• শিরোনাম


    ভিকারুননিসার শিক্ষার্থী অরিত্রির আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের ৫ সদ‌স্যের কমিটি

    | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮ | ৫:৪৫ অপরাহ্ণ

    ভিকারুননিসার শিক্ষার্থী অরিত্রির আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের ৫ সদ‌স্যের কমিটি

    ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শাখার শিক্ষার্থী অরিত্রি অধিকারীর আত্মহত্যার কারণ অনুসন্ধানের জন্য ৫ সদস্যের একটি কাউন্সিলিং কমিটি গঠন করেছেন হাইকোর্ট। নির্দেশ পাওয়ার পর এক মাসের মধ্যে এ কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
    অরিত্রির আত্মহত্যার ঘটনা মঙ্গলবার (৪ ডিসেম্বর) আদালতের নজরে আনা হয়। এরপর বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
    আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, অনিক আর হক, আনুনন নাহার সিদ্দিকা প্রমুখ।
    অরিত্রির আত্মহত্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের প্রকাশিক প্রতিবেদন মঙ্গলবার সকালে আদালতের নজরে আনা হয়। এসময় আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে আদালত বলেন, আপনারা এ সংক্রান্ত সকল নথি নিয়ে আসুন। আমরা দুপুর ২টায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দিব।
    ভিকারুননিসা নূন স্কুলের প্রধান শাখার ইংলিশ ভার্সনের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল অরিত্রি। তার বাবা দিলীপ অধিকারী। দুই মেয়ে অরিত্রি, ঐন্দ্রীলা ও স্ত্রী বিউটিকে নিয়ে শান্তিনগরের একটি বাসায় থাকেন। তিনি কাস্টমসের সিএন্ডএফ-এর ব্যবসা করেন। ছোট মেয়ে ঐন্দ্রীলাও একই স্কুলের শিক্ষার্থী। অরিত্রির বার্ষিক পরীক্ষা চলছিল। ২ ডিসেম্বর অরিত্রির ইতিহাস পরীক্ষা ছিল। স্কুলে মোবাইল নেওয়া নিষেধ থাকা সত্ত্বেও অরিত্রি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পরে মোবাইলটি দেখতে পেয়ে শিক্ষকরা তা জব্দ করে এবং অরিত্রিকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেয়।
    ৩ ডিসেম্বর সকালে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য স্কুলে যায় অরিত্রি। কিন্তু তাকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে না দিয়ে তার বাবা ও মাকে ডেকে পাঠায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। তখন অরিত্রির বাবা ও মা স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপালের কক্ষে যান। ভাইস প্রিন্সিপাল বলেন, ‘মোবাইলে অরিত্রি নকল করছিল।’ এ ঘটনায় অরিত্রির বাবা-মা ক্ষমা চাইলে তাদের প্রিন্সিপালের কক্ষে পাঠানো হয়। প্রিন্সিপালের কক্ষে গিয়েও তারা ক্ষমা চান। কিন্তু প্রিন্সিপাল সদয় হননি। একপর্যায়ে পায়ে ধরে ক্ষমা চান তারা। কিন্তু প্রিন্সিপাল তাদের বেরিয়ে যেতে বলেন এবং অরিত্রিকে টিসি (ছাড়পত্র) দেওয়ারও মৌখিক নির্দেশ দেন। এরপর স্কুল থেকে বের হয়ে অরিত্রির বাবা মেয়ে ও স্ত্রীকে বাসায় নামিয়ে দেন। পরে বিভিন্ন জায়গায় ফোন তিনি তদবির শুরু করেন। এরই মধ্যে বাসা থেকে তাকে জানায়, অরিত্রি রুমের দরজা বন্ধ করে রেখেছে। পরে দরজা ভেঙে অরিত্রিকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

    Facebook Comments



    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম