• শিরোনাম


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মাওঃ মুজিবুর রহমান হামিদী

    | ২৮ নভেম্বর ২০১৮ | ৩:৫৪ পূর্বাহ্ণ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের জন্য  মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মাওঃ মুজিবুর রহমান হামিদী

    ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী

    ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও দলের ঢাকা মহানগরীর আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী।



    গতকাল বিকালে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তিনি দলিয় প্রতিক বটগাছ মার্কায় নির্বাচন করবেন।
    FB_IMG_1543354900672
    তিনি বিগত ৩০ বছর যাবত ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠায় জাতীয় রাজনীতির সাথে জড়িত।অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীরও সহ সভাপতি।

    ১৯৯৪ সালে জাতীয় পর্যায়ে ১১টি ইসলামী ছাত্র ও যুব সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘খতমে নবুওয়াত যুব-ছাত্র সমন্বয় কমিটি’র সভাপতির দায়িত্বও সুনামের সাথে পালন করেছেন তিনি।

    মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা, দেশপ্রেম, মুসলমানদের ঈমান-আক্বিদা, তাহজিব-তামাদ্দুন সংরক্ষণ, গণমানুষের অধিকার আদায় এবং নাস্তিক-মুরতাদসহ সকল ইসলাম বিদ্বেষী তৎপরতা বন্ধে দীর্ঘদিন যাবত রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে গৌরব উজ্জ্বল ভূমিকা রেখে চলেছেন।

    অন্যায়-অসত্য, জুলুম-নির্যাতন, দুর্নীতি-দুঃশাসন, সাম্রাজ্যবাদ-আধিপত্যবাদ বিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশে কখনো সংকোচ করেন না তিনি। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। সকল শ্রেণির মানুষের কাছে তার ব্যাপক পরিচিতিও রয়েছে।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবো ইনশাআল্লাহ।

    এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা হামিদী বলেন, আমরা প্রচলিত রাজনীতি করি না। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে খোলাফায়ে রাশেদার অনুকরণে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করি। দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে পরাজয়ের প্রশ্নই আসতে পারে না।

    তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বার বার ক্ষমতার হাত বদল হয়েছে। অনেক তন্ত্র-মন্ত্রের ও শাসনের পরীক্ষা হয়েছে। কিন্তু গণমানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি, দেশে শান্তি আসেনি। জনগণ এসব ব্যর্থ শাসনে অতিষ্ঠ।

    আল্লাহ প্রদত্ত শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি ফিরে আসতে পারে, ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে। জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে।

    ভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কাউকে কোনো পদের জন্য যোগ্য, সৎ ও বিশ্বস্ত বলে সাক্ষ্য দেয়ার নাম হচ্ছে ভোট। এদেশের মানুষ এখন সচেতন ও শিক্ষিত। তাই অযোগ্য, অসৎ, দুর্নীতিবাজ ও বিশ্বাসঘাতক নীতিচুতদের ভোট দিয়ে মিথ্যা সাক্ষি দিবে না এবং গুনাহের কাজ করবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম