• শিরোনাম


    ফেনীর লালপোল জামেয়া সোলতানিয়া মাদ্রাসার ৩২ তম বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ডা.এম এ মাজেদ, স্টাফ রিপোর্টার | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৬:০২ অপরাহ্ণ

    ফেনীর লালপোল জামেয়া সোলতানিয়া মাদ্রাসার ৩২ তম বার্ষিক মাহফিল অনুষ্ঠিত

    ফেনী সদরের ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা লালপোল জামেয়া সোলতানিয়া মাদ্রাসার ৩২ তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল মাদ্রাসার মুহতামিম পীরে কামেল মাওলানা কাসেম সাহেবের সভাপতিত্বে ও ফেনী জামেয়া রশিদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম পীরে কামেল মুফতি শহিদুল্লাহ সাহেবের উদ্বোধনীয় বয়ানের মাধ্যমে শনিবার বাদ ফজর থেকে অনুষ্ঠিত হয়েছে,মাহফিলে প্রধান মেহমান হিসেবে বয়ান পেশ করেন, ওলামা বাজার মাদ্রাসার মুহতামিম শাইখুল হাদীস হযরত মাওলানা নুরুল ইসলাম আদিব সাহেব,প্রধান বক্তা ছিলেন,ঢাকা থেকে আগত পীরে কামেল মুফতি মিজান সাহেব,উজানী মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস মুফতি আব্দুর রহমান,নানুপুর মরহুম পীর সাহেবের সাহেব জাদা, মাওলানা এমদাদুল্লাহ নানুপুরী, মাওলানা আহমদ গনী, মাওলানা কুতুবউদ্দিন নানুপুরী,মুফতি আলাউদ্দীন নুরী ও মাওলানা ইসমাইলের যৌএ পরিচালনায় আরো বয়ান পেশ করেন ,মাদানিয়ার নায়েব মুহতামিম মুফতি আহমদুল্লাহ সাহেব,হযরত মাওলানা ইব্রাহিম সাহেব,মুফতি রহিমুল্লাহ সাহেব,মহিপাল কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা মুফতি তৈয়ব সুলতানী সাহেব,মুফতি ইউসুফ কাসেমী,হাফেজ মাও তাহের সাহেব ঢাকা,মাওলানা মামুনুর রশীদ মাহমুদী ঢাকা, হযরত মাওলানা আনাস সুলতানি সাহেব,সহ বাংলাদেশের বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম গন তাশরিফ আনেন।



    মাহফিল শেষ হয় রাত প্রায় ১১ টায়, নানুপুর মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস আল্লামা এমদাদুল্লাহ নানুপুরীর আখেরি মুনাজাত মাধ্যমে শেষ হয়।
    বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রান মুসলমান শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ফেনী সদরের প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত লালপোল সোলতানিয়া মাদ্রাসা চত্বরের বিশাল প্যান্ডেলে এসে সমবেত হয়।বর্তমান ফেনী লালপোলের পীর সাহেব তার দরদ মাখা বয়ান বলেন তাকওয়া হাসিলের উপায় ও পীর মুরিদি হযরত ওলামায়ে কেরাম, তালিবে ইলম সাথীগণ ও উপস্থিত সুধিবৃন্দ!‘ইসলাহে নফস’ বা আত্মশুদ্ধির বিষয়ে কিছু কথা আপনাদের খিদমতে পেশ করতে আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথমত আমি নিজেই ইসলাহের মুহতাজ। যার নিজেরই ইসলাহের প্রয়োজন, সে অন্যকে এ বিষয়ে কী বলতে পারে!দ্বিতীয়ত এ মজলিসে বুযুর্গ ব্যক্তিগণ উপস্থিত আছেন। তাঁদের উপস্থিতিতে এ বিষয়ে কিছু বলতে যাওয়া দুঃসাহসিকতাও বটে। কিন্তু বুযুর্গগণ বলেছেন, ‘আলআমরু ফাওকাল আদব’ অর্থাৎ মুরববীগণ কোনো কাজের নির্দেশ দিলে তা মান্য করাই আদব। তাই নিদের্শ পালনার্থে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমি কুরআন মজীদের একটি আয়াত তেলাওয়াত করেছি। তার সামান্য ব্যাখ্যা আরজ করব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তাআলা ইখলাসের সাথে বলার তাওফীক দান করুন।

    আয়াতের তরজমা হল, ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর। তাঁর নৈকট্য অর্জনের জন্য রাস্তা তালাশ কর এবং তাঁর রাস্তায় মেহনত কর। যাতে এসব কিছুর ফলে তোমাদের সফলতা অর্জিত হয় দুনিয়াতেও, আখিরাতেও।’ (সূরা : মায়িদা : ৩৫)
    তাকওয়া এক অতন্দ্র প্রহরী
    এ হল আয়াতের অনুবাদ। আল্লাহ তাআলা এ আয়াতে প্রথমে তাকওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পুরা কুরআন মজীদ তাকওয়ার নির্দেশে পরিপূর্ণ। স্থানে স্থানে একটু পরপরই তাকওয়ার নির্দেশ এসেছে। কুরআন মজীদের রীতি হল, কোনো নির্দেশ বা বিধান জারি করার পূর্বে বা পরে সাধারণত তাকওয়ার আদেশ করা হয়। কারণ তাকওয়াই হচ্ছে ওই বস্ত্ত, যা মানুষকে আল্লাহ তাআলার যে কোনো হুকুম পাবন্দীর সাথে মেনে চলতে বাধ্য করে। দুনিয়ার ক্ষেত্রে দেখুন, কোনো সরকার জনগণের জন্য আইন-কানুন জারি করলে অনেক সময় তা কয়েক পয়সার বিনিময়ে বেচাকেনা হয়ে যায়। ঘুষের বাজার গরম হয়ে ওঠে, আর সে বিধানের কোনো মূল্যই থাকে না। প্রকাশ্যে তা লঙ্ঘিত হতে থাকে।
    আর কোনো এলাকায় আইন-কানুনের পাবন্দি থাকলেও দেখা যায়, তা কেবল পুলিশের ডান্ডা ও আদালতী ঝামেলার ভয় থাকা পর্যন্তই। এরপর আর কেউ নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা করে না। কিন্তু একান্ত নির্জনতায় এবং নিশুতি রাতের অন্ধকারেও যে জিনিস মানুষের অন্তরে অতন্দ্র প্রহরীর কাজ করে তা হল আল্লাহ তাআলার ভয়।
    সহ ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন, বাদ মাগরিব মাদ্রাসার ১ম জামাত থেকে ইফতা জামাত পর্যন্ত ছাএ দের কে ১ম ও ২ য় স্থান অধিকার করেছেন, তাদের কে মাদ্রাসার মুহতামিম ও মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম পুরুষ্কার বিতরন করেন,মাহফিলে মিডিয়া পার্টনার ছিলেন, নিউ বাংলাদেশ মিডিয়া।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম