• শিরোনাম


    নারী ও প্রেমের কবিতা [] এস এম শাহনূর

    | ২২ মার্চ ২০২২ | ১:০৮ অপরাহ্ণ

    নারী ও প্রেমের কবিতা [] এস এম শাহনূর

    বিশ্বাসী চোঁখ

    এক সাগর ভালোবাসা চাইনি
    খুঁজিনি’ক প্রিয়ার চাঁদপানা মুখ
    শিশিরস্নাত গোলাপ রাঙাধর,
    আমার চাই দুটো বিশ্বাসী চোঁখ।



    ঝর্ণার মত চঞ্চলা নদীর মত কথা বলা
    নায়াগ্রা জলপ্রপাতের মত খোলা কেশ
    জিরাফ সম গলা,হরিণীর মত হাঁটাচলা
    হাসিতে মুক্তা ঝরে,ঝরে রূপের আবেশ।

    এমন ষোড়শী হলে কে দিবে গো ঠেলে
    ধরে রাখবে আষ্টেপৃষ্টে শত জনম ভর,
    আমিতো নামিনি মোহের বারিধি কূলে
    বাঁধিনি’ক দু’জনে মিছে বালুচরে ঘর।

    এক সাগর ভালোবাসা চাইনি
    খুঁজিনি’ক প্রিয়ার চাঁদপানা মুখ
    শিশিরস্নাত গোলাপ রাঙাধর,
    আমার চাই দুটো বিশ্বাসী চোঁখ।

    সোলাম,
    ১২ মার্চ ২০২১ইং।

    ভেজাল

    তুমি আর আমি ছাড়া সবাই মিথ্যাবাদী
    তুমিও মিথ্যুক ছিলে যখন হয়নি বিয়ে শাদী।
    তুমি ভেজাল হলে আমিও পুরো ভেজাল
    নির্ভেজালের হিসেব নিকেশ করবে মহাকাল।
    এখন অবিশ্বাসী সময় অতিক্রম করছে মহাকাল
    সম্পর্ক,দয়া-দাক্ষিণ্যতা,জনসেবার নামে ভেজাল।
    প্রেম,ভালোবাসা,স্নেহে অবিশ্বাসের গন্ধ
    প্রতিশ্রুতি,বিশ্বাসের সকল দুয়ার বন্ধ।
    সারা বেলা ঘুরেফিরে দিন শেষে সব পাখী ঘরে ফিরে
    আমিও এতটুকু সুখের আশায় ফিরি তোমার নীড়ে।
    সাইবেরিয়ার শীতলতায় নিথর দেহ আমার সবার আড়ালে
    উষ্ণতা খোঁজে তোমার ঠোঁটে,কপোল আর বক্ষযুগলে।

    ২৩ জুলাই ২০১৯ইংরেজী।
    পদ্মা,
    রূপসা নদীর তীরে।খুলনা।

    কিংকরী

    চির জান্নাতি হতে চাওয়া লোভাতুর নারীর
    ভুলের মাশুল গোনে হতাশ দুনিয়াবী পুরুষ;
    পাপাত্মা নারীর ভুলের বেড়াজাল থেকে
    নারীর পদতলে জান্নাত খুঁজে মহা পুরুষ।

    বেহেশতী গন্ধম যা কীনা নারীদেহের সুমিষ্ট গন্ধ
    ভালবাসা তারেই কয় যখন নর, নারীতে অন্ধ।
    প্রতিটি নারীর যদিনা অংশ হত স্বামীর বামপাঁজর
    প্রতিটি স্ত্রী হত নির্ঘাত ঘর ছাড়া এক একটি বাঁদর।
    নারীর অবদান ছাড়া গতিহীন পৌরুষের জীবন
    স্নেহময়ী নারীর মমতা ছাড়া দৌঁড়ে আসে মরন।
    সময়,বিত্ত-বৈভব,তনু সুখেও তৃপ্ত নয় কিংকরী
    পুরোপুরি নারীতে সমর্পিত পৌরুষ খুঁজে নারী।

    রূপসা তীরে।
    ১৫ নভেম্বর ২০১৯ইং

    ব্যথার দান

    তুমি কেউ নও,ব্যথা দিলাম তোমার নাম
    কেমনে কিনিব তোমার যে অনেক দাম!

    সকালের সূর্যের মতই জীবনের প্রথম প্রেম
    তুমি হতে পারনি রাধে আমি হয়েছিনু শ্যাম।

    জীবনের কিছু উপাখ্যান তুমি হীনা কেউ জানেনা
    সারা দুনিয়ার সম্মান দিয়েও তার পূর্ণতা পায়না।

    আমি চিরকাল এমনি এক আকুল প্রাণ
    কখনো চাইবো না ভালবাসার প্রতিদান।

    দূরন্ত সময়ের কাছে এক চৌকস জান্তার পরাজয়
    প্রেমের ইতিহাসে একদিন লেখা হবে অমর অক্ষয়।

    ভূ মধ্যসাগরের নীল জলরাশির মত
    সত্য সুন্দর তুমি অথচ অপেয় সতত।

    মায়া ভরা এই পৃথিবীর অপরূপ দেখে তৃষিত দু’চোখ
    গোধূলীর পূবাকাশে দেখি চেয়ে তোমার চাঁদপানা মুখ।

    দিনের আলোয় যাহারে পাইনিকো খোঁজে খোঁজে
    দিনশেষে খুঁজি তারে লাখো কোটি নক্ষত্রের মাঝে।

    শতজনমে তাহারেই চেয়েছি,করেছি অনুসন্ধান
    তাহারি লাগিয়া দিবস রজনী কাঁদে ব্যথির প্রাণ।

    শুন্যে ডানা মেলে নীলাকাশে উড়ে বেড়ায় গাঙচিল
    তার কর্নিয়ায় দেখেছি তোমার কপোল কালো তিল।

    জেলিফিশের মত তোমার নরম শরীরের মোহ
    আমায় ইশারায় ডেকেছে কত তবু চাইনি দেহ।

    আলোর ভেলায় ভোজাই হিরে মানিক্য যত
    কোন সে ভুলের তরে সেই ভেলা হলো লুন্ঠিত?

    আমিতো তাহারে উজাড় করে দিয়েছি মন প্রাণ
    শুনিয়েছি তারে তিয়াসা পাড়ে জীবনের যত গান।

    তারা ভরা মাধবী রাত,ছিল পূর্ণিমার চাঁদ
    স্বর্ণলতার মত অধরে জড়িয়ে ছিল হাত।

    দুটো অবুঝ হিয়ার কথামালা নদীর মত কল কল
    জীবন নদীর মিলন মোহনায় গতিফের আঁখিজল।

    সেই থেকে আজ কতকাল দেখিনি তোমায়
    বড় ইচ্ছে করে একবার ছুঁয়ে দেখি তোমায়।

    তোমার মনের বাতায়ন পাশে বেঁধেছি ইচ্ছে খেলাঘর
    শোন,কেউ না জানুক আমায় তুমি করেছ কতটা পর।

    প্রেমহীনের বন্ধু তুমি,পরম প্রিয়া ও সখী
    নয়নের জলে তোমারে অমল করে রাখি।

    কতজনারে কতকী কয়ে নিতাম তোমার সর্ব খোঁজ
    তব মৌবনে গুন-গুন করত কত রসিক ভ্রমর রোজ।

    তুমি নাকি এখন মাথায় হিজাব,চোঁখে মোটা চশমা পর
    কোমল কচিকাঁচা শিশুদের ভবিষ্যৎ মানুষ হিসাবে গড়।

    তবে কী তুমি খোলনা আর দক্ষিণা দ্বার
    খোঁপার ভাঁজে গাঁথনা আর পাতাবাহার?

    আলতা পায়ে নুপুর,মেহেদী রাঙা হাতে কাঁচের চুড়ি
    লাল টিপ কপালে,হলুদ বরণ গায়ে জামদানী শাড়ি?

    রিমঝিম বৃষ্টি এলে শ্রেণির পাঠাদান ফেলে
    লজ্জার মাথা খেয়ে ভিজ কি স্ফটিক জলে?

    বই কিংবা খাতার ভাজে খোঁজ নাকি প্রেমিকের চিঠি
    চিঠি পড়ে পিছে কেউ না দেখে ছিড়ে করতে কুটিকুটি।

    তোমার আমার প্রথম দেখা, প্রথম অবাক চাওয়া
    মনে কী পড়ে কোথা সেথা বেণু বীনে গান গাওয়া?

    পোস্ট অফিসের পিছনে একটি কদম গাছ
    স্বাক্ষী আছে কদমের ফুল ছিল শ্রাবণমাস।

    দুহাত দিয়ে বই খাতা বুকে জড়ানো কদম গাছের ছায়
    এমনি করি অনুক্ষণ বুকে জড়াইয়া রাখিতে যদি আমায়!

    তোমার তৃষিত দুচোঁখে ছিল চকিত চাহনি
    মলয় হাওয়ায় দোলেছিল গো বেণুন বেণুনি।

    নাকে ছিল শিশির বিন্দু,রূপার নূপুর পায়
    চেয়েছিলে পথপানে সে কি আমারি আশায়?

    তোমাদের বাড়ির পূর্বদিকের পুকুরের পশ্চিম পাড়ে
    শানবাঁধানো ঘাটে এখনো ভোরের সূর্য খেলা করে।

    মাঘের শীতে রোদ পোহাতে তখন ভাবিতাম
    সলিল হলে স্নানে সোনার অঙ্গে জড়াইতাম।

    মিঠা পুকুরের পর বাজারের পথ,তারপর উঠে রবি
    এই পথ ধরে হাটিতে চলিতে হয়েছি পথিক কবি

    আমার ভালবাসার টিয়ে পাখি এখন কাক
    আমাতে তোমা ভালবাসার পাখি বেঁচে থাক।

    তুমি থাক মহা সুখে শাহবাজ খানের ঐতিহাসিক শহরে
    আমি শুধু মিছে খুঁজি তোমায় হাজার লোকের ভীড়ে।

    তুমি আমি হাসি খেলি স্বপ্নের জগতে
    বিষন্ন মন নিয়ে ঘুম ভাঙ্গে প্রতি প্রাতে।

    তোমা হতে বিদায় যেন বিষাদে ভরা তীর ভাঙ্গা ঢেউ
    বুঝিবে সে কিসে মাঝ দরিয়ায় তরী না ডুবিলে কেউ।

    কথায় বলে,নারীর বুক ফাটে তো মুখ ফুটেনা
    তবে কেন ভেবে দেখিনি তোমার যোগ্য কিনা!

    তোমায় আপন করে না পাওয়া এ আমার চরম দীনতা
    সুখ পাখিটার প্রস্থানে আজ অহর্নিশি হিয়ার কাতরতা।

    চঞ্চলা ঝর্ণার ছুটে চলা,পাথরের নিরব কান্না
    তুমি ছাড়া নেইকো যাযাবর জীবনে তামান্না।

    অন্ত চাওয়াগুলো পেলে নাকি এক এক করে মরে যায়
    তাই আমার পরম চাওয়া গুপ্ত রেখেছিলেম নাযেন হারায়।

    অথচ তুমি কি যেন বলতে চাইতে আমায়
    ভাবতাম “ভালবাস” তা কী মুখে বলা যায়!

    তোমার পরশ পাথরসম ভালবাসা না পাওয়া এই আমি
    কত যে তোমাকে ভালবেসেছি তা জানে শুধু অন্তর্যামী।

    চারটি বর্ণে মোড়ানো একটি শব্দ ভালবাসা
    সফেন সাগরেও নাবিক মনে জাগায় আশা।

    যে কথাটি শুনিতে প্রিয়জনের মুখে চমকে উঠে হাসি
    বলছি তোমায় ভালোবাসি,ভালোবাসি,ভালোবাসি।

    ছুটির দিনে আসবে নাকি তিতাস নদীর তীরে
    হেটে যাবো দূর অজানায় তোমার হাতটি ধরে।

    তোমার আপারগতার কাছে আমি হার মেনেছি
    রানী করে সাজাতে পারিনি বলে হৃদয়ে রেখেছি।

    ভোরের বাড়তি ঘুমে আমি তোমার লেপ-কাঁথা
    জৈষ্ঠ্যের কাঠফাটা রোদে বিবর্ণ নীলরঙা ছাতা।

    তোমার ভালবাসারে ভালোবাসিবে সাধ্য আছে কার?
    তোমার আমার মাঝে কেউ নেই সখি মরন ছাড়া আর!

    এ অপূর্ণতাই আমাকে দিয়েছে পাখীর স্বভাব
    কোনো কিছুতেই পূর্ণ হবার নয় তোমার অভাব!

    ৪ জানুয়ারি ২০২০ ইং।
    পদ্মা,
    বঙ্গোপসাগর জলে ভাসমান।

    প্রজাপতি প্রেম

    (অপ্রকাশিত কবিতার পান্ডুলিপি থেকে)
    মুঠো ফোনে তার ছিল এক বলিষ্ঠ আবদার,
    তোমাকে আমার বাসায় আসতেই হবে বলেছি স্বামীকে।
    আমি এক অখ্যাত কবি,বসি আছি রেলস্টেশনে
    যাব চাটগাঁ পাহাড়িকা ট্রেনে।
    সে এবং আমি যখন কৈশোরে ঠিক সেইক্ষণ থেকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখেছি আমি তাকে।
    তার জন্য জীবনের অনেক মূল্যবান সময়,বিশেষ মুহূর্ত করেছি বিলীন,
    যেমনি করে সেদিন গন্তব্যে পৌঁছার ট্রেন হারাতে হয়েছে আমাকে।
    আমি কী তাকে ভালবেসেছি, নাকি সে আমাকে ?
    তার উত্তর ভুল করেও খুঁজিনি কোনো দিন।

    ষোল বছর আগে কোন এক শীতের সকালে স্কুলে গিয়ে
    দেখি ক্লাসে নতুন একটি পরী,
    নীল কামিজ,সাদা স্যালোয়ার-উড়না,পরিপাটি আঁচড়ানো চুল।
    বুকের বাম পাশে নেইম প্লেটে লেখা নাম-‘প্রজাপতি’
    আর সেই নেইম প্লেটের সেফটি পিন আমার কঁচি হৃদপিন্ডে বিধেঁছিল।
    তাকে ঘিরে অভিধানের সেরা শব্দ ছন্দ মালায় বন্দি হতে করে কানাকানি,
    বসন্ত না আসিলেও জীবনে আসে যৌবনের হাতছানি ।
    যেদিন শুনলাম ঠিক হয়েছে বিয়ের চূড়ান্ত দিনক্ষণ,
    এতটুকু আনন্দ দিতে পারেনি তার বিয়ের নিমন্ত্রণ।
    যতন করে রেখেছি তার গায়ে হলুদের ছবি খানি,
    যেথায় একগুচ্ছ রজনী গন্ধা, প্রীতি উপহার বই খানি।

    ষোল বছর পর কবির কল্পনার চোঁখে আজও
    মোনালিসা’র চেয়েও রহস্যভরা হাসি,
    ভেনাসের চেয়েও উন্নত তার বক্ষযুগল।
    নায়াগ্রা জলপ্রপাতের ছন্দ তার চরণ তলে,
    কালো মেঘ তার চুলের সৌন্দর্যে লজ্জাবনত।
    এখন তার প্রাসাদ সম এক স্বপ্নীল সুখী সংসার,
    শিল্পপতি স্বামী,তিন রাজকন্যা এক রাজকুমার।
    কল্যাণের দেবতার কাছে আজও খুঁজি তার সুখ,
    চির সুন্দর থাকে যেন কবিতার রানীর সেই মুখ।

    ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯ ইং। সল্টগোলা রেলক্রসিং। বন্দর,চট্টগ্রাম।

     

     

    বিশ্বাসী চোঁখ
    A PAIR OF BELIEVING EYES
    (This is the English and Chinese version of the Bengali poem ‘Bisbasi cokha’ written by me.The poem has been translated into English by Ashraful Islam, Department of English.DU, And Chinese translation contributed by: Dr. Md. Altab Hossin)

    এক সাগর ভালোবাসা চাইনি
    I didn’t want one ocean of love
    我不想要一片海洋的爱
    খুঁজিনি’ক প্রিয়ার চাঁদপানা মুখ
    Not find the moonlit face of my love.
    没有找月光下的爱人
    শিশিরস্নাত গোলাপ রাঙাধর,
    And Pink body wet with dews
    粉红色的身体上有露头
    আমার চাই দুটো বিশ্বাসী চোঁখ।
    I want a pair of believing eyes
    我想要一双信任的眼睛。

    ঝর্ণার মত চঞ্চলা নদীর মত কথা বলা
    Talking like a river dancing like a fountain
    说话像河流,跳舞像喷泉
    নায়াগ্রা জলপ্রপাতের মত খোলা কেশ
    Open hair like Niagara Falls
    像尼亚加拉大瀑布张开头发
    জিরাফ সম গলা,হরিণীর মত হাটাচলা
    Neck like a giraffe, agile like a deer
    脖子像长颈鹿,像鹿一样敏捷
    হাসিতে মুক্তা ঝরে,ঝরে রূপের আবেশ।
    Pearls fall in laughter, form spreads.
    珍珠落在笑声中,形态蔓延。

    এমন ষোড়শী হলে কে দিবে গো ঠেলে
    No one refuses such a sixteen fairy
    没有人拒绝这样一个十六岁的仙女
    ধরে রাখবে আষ্টেপৃষ্টে শত জনম ভর,
    Everyone wants to hold it for hundred years
    都想抓住她在心里上百年
    আমিতো নামিনি মোহের বারিধি কূলে
    But I’m not such a fascinated one
    但我并不那么着迷
    বাঁধিনি’ক দু’জনে মিছে বালুচরে ঘর।
    Not living a fake life.
    没有过虚假生活。

    এক সাগর ভালোবাসা চাইনি
    I didn’t want one ocean of love
    我不想要一片海洋的爱
    খুঁজিনি’ক প্রিয়ার চাঁদপানা মুখ
    Not find the moonlit face of my love.
    没有找月光下的爱人
    শিশিরস্নাত গোলাপ রাঙাধর,
    And Pink body wet with dews
    আমার চাই দুটো বিশ্বাসী চোঁখ।
    I want a pair of believing eyes
    粉红色的身体上有露头。

    Chinese translation contributed by:
    Dr. Md. Altab Hossin
    Founder of Smart Chinese Teacher [cnpinyin.com]
    Researcher, University of Electronic Science and Technology of China
    email: altabbd@163.com

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম