• শিরোনাম


    মাইন্ড ইয়োর ল্যাঙ্গুয়েজ : নির্বাচন কমিশনকে মান্না

    | ০৬ নভেম্বর ২০১৮ | ৫:২২ পূর্বাহ্ণ

    মাইন্ড ইয়োর ল্যাঙ্গুয়েজ : নির্বাচন কমিশনকে মান্না

    আগমী ৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপের ফলাফল প্রকাশের আগে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করতে ইসিকে অনুরোধ জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।সোমবার সন্ধ্যার ৬টার পরে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেড়িয়ে এসে একথা জানান ঐক্যফ্রন্ট নেতা আ স ম আবদুর রব।তিনি বলেন, নির্বাচনের পরেও নির্বাচন কমিশনাররা এ দেশে বসবাস করবেন। তাই সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তাদেরকে একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
    জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন উল্লেখ করে রব বলেন, পুলিশ, আনসারের তো যথেষ্ঠ ক্ষমতা নেই। কোনো বিশৃঙ্খলা হলে সেনাবাহিনী যাতে গ্রেফতার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে সেটা আমরা বলেছি। ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
    তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তাব উনারা (ইসি) বিবেচনায় নিয়েছেন। আমরা বলেছি- ইসি তো নিরপেক্ষ সংস্থা। আপনারা সিরিয়াস হবেন না।বৈঠকে নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলের প্রতি মানুষের আস্থা আছে কি না, এ নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।তিনি সাংবাদিকদের বলেন, উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নয়, ভেতরে গলার আওয়াজ এমনই ছিল।
    তবে কমিশন সূত্র জানায়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বৈঠকে বলেন, তারা নির্বাচন কমিশনের প্রতি কোনো অনাস্থার কথা বলতে আসেননি। তবে এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা নেই।মান্নার বক্তব্যের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘আপনাদের (রাজনৈতিক দল) ওপরও তো জনগণের আস্থা নেই।’ সিইসির এই বক্তব্যে রেগে গিয়ে মান্না বলেন, ‘মাইন্ড ইয়োর ল্যাঙ্গুয়েজ।
    ’এরপর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রতিনিধিদলের অপর সদস্য সুলতান মনসুর বৈঠকে ইসিকে সতর্ক করে বলেন, ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন আর করা যাবে না।এর আগে সোমবার বিকাল পৌনে ৪টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইসি ভবনে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার একেএম নূরুল হুদাসহ চার কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, মাহবুব তালুকদার, কবিতা খানম ও শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী এবং ও নির্বাচন কমিশনের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
    ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে ছিলেন- জাসদ জেএসডি সভাপতি আসম আবদুর রব, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহামুদুর রহমান মান্না, বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বরকতুল্লাহ বুলু ও নঈম জাহাঙ্গীর।প্রসঙ্গত, রোববার (৪ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ৮ নভেম্বর তফসিল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে শনিবার (৩ নভেম্বর) ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চলমান রাজনৈতিক সংলাপের কথা উল্লেখ করে তফসিল ঘোষণা না করতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়। সূএঃ আমাদের সময় ।

    Facebook Comments



    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম