• শিরোনাম


    ভারতে মুসলিম হত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকায় গণমিছিল করতে দেয়নি পুলিশ

    | ৩০ জুলাই ২০১৯ | ৬:০৩ অপরাহ্ণ

    ভারতে মুসলিম হত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকায় গণমিছিল করতে দেয়নি  পুলিশ

    পুলিশের বাধার মুখে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গণমিছিল পন্ড হয়ে গেছে। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে মিছিল নিয়ে সামনে আগাতে পারেনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ। পল্টন মোড়ে গণমিছিল শুরু করার সময় পুলিশ চারদিকে ঘিরে বাধা দেয়। পুলিশের সাথে বাকবিতন্ডা শুরু হলে সাময়িক উওেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ”ভারতের দালেরা হুশিয়ার সাবধান’, মুসলিম হত্যা বন্ধ কর করতে হবে” ইত্যাদী স্লোগান দিতে শুরু করে সবাই। পরে দলের আমীরের নিদেশে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরও শেষ পর্যন্ত গণমিছিল করতে না পেরে উপস্থিত লাখো জনতা তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই মিছিল সহ বায়তুল মোকারম মসজিদ এলাকায় আসতে থাকে দলীয় নেতা-কর্মীরা। সমাবেশ শুরুর আগেই পুরো এলাকা জনসমুদ্রে রুপ নেয়।



    আজ মঙ্গলবার ৩০ জুলাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে ভারতে অব্যাহত মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতীয় দুতাবাস অভিমূখে গণমিছিল কর্মসূচী পালন করছিলো। সকাল ১০ টায় কর্মসূচি শুরু হয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্র্রীয় ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনের অনুমতি থাকা সত্বেও শেষ পর্যন্ত গণমিছিল করতে দেয়নি পুলিশ। প্রথমে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে অনুমতি দিলেও পরবর্তিতে আবার বাধা দিয়ে উত্তর গেটে গণমিছিল পূর্ববর্তি সমাবেশ করতে বলে পুলিশ। এসময় বায়তুল মোকারম মসজিদের চারদিকের গেইট সহ সকল স্থানে লোকারণ্য হয়ে জনসমুদ্রে রুপ নেয় সমাবেশ।
    শুরুতে সমাবেশ কোনো বাধা না দিলেও শেষ পর্যন্ত গণমিছিল করতে দেয়নি তারা। এতে উপস্থিত লাখো জনতা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানায়।

    সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীম, সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী পুলিশের সাথে কথা বললেও কঠোর অবস্থানে থাকে পুলিশ। গণমিছিলের অনুমতি না দিয়ে বরং তাদের ফিরে যেতে বলেন তারা।

    শেষ পর্যন্ত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ রেজাউল করীম পুলিশি বাধার কঠোর নিন্দা জানান এবং সরকারকে ভারতের পদলেহন করছে অভিযোগ করে তীব্র ক্ষোভ ধিক্কার জানিয়ে দোয়ার মাধ্যমে গণমিছিল কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

    এর আগে, ভারতে অব্যাহত মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গণমিছিল জনসমুদ্রে রুপ নিয়েছে। বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে নিয়ে পুরো পল্টন এলাকায় লাখো সংখ্যার জনগণের উপস্থিতিতে গণমিছিল এখন জনসমুদ্রে রুপ নিয়েছে।

    গণমিছিল পুর্ববর্তী সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ভারতের বিরুদ্ধে কড়া হুশিয়ারী দিয়ে বলেছেন, অবিলম্বে ভারতে মুসলিম নির্যাতন বন্ধ না করলে ভারতের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীমের নেতৃত্বে গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়ামের অন্যতম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সারাদেশ থেকে আগত কর্মী সমর্থকরা।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম