• শিরোনাম


    নবীনগরে নির্বাচন অফিসার নেই দীর্ঘদিন ধরে, নাগরিক সেবায় ভোগান্তি চরমে!

    রিপোর্ট: হেবজুল বাহার, স্টাফ রিপোর্টার | ০২ জানুয়ারি ২০২০ | ১০:২২ অপরাহ্ণ

    নবীনগরে নির্বাচন অফিসার নেই দীর্ঘদিন ধরে, নাগরিক সেবায় ভোগান্তি চরমে!

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসার নেই দীর্ঘদিন ধরে।
    গত ২১শে অক্টোবর নবীনগর পৌরসভার নির্বাচনের পর পর তাৎক্ষণিক ভাবে বদলি করা হয়েছে তৎকালীন নির্বাচন অফিসার জাহেদুল ইসলাম কে।
    তার পর থেকেই নবীনগর উপজেলায় নতুন করে কাউকে পদায়ন করা হয়নি।
    যদিও কাজের স্থবিরতা কমানোর জন্য বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আশরাফুল হোসেন কে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন জেলা নির্বাচন অফিস।
    সপ্তাহে দুই দিন তিনি নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,চলতি বছরের মাঝামাঝিতে উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় স্মার্টকার্ড বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাচন অফিস।
    ঢাকঢোল পিটিয়ে একনাগাড়ে স্মার্টকার্ড বিতরণ করলেও প্রবাসে ও বিভিন্ন জায়গায় চাকুরী করার কারণে স্মার্টকার্ড গ্রহণ করতে পারেনি ৩০ শতাংশ ভোটার।
    তাছাড়াও ভোটার তালিকা হালনাগাদ,প্রধান কার্যালয়ে যেকোনো তথ্য আদান প্রদান,ভোটার স্থানান্তর, সংশোধন, হারানো আবেদন, নতুন ভোটারদের আবেদন ফর্মে নির্বাচন অফিসারের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক হওয়ায় সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল অফিসার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে।



    নবীনগরে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা সেবা গ্রহিতারা নিয়মিত নির্বাচন অফিসার না থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে দিনের পর দিন।
    এরই মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করা নির্বাচন অফিসার মোঃ আশরাফুল হোসেন কে সংযুক্ত করা হয়েছে গত সপ্তাহে।

    প্রতিদিন নবীনগর উপজেলা নির্বাচন অফিসে শতশত মানুষ নাগরিক বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য এসে ভিড় করতে দেখা গেছে।
    তাদের অভিযোগ স্মার্টকার্ড গ্রহণ,সংশোধনের মত জরুরি সেবাগুলো স্ববির হয়ে গেছে।
    হালনাগাদ,হারানো কার্ডের আবেদন প্রায় বন্ধ হয়ে আছে।

    সেবা গ্রহীতা সরকারি চাকুরিজীবী রাছেল মাহমুদ বলেন,আমার স্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা পরিবর্তন করতে আবেদন করেছি প্রায় দুইমাস হয়ে গেল অথচ এখনো আবেদন নবীনগর অফিসেই পড়ে আছে।
    এভাবে চলতে থাকলে উপজেলার নাগরিকদের ভোটার সংশ্লিষ্ট সেবা নিতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে।
    এতে করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়া ও নাগরিকদের হয়রানি চরম আকার ধারণ করবে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম জানান, নবীনগরের মতো বড় উপজেলায় একজন নিয়মিত অফিসার দরকার।
    তবে আপাতত কাজের স্থবিরতা রোধ করতে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে কাজ করানো হচ্ছে।

    এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার জিল্লুর রহমান বলেন,নবীনগর উপজেলার মতো একটি বৃহৎ উপজেলায় অন্য উপজেলার নির্বাচন অফিসারের অতিরিক্ত দায়িত্ব যথাযথ না।

    তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট আমি আবেদন করেছি আশা করছি সহসাই নবীনগর উপজেলায় একজন নির্বাচন অফিসার নিয়োগ দেয়া হবে।

    স্থানীয় সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুল বলেন, আমার এলাকায় উপজেলা নির্বাচন অফিসার নিয়মিত না থাকায় জনদূর্ভোগের বিষয়টি আমার জানা নাই।
    সহসাই নির্বাচন কমিশনে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম