• শিরোনাম


    নবীনগরের বিটঘর-গুড়িগ্রামের সংযোগ ব্রীজের নিচে সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ

    নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি | ৩০ জুন ২০২১ | ২:৪৭ অপরাহ্ণ

    নবীনগরের বিটঘর-গুড়িগ্রামের সংযোগ ব্রীজের নিচে সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের নূরনগর হিসেবে পরিচিত পূর্বাঞ্চাল অপরাধের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে মাটি ব্যবস্থাপনা আইন লঙ্ঘনকারী ও ভূমিদস্যুদের জন্য। অপরাধীদের কবল থেকে রক্ষা পায়নি সরকারি খালের জায়গায়ও,নূরনগরের বিটঘর ইউনিয়নের বিটঘর গুড়িগ্রামের সংযোগ স্থল জাহের মাস্টার বাড়ির ব্রীজে নিচে সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ নির্মাণ করে।

    তথ্য সূত্রে জানা যায়, ৩০০ কৃষকের ফসিল জমির পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বিটঘর গ্রামের শাহজাহান,তার সহযোগি গুড়িগ্রামের জাকির হোসেন গংরা এই বাঁধ নির্মাণ করেন। বাঁধটি অপসারণ করার দাবিতে জেগে উঠেছে ঐ এলাকার সাধারণ কৃষক। দ্রুত বাঁধ অপসারণ না করা হলে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার সমুখ সম্ভবনা রয়েছে।সাধারণ কৃষক একত্রিত হয়ে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ করার জন্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তির নিকট স্বাক্ষর করা কাগজ জমা করলে ঐব্যক্তিকে প্রভাবশালী মহল হুমকি ধমকি দেয়ায় তিনিও অভিযোগ করতে সাহস পায়নি।
    এবিষয়ে একাধিক কৃষক বলেন, সরকারি খালের উপর বাঁধ নির্মাণ করে আমাদের ফসলি জমিগুলোকে ক্ষতির সম্মুখীন করেছে,এতে পানি চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি হওয়ায় আমাদের ফসল নষ্ট হচ্ছে। আমরা চায় দ্রুত বাঁধটি অপসারণ করতে।এবিষয়ে একজন আমাদের নিকট আবেদনের কথা বলে স্বাক্ষর নিয়েছে।



    সাধারণ কৃষকের নিকট থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদনের কথা বলে স্বাক্ষর নেয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বলেন, আমি ফসিল জমি রক্ষার উদ্যোগ নিয়ে সাধারণ কৃষকের কাছ থেকে স্বাক্ষর নেয়ার পর থেকে এলাকার প্রভাবশালী মহল আমাকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে, তাই আমি একাজ থেকে দূরে সরে এসেছি।

    হুমকি ধমকি দেয়া সহ সাধারণ কৃষকের কথা তুলে ধরতে অবৈধ বাঁধ নির্মাণ করা ব্যক্তিদের সাথে কথা বলতে চাইলে তাদের একজন জাকির হোসেন বলেন,যারা অভিযোগ করছে তাদের জমির পরচা দেখাতে বলেন,আমি এই বিষয়ে অনুমতি নেয়ার জন্য আবেদন করব,আপনরা যা পারেন করেন বলে কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে চলে যান।

    এবিষয়ে বিটঘর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম এর মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি বলেন,বিষয়টি আমরা অবগত রয়েছি, ইতিপূর্বে জরিমানাও করা হয়েছে,তারা বাঁধ সরিয়ে নেয়ার কথা ছিল গত বছরই।কেউ পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে তা হতে দেয়া যাবে না।স্যারদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিব।

    বিষয়টি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতনগণ অবগত রয়েছে কিনা জানতে চেয়ে সরাসরি নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল ছিদ্দিককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন,বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে অবগত হয়েছি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম