• শিরোনাম


    পরকীয়া! দায়ভার কার? [] নুরে আলম জাহাঙ্গীর

    লেখক : নুরে আলম জাহাঙ্গীর, সম্পাদক - আওয়ার কণ্ঠ | ০৯ জুন ২০২১ | ১০:০৮ অপরাহ্ণ

    পরকীয়া! দায়ভার কার?  [] নুরে আলম জাহাঙ্গীর

    পরকীয়ার দায়ভার শুধু স্ত্রীর উপর ছেড়ে না দিয়ে নিজে সচেতন হোন, সময় দিন।

    আমাদের সমাজে নতুন এক মহামারীর আবির্ভাব হয়েছে, যা নিকট অতীতেও তেমনটা পরিলক্ষিত হয়নি। আর এই মহামারীর নাম পরকীয়া। এই পরকিয়ার পিছনে তাকালে কয়েকটি দিক লক্ষ করা যায়৷
    যেমন বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের মতামত না নেয়া, বয়সের ক্ষেত্রে বিশাল গ্যাপ, দীর্ঘদিন দূরে থাকা, স্ত্রীদের সঠিক মূল্যায়ন না করা, সাংসারিক ক্ষেত্রে তাদের মতামত না নেয়া, সারাক্ষণ একঘরে করে রাখা ইত্যাদি।



    বিয়ের সময় স্বামী যেমন স্ত্রীর রুপ – গুণ, শিক্ষা- দীক্ষা, চাল-চলন, আচার-আচরণ সহ চারিত্রিক সকল গুণাবলী যাচাই-বাছাই করে তেমনিভাবে মেয়েরও অধিকার রয়েছে ছেলের সবকিছু জানার-বুঝার।

    বিয়ের সময় সমবয়সীদের বিয়ে করা উচিৎ নিজের থেকে ১০/১২ বছরের ছোট মেয়েকে বিয়ে করার নীতিটা পাল্টানো উচিৎ কারণ অধিকাংশ পরকীয়ার ঘটনা যৌন চাহিদা মিটানোর জন্যই হয়ে থাকে।

    আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে ঘরে স্বামী স্ত্রী থাকতে পরকীয়া করতে যাবে কেনো?

    কেনো জানেন বিয়ের সময় ছেলের বয়স যদি হয় ৩০ বছর আর মেয়ের হয় ১৮ বছর। তাহলে মাঝখানে কতো বছরের ব্যবধান? ১২ বছরের।

    ছেলের বয়স যখন ৩০ বছর তখন সে পুরাই যৌবনে ঢুবে গেছে, মেয়েটার তখন শুরু হচ্ছে, মেয়েটা যখন পুরোটা যৌবনে হাবুডুবু খাচ্ছে, তখন ছেলেটার শেষ প্রায়।

    স্বামী যখন স্ত্রীর ইচ্ছা মিটাতে ব্যর্থ স্ত্রী তখন তার ইচ্ছা মিটাতে ভিন্ন পথ বেছে নেয়, যার দিলে আল্লাহর ভয় আছে সে একমাত্র তার কষ্ট লুকিয়ে হায়াত শেষ করে, যার নেই সে পরকীয়া নামক রাস্তাটা বেছে নেয়।

    খাবারের ক্ষুধার চেয়ে যৌবনের ক্ষুধা বড়ই মারাত্মক মনে রাখবেন, টাকা কামানের নেশায় দীর্ঘদিন দূরে থাকবেন আর স্ত্রীর দোষ দিয়ে পার পেয়ে যাবেন তা হবে না। শুধু টাকা-ই জীবনের সবকিছু নয়, পরিবারকে সময় দিন।
    পরিবারের সুখ-শান্তির জন্য-ই তো প্রবাসে। দীর্ঘদিন দূরে থাকা যদি পরিবারের শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে তাহলে দীর্ঘদিন দূরে থেকে টাকা ইনকামের কোন স্বার্থকতা নাই। আর বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েটা ছেলের থেকে ছোট হোক সেটা দু-চার বছরের, ১০-১৫ বছরের যেন না হয়।

    আর সংসারের ক্ষেত্রে স্ত্রীর পরামর্শ নিন, সংসার আপনার একার নয়, দুজনে মিলেই সংসার সাজাতে হয়। সংসারের সকল ক্ষেত্রে স্ত্রীকে পাশে রেখে তাকে সাথে নিয়ে সংসারের বোঝাপড়া করলে স্ত্রীর সংসারের প্রতি মায়া সৃষ্টি হয়। এই মায়া থেকেই একটি ভয় অন্তরে কাজ করে, যা পরকিয়া থেকে বাঁচতে সাহায্য করে।

    সর্বপরি বেশি বেশি আল্লাহর সাহায্য কামনা ও নিজে ফাহেসা কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমেই পরকীয়া নামক মহামারী থেকে পরিবারকে বাঁচাতে চেষ্টা করতে হবে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম