• শিরোনাম


    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেলফি তুলতে গিয়ে নটরডেম কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ | ১৬ জুলাই ২০১৮ | ৬:০৯ অপরাহ্ণ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেলফি তুলতে গিয়ে নটরডেম কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদীতে নিখোঁজ নটরডেম কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার ১৮ ঘন্টা পর সানজিদা বিন প্রাপ্তি (২০)র ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ইসরাফুল মেহরাব (২২)। তাকে উদ্ধারের জন্য ঢাকা থেকে আসা নৌ বাহিনীর একটি দল, ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের একটি ও আশুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। রোববার সকাল সোয়া ১১ টায় মেঘনা নদীর জিটিসিএল এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাপ্তি ঢাকার লক্ষিবাজার এলাকার তানভির আহমেদ এর মেয়ে ও ঢাকা নটরডেম কলেজের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
    আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী বাইন হীরা জানান, গতকাল শনিবার বিকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চরসোনারামপুর এলাকার সিরাজগঞ্জ-আশুগঞ্জ গ্রীড লাইনের টাওয়ারের উত্তর পাশে মেঘনা নদীতে ঘুরতে এসে মেঘনা নদীতে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়। ঘটনার পর থেকেই তাদের উদ্ধার অভিযান অব্যহত আছে। এরই মধ্যে সন্ধায় প্রতিক’ল আবহাওয়ার কারনে উদ্ধার অভিযান বন্ধ রাখতে হয়। রোববার সকালে ঢাকা থেকে আসা ১০ সদস্যের নৌ বাহিনীর একটি ডুবুরী দল, ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের ৯ সদস্যের একটি দল ও আশুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এরই মধ্যে সকাল সোয়া ১১ টার দিকে রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সেতুর কিছুটা দূরে মেঘনা নদীর ভৈরব প্রান্তে সানজিদা বিন প্রাপ্তির মরদেহ ভেসে উঠে। পরে নৌ পুলিশ ও আশুগঞ্জ থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
    উল্ল্যেখ্য, শনিবার সকালে ঢাকা থেকে নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও বিবিএ বিভাগের তৃতীয় বর্ষের সাত শিক্ষার্থী মেঘনা নদীতে ঘুরতে আসেন। পরে তারা সারাদিন রেলসেতু ও আশপাশ এলাকায় ঘুরে বিকেলে আশুগঞ্জের চর সোনারামপুর এলাকায় যান। সেখানে নদীর পাড়ে সেলফি তুলেন তারা। সেলফি তুলার একপর্যায়ে সানজিদা পা পিছলে নদীতে পড়ে যায়। এ সময় তিনি পানিতে ডুবে গেলে তাকে উদ্ধারের জন্য মেহরাবও পানিতে নেমে ডুবে যান। তাদের উদ্ধারের জন্য পর্যায়ক্রমে বাকি পাঁচজন পানিতে নামলে তারাও ডুবে যান। পরে স্থানীয় লোকজন নদীতে নেমে পাঁচজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসাপাতালে ভর্তি করে। তবে সানজিদার লাশ উদ্ধার হলেও মেহরাব এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে শনিবার সন্ধ্যা থেকেই আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মৌসুমী বাইন হিরা ও ভারপ্রার্প্ত কর্মকর্তা বদরুল আলম তালুকদার ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজের তদরকি করছেন। ঘটনার পর থেকে ফায়ার সার্ভিস আশুগঞ্জ ও ভৈরবের ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

    Facebook Comments



    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম