• শিরোনাম


    মন্দিরে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব

    রিয়াজ উদ্দিন রুবেল, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী। | ২৫ অক্টোবর ২০২০ | ২:৩৭ অপরাহ্ণ

    মন্দিরে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব

    নোয়াখালী সুবর্ণচরে মন্দিরে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। এবার উপজেলার ২০টি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুর্গা পূজা যা অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক কম।



    মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা এবং মানবজাতির শুভ কামনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মন্দিরে মন্দিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। সরকারী নির্দেশনা মেনে ছোট পরিসরে চলছে পূজার কার্যক্রম। প্রতি বছরের মতো এবার নেই আইন শৃংখলা বাহিনীর উপস্থিতি। তবে উপজেলার সর্বত্রই আইন শৃংখলায় দায়িত্বরত লোকজন টহল জোরদার রেখেছেন বলে জানিয়েছেন পূজা আয়োজকরা।

    গত বুধবার শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গাদেবীর পঞ্চমী বিহিত পূজা প্রশস্তা সায়ংকালে দেবীর বোধনের মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছে দুর্গাপূজা। বৃহস্পতিবার শ্রী শ্রী দুর্গাষষ্ঠী শারদীয়া দুর্গাদেবীর ষষ্ঠ্যাদি কল্পারম্ভ এবং ষষ্ঠী বিহিত পূজা প্রশস্তা। এতে সয়ংকালে দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস ঘটে। শক্রবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গাবেদীর নবপত্রিকা প্রবেশ, স্থাপন, সপ্তম্যাদি কল্পারম্ভ ও সপ্তমী বিহিত পূজা প্রশস্তা। শনিবার শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গাদেবীর মহাষ্টম্যাদি কল্পারম্ভ, কেবল মহাষ্টমী কল্পারম্ভ ও মহাষ্টমী বিহিত পূজা। রবিবার নবমী শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গাদেবীর কেবল মহানবমী কল্পারম্ভ ও মহানবমী বিহিত পূজা প্রশস্ত। সোমবার দশমী শ্রী শ্রী শারদীয় দুর্গাদেবীর দশমী বিহিত পূজা সমাপনান্তে বিসর্জ্জন প্রশস্তার মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গাৎসব।

    রবিবার উপজেলার ৬ নং চর আমান উল্যাহ ইউনিয়নে শ্রী শ্রী মাতাঙ্গী মন্দিরে গিয়ে দেখা যায় তারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দুর্গাপূজার আয়োজন করছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি রতন মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক হিরামন চন্দ্র নাথ, কোষাধ্যক্ষ শিমুল মজুমদার, কার্যকারী কমিটির সভাপতি বিক্রম চন্দ্র মাতাব্বর।

    কার্যকারী কমিটির সভাপতি বিক্রম কুমার বলেন, প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে মাতাঙ্গী মন্দিরে তারা শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন করে আসছেন। মন্দিরে তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজা উদযাপনের আয়োজন করছেন।

    ছোট আকারে পূজা করতে গেলে প্রতিমা তৈরিতে প্রায় ২০/২৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। স্থানীয় ভাবেই এই ব্যয় বহন করতে হয়। তবে সরকারী ভাবে চাল এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট থেকে আর্থিক সহযোগিতা পাওয়া যায়। এবার মূলত করোনামুক্তি ও মানবজাতির কল্যাণ কামনায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা। উপজেলার বেশ কয়েকটি পূজা মুন্দিরে গিয়ে দেখা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবার মন্দিরের সামনে লোক সমাগম কিছুটা কম। করোনার প্রভাবে এমনটা হয়েছে বলে জানাগেছে। তবে মন্দিরগুলোর সামনে রাখা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার,স্ফ্রে, এছাড়াও যারা মন্দিরে আসছেন তাদের মুখে মাস্ক দেখা গেছে। বলা চলে সরকারী নির্দেশনা মেনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের দুর্গা পূজা।

    পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিরামন চন্দ্র নাথ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এ বছর সকল মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সকলের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের দুর্গাপূজা।

    পূজোয় মন্দিরে আসা ভক্তরা বলেন, মা দুর্গার কাছে আমাদের চাওয়া মা যেনো বিশ্ববাসীকে মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত করেন এবং মানবজাতির কল্যাণ সাধন করেন।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম