• শিরোনাম


    মুফতী আমিনী (রহঃ) থেকে শোনা ঈদেরদিনে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)’র একটি ঘটনা

    সংগ্রহে মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি | ২৫ মে ২০২০ | ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ

    মুফতী আমিনী (রহঃ) থেকে শোনা ঈদেরদিনে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)’র একটি ঘটনা

    রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ঈদের দিন ঈদগাহে যাবার সময় পথে দেখলেন এক শিশুবাচ্চা কান্না করছে।
    রাসুলুল্লাহ (সাঃ)তাকে কান্নার কারণ জিগ্যেস করলেন,শিশুবাচ্চাটি উত্তরে বললো, আমার পিতা এক যুদ্ধে শহীদ হন।আমার মা দ্বিতীয় বিয়ে করেন, আজ ঈদের দিন, কিন্তু বাড়িতে আমার মা ও আমার সৎ বাবা-র মাঝে ঝগড়া হয়,আর এই ঝগড়ার ফলে তারা আমাকে মারপিট করে ঘর থেকে বের করে দেয়।
    এখন আমি কান্না করছি আমার ঈদ কিভাবে হবে এই কষ্টে।
    রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ঈদগাহে খবর দিলেন নামাজ দেরি করে পড়া হবে।
    এর মধ্যে শিশুবাচ্চাটিকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)নিজ ঘরে গিয়ে আয়েশা (রাঃ) কে বললেন, শিশুটিকে গোসল করা-ও।
    সাহাবিদের বললেন, তার জন্যে নতুন কাপড় নিয়ে আসো।
    গোসল করিয়ে নতুন জামা পড়িয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বাচ্চাটিকে বললেন,তোমার তো পিতা নেই, এখন আমি মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ যদি তোমার পিতা হয়এ যায়,আয়েশা যদি তোমার মা হয়ে যায়, ফাতেমা যদি তোমার বোন হয়ে যায় তাহলে তোমার কেমন লাগবে?
    উত্তর বাচ্চাটি বললো ইয়া রাসুলুল্লাহ, এরচেয়ে উত্তম আমার জন্য আর কি হতে পারে।
    এখন বাচ্চা খুব খুশি।
    ঈদগাহে যাবার পথে রাস্তায় অন্যান্য বাচ্চারা এখন তাকে বলে কিরে,একটু আগেই তো কান্নাকাটি করছিলে,এখন তো খুব খুশি কি ব্যাপার?
    উত্তরে বাচ্চাটি বললো, খুশি হবো না? তোমাদের বাপ তো অমুক তমুক, আর আমার বাপ হলো বিশ্বনবী মোহাম্মদ (সাঃ), তোমাদের মা বোন অমুক তমুক, আমার মা আয়েশা(রাঃ),আমার বোন জান্নাতে মহিলাদের সর্দার হজরত ফাতেমা (রাঃ)।

    ঈদের দিনের শিক্ষাই হলো, অন্যদের মুখে হাসি ফোটানো, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এ-র এই ঘটনা দ্বারা আমরা তা-ই বুঝতে পারলাম। তাই আসুন,সমাজের অসহায় মানুষদের সাথে আমরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই। তাহলেই ঈদের প্রকৃত উদ্দেশ্য হাসিল হবে।



    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম