• শিরোনাম


    ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমানোর কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন

    | ২০ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ

    ভোটের দিন ইন্টারনেটের গতি কমানোর কথা ভাবছে নির্বাচন কমিশন

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, ভোটের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার আগ পর্যন্ত ইন্টারনেটে গতি কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

    বুধবার সকালে আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে নির্বাচনের দিন সফটয়্যার সংক্রান্ত ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ইএমএস), ক্যানডিডেট ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিআইএমএস) এবং রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট সিসটেম (আরএমএস) সংক্রান্ত প্রশিক্ষণে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।



    প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্য করে সচিব বলেন: বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধানরা আমাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছেন, ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে আনার জন্য। ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে আনলে আপনাদের রেজাল্ট পাঠাতে খুব অসুবিধা হবে?

    প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, সমস্যা হবে। তখন সচিব বলেন: আপনারা রেজাল্ট পাঠাবেন কখন থেকে? বিকেল ৫টা থেকে। ৫টার আগ পর্যন্ত যদি গতি কম থাকে? তখন প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, সমস্যা নাই।

    এসময় সচিব বলেন, আচ্ছা আমরা বিষয়টি দেখব। তাহলে ৪টার পরে যদি ফুল স্পিডে ইন্টারনেটের লাইন থাকে, তবে কোনো সমস্যা হবে না। বিষয়টি আমরা বিবেচনা করব।

    সচিব আরো বলেন: আপনাদেরকে খুব সতর্ক হয়ে কাজ করতে হবে। একটা সংখ্যার এদিক-সেদিক হলে কিন্তু ওই এলাকায় মারামারি শুরু হয়ে যাবে। এগুলো আপনারা সাবধানে করবেন। টেলিভিশনের একটা বিজ্ঞাপন দেয় যে, যুদ্ধের সময় সেনাপ্রধান বলল- সবাই জাগো। কিন্তু সবাই শুনলো ভাগো। ভাগো শুনে সবাই ভেগে গেছেন।

    ‘‘কথার শব্দের হের-ফেরে যেমন একটা টোটাল অ্যারেঞ্জমেন্ট নষ্ট হয়ে যায়। ঠিক তেমনি আমাদের একটা সংখ্যার কারণেও কিন্তু একটা এলাকায় অশান্তির সৃষ্টি হতে পারে। আপনারা খুব সতর্কতার সাথে, সুন্দরভাবে, ঠাণ্ডা মাথায় এ কাজটা করবেন।’’

    ইসি সচিব বলেন: এখনও অনেক আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত হয় নাই। আরও কিছু হয়তো পরিবর্তন হবে। যেখানে প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়ে গেছে সেখানে আমরা ব্যালট ছাপিয়ে ফেলবো। কারণ আমরা চাই এক সপ্তাহ পূর্বে ব্যালটগুলো মাঠে চলে যাক। যেখানে একটু সমস্যা আছে সেখানে ব্যালট পরে পাঠাবো। মহামান্য হাইকোর্ট থেকে নির্দেশনা আসলে আমাদেরকে সেইভাবে অ্যাকউমুলেট (সমন্বয়) করতে হবে।

    সচিব আরো বলেন: ৩০০ আসনে নির্বাচন করা একটা বিশাল ব্যাপার। দেশে যদি রাজনৈতিক সুপরিবেশ থাকে। তাহলে আমাদের কাজ করতে সুবিধা হয়। আর যদি সুপরিবেশ না থাকে, তাহলে সব সময় আমাদেরকে বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয়। বর্তমানে টেলিভিশন খুললেই, পত্রিকা খুললেই নির্বাচন নিয়ে কথা দেখা যায়। বাংলাদেশের সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ নির্বাচন নিয়ে উন্মুখ।

    তিনি বলেন: নির্বাচন কমিশনের এতো ব্যাপক কর্মযজ্ঞ কিন্তু আর কখনো গ্রহণ করা হয়নি। আমি ৩১ বছর ধরে মাঠে আছি। আমি নিজে রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ছিলাম, ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এতো বিশাল কর্মযজ্ঞ এর আগে কখনো দেখিনি। আবার নতুন যোগ হয়েছে ইভিএম। ইভিএম নিয়েও আমরা নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দফায় দফায় প্রশিক্ষণ দিয়েছি।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশনাররা রুট লেভেল পর্যন্ত যাচ্ছেন, সভা করছেন, কথা বলছেন। এর উদ্দেশ্য হলো- নির্বাচনটা যাতে সুশৃঙ্খল হয়, সুন্দর- সুষ্ঠু হয়, সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। এটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য যোগ করেন সচিব।

    ইটিআই-এর পরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম