• শিরোনাম


    নবীনগরে মিটার রিডিং না দেখেই অফিসে বসে বিল তৈরির অভিযোগ

    রিপোর্ট: আক্তারুজ্জামান, নবীনগর থেকে | ১৮ অক্টোবর ২০১৯ | ১২:২৬ অপরাহ্ণ

    নবীনগরে মিটার রিডিং না দেখেই অফিসে বসে বিল তৈরির অভিযোগ

    রক্ষক ভক্ষকের ভূমিকায় অবতির্ন হলে যা হয়, তেমনটাই হয়েছে নবীনগর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। মিটার রিডিং না দেখেই অফিসে বসে বিল তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যুৎ বিল তৈরির কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে করে গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ

    নবীনগর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলার কারনে সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড়াইল গ্রামের মো.আল আমিন মিয়া মিটারে ১৭অক্টোবর ২০১৯ বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ৯৬২ ইউনিট। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ বিল করেছেন, ৬ আগষ্ট ২০১৯ হইতে, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ৯৭৫ ইউনিট,৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ হইতে, ৬ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত ওই গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ১০৪৫ ইউনিট।



    এতে করে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পাওয়া সকল গ্রাহক এই সমস্যা সমাধান সহ, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে সেদিকে দৃষ্টি দিতে প্রশাসনের প্রতি আহব্বান জানিয়েছেন
    এলাকাবাসী

    বাড়াইল গ্রামের গ্রাহক আল আমিন মিয়া জানান আমি বিদ্যুৎ ব্যবহার করিছি ১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত ৯৬২ ইউনিট। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষ বিল করেছেন ৬ আগষ্ট ২০১৯ হইতে, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ৯৭৫ ইউনিট,৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ হইতে, ৬ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছেন ১০৪৫ ইউনিট। এতে করে আমাদের অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ধরনা দিয়ে তবেই কারো কারো সমস্যার সমাধান মিলছে কারো বা মিলছে না।

    নবীনগর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের ডিজিএম বলেন, রেকর্ড দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম