• শিরোনাম


    প্রশাসনের কর্মকর্তারা সত্যের পক্ষে থাকার সুযোগ খুঁজছে -কর্নেল (অব.) অলি

    স্টাফ রিপোর্টার : | ২৫ নভেম্বর ২০১৮ | ২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

    প্রশাসনের কর্মকর্তারা সত্যের পক্ষে থাকার সুযোগ খুঁজছে  -কর্নেল (অব.) অলি

    গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত ‘৭১-এর মুক্তিযোদ্ধা ও আজকের বাংলাদেশ : আসন্ন নির্বাচনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা এবং করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কর্নেল (অবঃ) ড. অলি আহমেদ বীর বিক্রম।

    # দুই মাসেই সরকারের ভিত নড়ে গেছে- ডা. জাফরুল্লাহ
    # সরকার পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হবে- মান্না
    # অনেক ছাড় দিয়েছি, আর না– মেজর (অব.) হাফিজ
    # প্রধানমন্ত্রী আ’লীগ নামক পুকুরে ডুবন্ত অবস্থায় আছে – সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম
    আগামী নির্বাচনে ভোটযুদ্ধে জিতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে বীরের বেশে জেল থেকে মুক্ত করে আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য হয় সমগ্র জাতিকে একত্র করে রাস্তায় নেমে আন্দোলন করবো, নয়তো ভোটযুদ্ধে গিয়ে ভোটে জিতে বেগম জিয়াকে বীরের বেশে জেল থেকে মুক্ত করে আনবো। প্রশাসনের কর্মকর্তারা সত্যের পক্ষে কাজ করার সুযোগ খুঁজছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনেকেই আমাদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তারা সুযোগ খুঁজছে সত্যের পক্ষে থাকার জন্য। জনগণের পক্ষে কাজ করার জন্য। সরকারের পক্ষে কাজ না করে নিরপেক্ষ হওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা ক্ষমতায় গেলে তাদের জন্য সমান সুযোগ থাকবে।
    গতকাল শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের বাংলাদেশ, আসন্ন নির্বাচনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা এবং করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল অলি আহমেদ বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। কারণ আমরা বসে বসে কলা খাওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধ করিনি।
    প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা ক্ষমতায় এলে সরকারি কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। কারণ আপনারা বিপদে পড়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন। কিন্তু নির্বাচনের সময় নির্ভয়ে কাজ করেন। সত্যের পক্ষে থাকেন। সত্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনেকেই আমাদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তারা সুযোগ খুঁজছে সত্যের পক্ষে থাকার জন্য। জনগণের পক্ষে কাজ করার জন্য। সরকারের পক্ষে কাজ না করে নিরপেক্ষ হওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা ক্ষমতায় গেলে তাদের জন্য সমান সুযোগ থাকবে।
    নির্বাচনে প্রার্থী দেয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি বিএনপিকে বলেছি জোটের প্রার্থী দেয়ার ক্ষেত্রে বানরের পিঠা ভাগ করার মতো করবেন না। যোগ্য প্রার্থীদের অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন। আসন নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেন। আমার দলেও ৪৬ জন প্রার্থী ছিল। কিন্তু আমি তাদের বলেছি যোগ্য প্রার্থীই কেবল নমিনেশন পাবে। বিএনপির পিঠে সওয়ার হয়ে এমপি হওয়ার সুযোগ নেই। যারা নমিনেশন পাবে তাদের অবশ্যই নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। বিএনপি, ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে। কিন্তু দেশের ব্যাপারে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের উদ্দেশে অলি বলেন, নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যাপারে অন্যায় কিছু আশা করা ঠিক হবে না। জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনের যোগ্যতা আছে এমন ব্যক্তিদের প্রার্থী করতে হবে। বিএনপির কাঁধে সওয়ার হয়ে পার হওয়ার ইচ্ছা থাকলে হবে না।
    ডিজিটাল আইন সংশোধন করা হবে উল্লেখ করে অলি আহমেদ বলেন, বর্তমানে সংবাদকর্মীদের গলা চেপে রাখা হয়েছে ডিজিটাল আইনের মাধ্যমে। আমরা ক্ষমতায় গেলে এই ডিজিটাল আইন সংশোধন করা হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের কোনও নির্যাতন করা হবে না। কারণ তারা বাধ্যগত কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করেন। তিনি আরও বলেন, ব্যাংক দেউলিয়া, কিছুসংখ্যক লোক ব্যাংকের টাকা লুটপাট করে নিয়ে বিদেশে নাগরিকত্ব নিয়ে চলে গেছে। আবার জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের কোন মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। প্রধানমন্ত্রী একমাত্র একাত্তরের শহীদদের মুক্তিযোদ্ধা মনে করেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পাওয়া যায় না। দলীয় আনুগত্য প্রকাশ করলেই চাকরি পাওয়া যায়। তাই অনেকে বাঁচার তাগিদে দলীয় আনুগত্য স্বীকার করেছে। সব মিলিয়ে এখন দেশকে মুক্ত করার তাগিদে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কর্নেল অলি বলেন, আমরা মানুষের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই। আমরা বৈষম্য দূর করতে চাই। এ কারণে এখন থেকে আমাদের নিজ নিজ এলাকায় অধিক প্রচারণা চালাতে হবে। কারণ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদেরকে বিপুল ভোটে জয়ী হতে হবে।
    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও পুলিশের মধ্যে। আওয়ামী লীগ মাঠে থাকবে না। আমরা অনেক ছাড় দিয়েছি। পুলিশ ও আওয়ামী গুন্ডা বাহিনীর জন্য বাড়িতে থাকতে পারি না। নিজের এলাকায় যেতে পারি না। নেত্রীকে জেলে রেখে আমরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আর নয়। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীকে বলব- আপনার বাবা বঙ্গবন্ধু। আপনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা হয়ে দেশকে আর ধ্বংস করবেন না। আমরা মুক্তি চাই। কোন দেশের কাছে আমরা পরাধীন থাকতে চাই না। পাকিস্তানের দিকে তাকিয়ে দেখুন, সেখানে গণতন্ত্র না থাকায় দেশটার কি অবস্থা হয়েছে। আমাদেরও তাই হবে।
    ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমার প্রত্যাশা- এবারের জাতীয় সংসদে কমপক্ষে ১৫ জন মুক্তিযোদ্ধা নেতা থাকবে। তবেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠা হবে। তারা ১৯৭১ সালে যেভাবে যুদ্ধ করেছিল দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় সংসদেও সেভাবেই অবস্থান নেবেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। যেন সাধারণ মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারে বা তার মত প্রকাশ করতে পারে। সরকার যখন স্বৈরাচারী হয়ে যায় তখন সে তার অতীত ভুলে যায়। আমরা চাই সেই অতীতকে মনে করিয়ে দিতে। একাত্তরে যুদ্ধ করে আমরা যেমন স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলাম এখনো সেভাবেই জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আমরা দ্বিতীয় যে কথাটি দিয়েছিলাম সেটি হল ন্যায়বিচার। আমি কখনো বলিনি খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে হবে। আমি বলেছি তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সুবিচার পেলেই তিনি আজ কারাগারের বাইরে থাকতেন। আমরা কি টানা দুবার ক্ষমতায় থাকলে শেখ হাসিনার নামে ১৯২টা মামলা দিয়ে দিতাম?
    সরকারের ভিত নড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বোঝা যাচ্ছে সরকারের ভিত নড়ে গেছে। যখন বেনজির-আসাদুজ্জামানের মত লোকজন যোগাযোগ শুরু করে তখন বোঝা যায় ১ কোটি লোককে গ্রেফতার করা যায় না।
    গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, আমরা বৈষম্য দূর করতে চাই। আজকে আমরা দেখছি কেউ কেউ কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে যাচ্ছে। আর কেউ দরিদ্র থেকে যাচ্ছে। এ বৈষম্য আমরা দেখতে চাই না। বৈষম্যের কারণে মানুষের দুরবস্থা কি রকম হয় সেটা যদি দেখতে চান তাহলে ধানমন্ডিতে আমার হাসপাতালে আসতে পারেন। সেখানে মানুষ ডায়ালাইসিসের জন্য ৫০০ টাকা দিতে পারে না। সামাজিক অবস্থান ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ব্যাপক অবক্ষয় হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের জনগণের কাছে গিয়ে বলতে হবে কেন আমাদের পক্ষ নেবেন। কারণ আমরা জনগণের স্বপ্নপূরণ করতে চাই। মানুষ চিকিৎসা পাবে কৃষক তার পণ্যের মূল্য পাবে। আমরা প্রয়োজনে মানুষকে তার প্রয়োজনীয় রেশনও দিতে চাই। কর্মসংস্থানের অভাব দূর করতে চাই। আমরা ক্ষমতায় এলে শুরুতেই ৫ লাখ বেকার শিক্ষিত যুবক চাকরি পাবে বলে অঙ্গীকার করছি।
    তিনি বলেন, ২ মাস আগে প্রেসক্লাবের সামনে আমি দেখেছি পুলিশ আমাদেরকে বলেছে, স্যার যায়েন না, এইখানে থাকেন। সেটা দু’মাস আগের কথা। এখনকার পরিস্থিতি তো আরও পরিবর্তন হয়েছে। রাস্তায় পুলিশ আছে যারা ভাবে। এসব ম্যানমেনে কথা বলার কোনো সুযোগ নেই। আমি এমন কথা শুনতে চাই না। বাতাশ অন্যদিকে বইছে দেখছেন না? ঢাকার মিটিং, রাজশাহীর মিটিংয়ে দেখেননি ? সমস্ত রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। তার পরও মানুষ পায়ে হেঁটে সমাবেশে চলে এসেছে। ’৬০-এর দশকে মাওলানা ভাসানীর ডাকে মানুষ যেভাবে এসেছে। এখনও সেভাবে মানুষ আসছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রসঙ্গ টেনে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমি খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই না। তার জন্য সুবিচার চাই। কারণ সুবিচার হলেই তিনি মুক্তি পাবেন।
    নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আমরা চেয়েছিলাম বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির পর নির্বাচনে যাব। কিন্তু এখন কি বলতে পারব আমরা নির্বাচন করব না? সরকার তো সেটাই চায়। তারা জানে নির্বাচনে লড়াই হলে জিততে পারবে না। এই জন্য সরকার যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় থাকতে চায়। আর আমরা যে কোন উপায়ে ক্ষমতায় আসতে চাই। তিনি বলেন, এই সরকার কিন্তু মারাত্মক ধান্দাবাজ। চতুর। তারা বলছে আসন্ন নির্বাচনে বিদেশী পর্যবেক্ষক আসতে পারবে কিন্তু তারা মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকবে। কোনো রিপোর্ট তারা বাইরে পাঠাতে পারবে না। সরকারের উদ্দেশে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, আসন্ন নির্বাচন অনেক কঠিন। গত ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি যে ফোর টুয়েন্টি মার্কা নির্বাচন হয়েছিল, তাতে যে ভারত সবচেয়ে বেশি সমর্থন করেছিল। তারাই এবার বলছে বাংলাদেশের আরেকটি প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের সঙ্গে ভারত থাকবে না। তিনি বলেন, নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার জন্য যে ২১ দিন সুযোগ পাব। তখন আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতারা সারাদেশ চষে বেড়াব। আর জেলা পর্যায়ের নেতারা শুধু মানুষের বোঝাবে। মান্না বলেন, সরকার বলেছিল, ১৫ তারিখের পর কোনো বিরোধী নেতাকে গ্রেফতার করা হবে না। কিন্তু করেছে। এখনো গায়েবি মামলা দিয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে জনগণের মধ্যে এই সরকারের প্রতি ঘৃণা ও ক্ষোভ জমেছে। তিনি বলেন, সামনে আমরা এমন কৌশল নেব। এমন লড়াই করব। যে সরকার পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হবে।
    মান্না বলেন, একজন বিএনপি নেতা মূল্যায়নের সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করার জন্য ঢাকায় এসেছিল। সে আটক হওয়ার পর বিভিন্ন জনকে মেসেজে জানিয়েছিল সে বিপদে আছে এবং তার মৃত্যু হতে পারে। সেটা সরকার জেনেও কোনও প্রকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। নির্বাচনের আগে এরকম ন্যক্কারজনক ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। মান্না আরো বলেন, ৩ মাস আগেও মানুষ মনে করত শেখ হাসিনাকে তার ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব না। এই তিন মাসের ব্যবধানে সে ধারণা মিথ্যে হয়েছে। তিনি বলেন, মানুষ এখন আশা করছে এবারে একটা ভালো পরিবর্তন হতে পারে। মানুষের এই আশাটাকে বাস্তবে পরিণত করতে আমাদের মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আরো বেশি কাজ করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে সরকারের দালাল উল্লেখ করে মান্না বলেন, নির্বাচন কমিশনকে গিয়ে যখন আমরা বলছি এই কাঠামোতে সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না তখন তারা বলছে- দেখছি কি করা যায়।
    কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ ইব্রাহিম বীর প্রতীক বলেন, সরকার রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের মারজিনালাইজ করে ফেলেছে। কারণ তারা নিজেরা রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা না। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনি আওয়ামী লীগ নামক পুকুরে ডুবন্ত অবস্থায় আছেন। একটু শক্তি ব্যবহার করলেই আপনি শেষ। এসময় তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনমুখী আছি। নির্বাচনমুখী থাকতে চাই।
    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নেতাকর্মীসহ রণঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধারা।



    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম