• শিরোনাম


    বান্দরবন ভ্রমণ পর্ব— ২ [] মুহাম্মদ আশিকুর রহমান গৌরনগরী

    | ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ১১:৪১ অপরাহ্ণ

    বান্দরবন ভ্রমণ পর্ব— ২ [] মুহাম্মদ আশিকুর রহমান গৌরনগরী

    দুর্গম পাহাড়ের গিরী পথ,ঝর্ণাধারার বহমান,স্বচ্ছ্ব পানির স্রোত,পাহাড়ের আকাশচুম্বি উঁচ্ছতা সবই প্রকৃতির এক অনন্য জায়গা বান্দরবন!
    প্রভাতের কচি রোদ,সূর্যের স্নিগ্ধ আলোকরশ্মি আর স্বচ্ছ্ব পানির প্রবাহ এবং পিছনে সাঁড়িবদ্ধ হয়ে আকাশচুম্বি পাহাড়ের সাড়ি আর প্রকৃতির এক অসম্ভব সুন্দর দৃশ্য সব কিছুই মুগ্ধময় করে তুলেছে!

    পাথরের উপর দিয়ে স্বচ্ছ্ব পানির স্রোত, পাহাড় কে প্রকৃতিরা সবুজের রঙ দিয়ে সাজিয়ে তুলেছে!
    শীতল পানির উষ্ণতা সাথে প্রভাতের ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপে ‘চা ‘!
    সব মিলিয়ে অবিশ্বাস্য সৌন্দর্যময় করে তুলেছে ৷



    কারন পাহাড় আমাদের কে শিখায় কিভাবে পৃথিবীতে দৃঢ়তার সাথে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হয়!
    ঝর্ণাধারা আমাদের কে শিখায়, কিভাবে কান্না করে,চোখের অশ্রুর বান ছেড়ে প্রভুর কাছে প্রার্থনা করতে হয়!

    পানির স্রোত আমাদের কে শিখায়,কিভাবে স্রোতের নেয় সামনের দিকে চলতে হয়!

    পাথরের স্থিরতা আমাদের কে শিখায়,কিভাবে এক জায়গাতে স্রোতের মাঝেও,জীবনের উপর দিয়ে খরকোঁড়ার ন্যায় অনেক কিছু প্রবাহ হবে,তবুও স্থিরতার সাথে, এক জায়গাতে অটল,অবিচল থাকতে হয়!

    তারপর -গাড়ী চললো থানচীর দিকে ৷
    চান্দের গাড়ী খুব গতীময়তার সাথে চলতে লাগলো৷
    আকাঁ বাঁকা পাহাড়ী রাস্তা,পাহাড়ের চূড়ায় যেন মেঘেরা খেলা করছে!
    প্রকৃতির সজিবতায় মুগ্ধ করছে দর্শনার্থীদের!
    বাতাসের ঝাঁপটাতে আলতো করে লেপ্টে যাচ্ছে আমাদের শরীরের পশমের গুঁড়ায় শিশির বিন্দু ৷
    কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের স্নিগ্ধ আলোকরশ্মি মেখে দিচ্ছে আমাদের শীতল গায়ে ৷
    উষ্ণ শীতলতা দিয়ে আর সূর্যের স্নিগ্ধ তাপে পাহাড়ের চূড়ায় থেকে থাকা চেকপোষ্টের কাছে সময়গুলো আরো প্রাণবন্তময় করে তুলেছে আমাদের কে!
    জায়গায় জায়গায় বিজিপিদের ক্যাম্পে আমাদের পরিচময় পত্র জমা দিয়ে দৃঢ়তার সাথে এবং আগ্রহের সাথে সামনের দিকে চলতে লাগলাম!
    যেন পথ শেষ সবার নয় ৷
    যেন পথের সিমানা দীর্ঘ হচ্ছে! আর সারা বান্দরবন জেলাটাই যেন পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে আছে!
    এ যেন এক পাহাড়ের রাজ্য ৷ সাঁড়িব্ধ পাহাড়ের আকাশচুম্বি উচ্ছতা ক্ষণে ক্ষণে আমাদের আঁখিযোগল কে মুগ্ধ করেছে ৷
    দুই তিন পাহাড়ের চূড়া পাড়ি দিয়ে থানচির খুম কাছাকাছি চলে আসলাম আমরা!
    আগ্রহ ভরে দেখতে লাগলাম এই তো চলে আসছি!
    দীর্ঘ তিন ঘন্টার পথ পাড়ি দিয়ে অবশেষে গন্তব্যে পৌঁছলাম ৷
    সবাই হোটেলে নাম, পরিচয় লিখে জমা দিলাম এবং অন্য গন্তব্যের দিকে রওয়ানা দেওয়ার জন্য প্রতিক্ষায় সবাই বসে রইলাম!

    চলবে……….!

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম