• শিরোনাম


    মোকতাদির চৌধুরী, একজন রক্ত খেকো, জনবিচ্ছিন্ন এমপি [] মুফতি মাহবুব মুবারক

    | ০২ এপ্রিল ২০২১ | ৫:৫৭ অপরাহ্ণ

    মোকতাদির চৌধুরী, একজন রক্ত খেকো, জনবিচ্ছিন্ন এমপি [] মুফতি মাহবুব মুবারক

    হেফাজতে ইসলামের মোদি বিরোধী আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫ জন শহীদ হয়েছেন। প্রায় পাঁচ শত মানুষ আহত হয়েছেন, এর মধ্যে এখনও কয়েকজনের অবস্থা খুবই আশংকাজনক। এছাড়া মাদরাসাগুলোর দরজা জানালা ভাঙা ছাড়াও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
    বাইতুল মোকাররমের কয়েক ঘণ্টা সংঘর্ষে পুলিশের হিসেব অনুযায়ী ১১০০ শতাধিক গুলি এবং ৯৩ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সে হিসেবে অন্তত এর ১০ ডাবল নিক্ষেপ করা হয়েছে।

    তারপরও আমাদের এমপি মোকতাদির চৌধুরী প্রশাসনের প্রতি ক্ষুব্ধ। তাদের নীরব ভূমিকার কারণেই না কি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এই হাল হয়েছে।
    বলছি যে, ১৫ টি তাজা প্রাণ হরণ, প্রায় পাঁচ শত মানুষ আহত করার পরও তার রক্ত পিপাসা মিটেনি?
    উনি কি চেয়েছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তৌহিদী জনতা যারা মাঠে নেমেছিলেন, সবাইকে মেরে ফেলতে?
    এটা চাওয়া অবশ্য উনার কাছে স্বাভাবিক। কারণ উনি তো কখনো এই থানার মাটি ও মানুষের অবিভাবক ছিলেনই না। উনার মতো অটো এমপি সারাদেশে একজনও নাই। উনি তিনবারের এমপি, তিনবারই অটো পাশ।



    আওয়ামীলীগের টানা তিন টার্মের প্রথম টার্ম জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসছিলো। সে হিসেবে ২০০৮ সালে যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন, তারা জনগণের ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
    ২০০৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন এডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চু। কিছুদিন যেতেই তাঁর অকস্মাৎ মৃত্যুতে মোকতাদির চৌধুরীর পথ খুলে যায়। সেই প্রথমবার, বাকি দুবারের কথা তো সকলের জানাই।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিহাসে প্রত্যেকটি এমপিই মসজিদ মাদরাসা, আলেম উলামার সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলেছেন। সে যে কোন দলেরই হোক না কেন। যদি আমার স্মৃতি ভ্রম না হয়ে থাকে, সর্বশেষ এমপি লুৎফুল হাই সাচ্চুও মনে হয় মুফতী নুরুল্লাহ রহ. এর ইন্তেকালের পর তাঁর জন্য দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করেছিলেন ।
    এটার একটাই কারণ ছিলো, সবাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় থেকেছেন, মাটি ও মানুষের সাথে মিশেছেন, তারপর গণমানুষের ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
    আর উনি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। শেখ হাসিনার এক সময়কার একান্ত সচিব থাকার সুবাধে স্থানীয় ত্যাগী নেতাদের ডিঙিয়ে মনোনয়ন ভাগিয়ে এনে তিন তিনটে অটো নির্বাচন করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় উনি থাকেনওনি, এখানকার মানুষ কখনো উনাকে ভোটও দেয়নি। এজন্যই উনি মানুষের উপর দায়বদ্ধ নয়। সবাইকে গুলি করে মেরে ফেললেও উনার কিছু আসে যায় না।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ একটা পট পরিবর্তনের অপেক্ষায় আছে। একটা সুযোগ পেলে সব হিসেব চুকিয়ে নিবে। কামনা শুধুই একটাই, সেই পর্যন্ত উনি বেঁচে থাকুক, আর বাহিরে পালিয়ে না যাক।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম