• শিরোনাম


    টক অব দ্যা টাউন চাটখিল ডাক্তার মিথিলা ও আইসিটি কর্মকর্তার পরকীয়া

    জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালীঃ | ০১ জুলাই ২০২১ | ৯:৩৫ পূর্বাহ্ণ

    টক অব দ্যা টাউন চাটখিল ডাক্তার মিথিলা ও আইসিটি কর্মকর্তার পরকীয়া

    নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.ফারহানা খানম মিথিলা ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা কাজী মইনুল ইসলাম পরকীয়া করতে গিয়ে আটক হয়ে হেনেস্তা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    গতকাল মঙ্গলবার (২৯ জুন) রাত ১টার দিকে চাটখিল বাজারের খোকন ভিডিওর গলিতে পপুলার মডেল ফার্মেসীর দ্বিতীয় তলায় ডাক্তার ফারহানা খানম মিথিলার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে



    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.ফারহানা খানম মিথিলা ও আইসিটি অফিসার কাজী মইনুল অবৈধভাবে পরকীয়ায় জড়িয়ে অসামাজিক কাজ করতে গিয়ে গতকাল রাত ১টার দিকে এলাকার ১৫-২০ জন যুবকের হাতে আটক হয়। একপর্যায়ে গভীর রাত পর্যন্ত দেন-দরবার শেষে পরকীয়া দেখে ফেলা যুবকদের এক লক্ষ টাকা দিয়ে বিষয়টি দফারফা করা হয়। কিন্তু তাদের মধ্যে কয়েকজন যুবক টাকা না পেয়ে রাতের ঘটনার ভিডিও-ছবি বিভিন্ন ভাবে ছড়িয়ে দিলে এই ঘটনা চাটখিলে টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়। কিন্ত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে উঠে পড়ে লাগে এবং অনেকই ফেসবুক ও ফোন থেকে ঘটনার সময় ধারণকৃত ছবিও ভিডিও ডিলেট করতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এদিকে উচ্চশিক্ষিত প্রথম শ্রেণীর ডাক্তার ও সরকারি কর্মকর্তা পরকীয়ায় জড়িয়ে অসামাজিক কাজে ধরা পড়ার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছে না এলাকাবাসী। তারা অভিযুক্ত দুই সরকারি কর্মকর্তার আইনানুগ শাস্তি দাবি করেছেন।

    চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা.ফারহানা খানম মিথিলা দাবি করেন, এটি ভুয়া খবর। আমি এ বিষয়ে কোন কথা বলতে চাইনা। তিনি বলেন, আপনারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন।

    এ বিষয়ে জানতে উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা কাজী মইনুল ইসলামের ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

    চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে তিনি এ ধরনের বিষয় ফেসবুক দেখেছেন বলে মন্তব্য করেন।

    চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. খন্দকার মোস্তাক আহমেদ বলেন, এ বিষয়ে কানাঘুষা হলে আমি মিথিলাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় উপজেলার এক আইটি অফিসার উনার মায়ের রিপোর্ট নিয়ে তার বাসায় যায়। ওই সময় সে তাকে খাওয়ার জন্য খিচুড়ি দেয়। ওই সময় বাড়ি ওয়ালা গেইট দিয়ে দেয়। পরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক নাকি ঝামেলা করে। এই হলো কাহিনী।

    এ বিষয়ে চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানান, আবু সালেহ মোহাম্মদ মোসা জানান, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম