নেসাব পরিমাণ যাকাতের সম্পদ দিয়ে দেয়া মাকরূহ।।-(দুররে মুখতার ৭/১৮৯)
    ৩২. নিজের উর্ধ্বতন ব্যক্তিগণ যেমন মা,বাবা,দাদা,দাদি এবং অধস্তন ব্যক্তিবর্গ যেমন ছেলে,মেয়ে,নাতি,নাতনিকে যাকাত দেয়া যাবে না। আর স্বামী-স্ত্রীও পরস্পরকে যাকাত দিতে পারবে না।। -(হিদায়া ১/২০৬)
    ৩৩. আপন মাকে যাকাত দেয়া বৈধ না হলেও, সৎ মাকে প্রদান করা জায়েয আছে।।-(তাবয়ীনুল হাকায়েক ১/৭৯)
    ৩৪. যাকাতের টাকা দ্বারা কর্মচারীদেরকে ঈদ বোনাস দেওয়া জায়েয হবে না। কেননা, বোনাস পারিশ্রমিকের অন্তর্ভূক্ত। আর যাকাত সম্পূর্ণ বিনিময়হীনভাবে দেওয়া আবশ্যক।। -(ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/২১৮)
    ৩৫. মসজিদ-মাদরাসার নির্মাণ কাজে যাকাতের টাকা ব্যয় করা যাবে না। কারণ, যাকাত গ্রহণের যোগ্য কাউকে যাকাতের টাকার পূর্ণ মালিক বানিয়ে দেয়া জরুরী।।-(ফাতাওয়া সিরাজিয়া ৮২)
    ৩৬. সমিতির সদস্যদের মধ্যে যার সমিতিতে জমাকৃত অর্থসহ অন্যান্য যাকাতযোগ্য সম্পদ মিলে নেসাব পরিমাণ হবে, তার উপর যাকাত ফরয হবে।।-(মাজমাউল আনহুর ১/২৯৯)
    ৩৭. নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক ব্যক্তি কয়েক বছরের অগ্রীম যাকাত আদায় করে দিলে তা সহীহ হবে।।-(ইলাউস সুনান ৯/৫৪)
    ৩৮. যাকাতের টাকা প্রকৃত হকদারকে বিনা বিনিময়ে মালিক বানিয়ে দিতে হবে। মালিক বানানো ছাড়া যাকাত আদায় হবে না। তাই জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজ, যেমন সড়ক ও পুল নির্মাণ ইত্যাদিতে ব্যয় করার দ্বারা যাকাত আদায় হবে না।।-(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৮৮)

    ৩৯. যাকাতের হিসাবের ক্ষেত্রে মানুষের কাছে পাওনা টাকারও হিসাব করতে হবে। তবে এমন পাওনা, যা ফেরৎ না পাওয়ার আশঙ্কাই অধিক তাহলে সে টাকার যাকাত দিতে হবে না। এই ঋণ পরে কখনো হাতে আসলে সে সময় থেকে এর যাকাত দিবে। বিগত বছরসমূহের যাকাত আদায় করতে হবে না।।-(বাদায়েউস সানায়ে ২/৮৮)
    ৪০. যাকাতের টাকা দিয়ে মৃতের ঋণ পরিশোধ করা যাবে না। তবে কোন দরিদ্র ব্যক্তি যদি নিজের জন্য কারো থেকে যাকাতের টাকা নিয়ে মৃতের ঋণ আদায় করে দেয় তাহলে যাকাতও আদায় হয়ে যাবে এবং ঋণও আদায় হয়ে যাবে।।-(খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২৪৩)
    ৪১. খাদ্যদ্রব্য, বস্ত্র ইত্যাদি দ্বারাও যাকাত দেয়া যায়। তবে নগদ টাকা দেয়া উত্তম। এতে গরীব নিজ প্রয়োজন মত খরচ করতে পারে।।
    -(আলমুহীতুল বুরহানী ৩/২১৫)
    ৪২. স্বর্ণ-রূপার মূল্যের ক্ষেত্রে বর্তমান বাজারমূল্য হিসাব করতে হবে। ক্রয়মূল্য ধর্তব্য নয়।।-(ফাতাওয়া রহীমিয়া ৭/১৪৩)
    ৪৩. ব্যবসায়িক পণ্যে নেসাব নির্ণয়ের ক্ষেত্রে খুচরা মালের ব্যবসায়ী হলে খুচরা মূল্য, পাইকারী হলে পাইকারী মূল্য ধরে যাকাত আদায় করবে। আর কেউ খুচরা ও পাইকারী উভয় মালের ব্যবসা করলে সে খুচরা মূল্য হিসেবে যাকাত দিবে।।-(দারসুল ফিকহ ১/১৩৭)
    ৪৪. যাকাতের টাকা কোন কাজের বিনিময়ে দেয়া যাবে না। এজন্য ইমাম-মুয়াজ্জিন বা কোন কর্মচারীকে বেতন-ভাতা হিসেবে যাকাত প্রদান করলে তা অনাদায়ী থেকে যাবে।।-(ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/১৮৮)

    ৪৫. ঋণ ক্ষমা করে দেওয়ার দ্বারা যাকাত আদায় হবে না। বরং সঠিক পদ্ধতি হলো, প্রথমে যাকাতের টাকা তার কাছে হস্তান্তর করে তাকে মালিক বানিয়ে দিবে। তারপর উক্ত টাকা থেকে ঋণ উসূল করে নিবে। শর্ত হলো, ঋণী ব্যক্তি যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত হতে হবে।।-(ফাতাওয়ায়ে রশিদিয়া ৩৬১)
    ৪৬. হীরা, মণিমুক্তা ইত্যাদি ব্যবসার জন্য না হলে যাকাত ওয়াজিব হবে না।।
    -(ফাতাওয়ায়ে রহীমিয়া ৭/৩৬২)
    ৪৭. যাকাত আদায়ের ক্ষেত্রে উচিৎ হলো, নিকটবর্তী আত্মীয়-স্বজন ও পাড়াপ্রতিবেশীকে আগে দেয়া। তারপর দূরবর্তী আত্মীয় ও দূরবর্তী এলাকার গরীবদেরকে দেয়া।।-(ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ৪/১০৮)
    ৪৮. বেওয়ারিশ মৃতের কাফন-দাফনে যাকাত দেয়া যাবে না। কারণ, যাকাত আদায়ের জন্য জীবিত দরিদ্রকে মালিক বানিয়ে দেয়া শর্ত।।-(ফাতাওয়া দারুল উলূম ৬/৩৩৪)
    ৪৯. বাংলাদেশ সরকারের যাকাত ফাণ্ডে যাকাতের টাকা দিলে তা আদায় হবে না।।-(ফাতাওয়ায়ে জামেয়া ১/২৬১)
    ৫০. সরকারকে দেয়া ইনকাম ট্যাক্সকে যাকাত হিসেবে গণ্য করা যাবে না।।-(ফাতাওয়া উসমানী ২/৬৭)

    লেখক: মুফতি ছালেহ বিন আব্দুল কুদ্দুস
    প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক
    শাহবাজপুর, সরাইল, বি-বাড়িয়া।
    ১৮ রমজান, ১৪৪১ হিজরী।।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    নিয়ত অনুসারে নিয়তি ও পরিনতি

    ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম