• শিরোনাম


    মাহে রমাদানের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত

    | ২৯ মার্চ ২০২২ | ১১:৪৩ পূর্বাহ্ণ

    মাহে রমাদানের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত

     

    -শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজী



    রহমত,বরকত মাগফিরাতের বার্তা নিয়ে আমাদের দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমাদান।পবিত্র এই মাসে আল্লাহ রব্বুল আলামীন নবী করিম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর পবিত্র কুরআন শরিফ নাজিল করেন, তাই এই মাসকে কুরআন নাজিলের মাসও বলা হয়।ইবাদত-বন্দেগির এই মাসে প্রতিটি নেকি আমল সত্তর গুণ করে দেওয়া হয়।মুমিন মুত্তাকীদের নিকট এই মাস অত্যান্ত প্রিয় তারা দীর্ঘ একবছর অপেক্ষা করে রমাদানের জন্য।কেননা সিয়াম সাধনার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যাই।

     

    এই মাসের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত অপরিসীম যা বর্ণনাতীত,আল্লাহ তা আলা প্রত্যেক আকেল,বালেগ এর জন্য রমজান মাসে রোজা রাখা ফরজ করে দিয়েছেন,আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনের সুরা বাকারার ১৮৩ নম্বর আয়াতে সিয়াম সম্পর্কে বলেছেনঃ

    ‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা খোদাভীতি বা তাকওয়া অর্জন করতে পার।’ (২:১৮৩)

    পরের দুই আয়াতে এসেছে:

    আয়াত নং(১৮৪)নির্দিষ্ট সংখ্যক দিনের (এক মাসের) জন্য রোজা ফরজ। অতএব এ সময় তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ বা সফরে থাকলে, তাকে অন্য সময়ে (মাসে) ঐ সংখ্যা পূরণ করে নিতে হবে। আর যাদের জন্য রোজা অত্যন্ত কষ্ট দায়ক, তারা এক দিনের পরিবর্তে একজন মিস্‌কীনকে খাদ্যদান করবে। তবে যে কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আরো বেশি সৎকর্ম করবে তার জন্য আরো কল্যাণকর। অতএব কোন অযুহাত না দেখিয়ে যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর, যদি তোমরা বুঝতে পারতে।

    আয়াত নং (১৮৫)রমযান মাসই হল সে মাস, মানুষের হেদায়েতের জন্য যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন। আর তা হেদায়েতের সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশ এবং ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, তাকে এ মাসের রোযা রাখতে হবে। কিন্তু যে লোক অসুস্থ কিংবা সফরে থাকবে সে অন্য মাসে ঐ সংখ্যা পূরণ করবে। কারণ আল্লাহ্‌ তোমাদের জন্য (তাঁর বিধান) সহজ করতে চান, কঠিন করতে চান না যাতে তোমরা রোজার নির্দিষ্ট সংখ্যা পূরণ করতে পার এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ্‌ তা’য়ালার মহত্ত্ব ঘোষণায় সচেষ্ট থাকতে পার। আর আশা করা যায় তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করবে।

    রাসুলুল্লাহ সাঃ এর অসংখ্য হাদিস রয়েছে রমাদানের ফজিলত সম্পর্কে,
    হজরত সাহল বিন সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলে পাক (সা.) ইরশাদ করেন, জান্নাতের আটটি দরজা রয়েছে। এর মধ্যে একটি দরজার নাম ‘রাইয়ান’। এ দরজা দিয়ে শুধু রোজাদারগণ প্রবেশ করবে। অন্যরাও এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে চাইবে। কিন্তু রোজাদার ব্যতীত অন্য কাউকে এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। (বুখারি ও মুসলিম)।

    রমজানের অন্যতম একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, আল্লাহ্ তাআলা এ মাসটিকে স্বীয় ওহি সহিফা ও আসমানি কিতাব নাজিল করার জন্য মনোনীত করেছেন। অধিকাংশ কিতাব এ মাসেই নাজিল হয়েছে।এই মাসে আমাদের করণীয় হলো বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করার তৌফিক দান করুন, বেশি বেশি ইবাদত বন্দেগি, দান সদকা, জিকার আযকার,নফল নামাজ আদায় করার মাধ্যমে অতিবাহিত কারার তৌফিক দান করুন আমিন।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম