• শিরোনাম


    বাংলাদেশে চেয়ে আয়তনে বড় ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী ‘ রোববার আঘাত হানার আশংকা !

    | ০১ মে ২০১৯ | ৮:৫৮ অপরাহ্ণ

    বঙ্গোপসাগর সৃষ্ট নিম্মচাপ ‘ফণী’র আয়তন ২ লক্ষাধিক বর্গকিলোমিটার। আর বাংলাদেশেরর ভৌগলিক আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের ভৌগলিক আয়তনের চেয়ে অনেক বেশী বড় এই নিম্নচাপটি শনিবার দিবাগত ভোর রাত থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সমগ্র বাংলাদেশ উপকূলে তীব্রভাবে আঘাত হানতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানলে বাতাসের গতিবেগ ঘন্টায় ১৬০ কি:মি: থেকে সর্বোচ্চ ২৩০ কি:মি: পর্যন্ত উঠতে পারে। বর্তমানে নিম্মচাপটির মুখ অধিকাংশই পুরো বাংলাদেশ উপকূলের দিকে এবং আংশিক ভারতের সমুদ্র উপকূলের দিকে। এই নিম্মচাপটি গত তিনদিন যাবৎ এক স্থানে স্থির থেকে শক্তি সঞ্চয় করছে। এটি ধীরে ধীরে হ্যারিকেনে রূপ নিচ্ছে।



    এটি দুর্বল না হয়ে উপকূলে আঘাত হানলে ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় এবং সিডরের চেয়েও অনেক বেশী প্রবল বেগে আঘাত হানার আশংকা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের মঙ্গলবার ৩০ এপ্রিল সকাল ৯ টার সার্বিক আবহাওয়া পর্যালোচনা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সিবিএন-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্মচাপটি মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় কক্সবাজার উপকূল থেকে ১৪৬০ কি:মি:, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১৫৩০ কি:মি:, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৪৮০ কি:মি: এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৪৫০ কি:মি: দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে। সারাদেশের আবহাওয়া অফিসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে নিজ নিজ কর্মস্থলে ত্যাগ নাকরার জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক গত ২৯ এপ্রিল জরুরী চিঠি ইস্যু করেছেন।

    একই চিঠিতে আবাহাওয়া অধিদপ্তরের ছুটিতে থাকা সকল স্টাফদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তাদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে। নিম্মচাপের কারণে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত প্রচন্ড তাপদাহ অব্যাহত থাকবে।

    আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আমীন৷

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম