• শিরোনাম


    মৃত্যুদন্ড এবং এর কার্যকরিতা: শাকীল কাসিম

    | ২৫ অক্টোবর ২০১৯ | ৫:১২ অপরাহ্ণ

    মৃত্যুদন্ড এবং এর কার্যকরিতা: শাকীল কাসিম

    সন্দেহ নেই যে, কুরআনী শাসনব্যবস্থাই মানবজাতির জন্য সর্বাদিক কল্যাণকর। কুরআনের আইনে মৃত্যুদণ্ড আছে। যদিও বাংলাদেশ কুরআনের আইনে চলে না, তবে “নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো” এই থিওরি অনুযায়ী দু’চারটা আইনও যদি এমন থাকে, যা কুরআনের আইনের সাথে মিলে যায়, তো একেবারে খারাপ কিসে?!
    বলতে দ্বিধা নেই যে, বাংলাদেশে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অনেক অপরাধীকেই শুধু ব্যক্তিগত প্রভাব কিংবা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে ছেড়ে দেওয়া হয়। আবার এটাও সত্য যে, এদেশে অনেক নিরপরাধ মানুষকেও ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলতে হয়েছে শুধু প্রভাবহীনতা কিংবা সমসাময়িক সরকার সংশ্লিষ্টতা না থাকার কারণে। এতদ্বসত্ত্বেও বাংলাদেশে রিয়েল কিছু মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়। এইযে নুসরাত হত্যার দায়ে আদালত ১৬জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। যদিও বিশ্বাস করা যায় না যে, সবারই ফাঁসি হবে। তবে দু’চারজনের রায় কার্যকর হতে পারে।

    বিচারের উদ্দেশ্য শুধু বিচারপ্রার্থীকে সন্তুষ্ট করা নয়। বিচারের মৌলিক উদ্দেশ্যই হলো, সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বাংলাদেশে অপরাধ প্রবণতা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এর একটা মৌলিক কারণ হলো, বিচার কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকারের গোপনীয়তা নীতির ফলে মানুষ বিচার থেকে শিক্ষা নিতে পারে না। অথচ কুরআনে সূরা নূরের ২নং আয়াতে আল্লাহ বলেন, “তোমরা ব্যভিচারী নারী ও পুরুষ প্রত্যেককে একশো করে বেত্রাঘাত করো। আর আল্লাহর বিধান বাস্তবায়নে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দেয়ার উদ্রেক না হয়। আর তাদের শাস্তি যেন মুসলমানদের বড় একটা দল প্রত্যক্ষ করে।”
    আজকে যদি নুসরাতের সবকটা হত্যাকারীকে আবদ্ধ ঘরের ভিতরে ফাঁসি না দিয়ে ঢাকা শহরে কোন একটা জনবহুল স্থানে মিডিয়ার সামনে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে দেয়া হত, তাহলে আগামী দিনের সম্ভাব্য অপরাধীরা এ থেকে শিক্ষা নিতে পারতো।



    অতএব জনতার পক্ষ থেকে সরকারের নিকট দাবি জানাচ্ছি, অপরাধীদের জনসম্মুখে বিচার করুন। এবং নুসরাত হত্যার বিচারের মাধ্যমেই এই নবধারা শুরু হোক।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম