• শিরোনাম


    জো বাইডেনের ইসরায়েল সমর্থন একটা স্বাভাবিক ঘটনা | – তাজউদ্দিন তারেক

    অনলাইন সংস্করণ | ১৬ মে ২০২১ | ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ

    জো বাইডেনের ইসরায়েল সমর্থন একটা স্বাভাবিক ঘটনা | – তাজউদ্দিন তারেক

    গুলতি দিয়ে কামান প্রতিরোধমুখি
    স্বাধিনতাকামীরাই জঙ্গি!
    সাম্রাজ্যবাদের এই উক্তি যুগ যুগান্তর শুনছি।

     

    আবারো ইসরাইলী বর্বরতার পক্ষে জোরাল সমর্থন জানালেন বাইডেন।” আমি তার বক্তব্য কে সাধুবাদ জানাই; কারন তিনি বিশ্ববাসীর সামনে তার অবস্থান স্পষ্ট করেন। মানুষ তার বিষয় চিন্তা করতে এখন খুব সহজ হবে। আমি মনে করি এই ভাবে স্পষ্ট ঘোষনা ভালো। মুসলিম রাষ্ট্র প্রধানদের মুনাফেকি আচরণ চেয়ে এই ঘোষণা হাজার গুণ উত্তম। তিনি হয় তো এই ঘোষনা দিয়ে চেষ্টা করেছেন মুসলিম রাষ্ট্র নেতাদের মেরুদণ্ড সোজা করা বাঁচার কথাটি মনে করিয়ে দিতে। আমাদের একটু চক্ষু লজ্জা থাকা ভালো আমরা অন্যের কাছে মানবতার ভিক্ষা করে নিজের পিতৃপক্ষের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা ভাবছি।



    জো বাইডেনর ঘোষণা অবাক হবার কিছু নেই!
    তিনি তার অতিত পূর্বসরীদের অবস্থা ধরে রেখেছেন। এবং সেই পথে অগ্রসর হবেন এটাই স্বাভাবিক। বরং তার কথার ফুল জুটিতে আবেগে আফ্রুত হয়ে তার কাছে বিপরিত মুখি কিছু আশা করাটা অস্বাভাবিক।
    আপনি যদি মুক্ত চিন্তার স্বাধীনতাকামী মানুষ হয়ে থাকেন, তাহলে অতিত হওয়া দীর্ঘ যুগ গুলো দিকে তাকান মনবতার ফেরিওয়ালা এই সাম্রাজ্যবাদী দেশ গুলো যুগ যুগান্ত রাষ্ট্রের পর রাষ্ট্র নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য আগ্রাসন চালিয়ে আসছে।

     

    আর আগ্রাসনের পূর্ব মুহূর্তে অথবা আগ্রাসন চলাকালীন ওরা তো বিশ্বাস বাসীর সামনে সেই কথাই বার বার উপস্থাপন করে আসছে। আজ যারা ফিলিস্তিনে নিজেদের মাতৃভূমি রক্ষার জন্য গুলি নয় “গুলতি” দিয়ে কামান প্রতিরোধমুখি হয়ে দাড়িনো সেই স্বাধিনতাকামীদের যারা জঙ্গি বলছে! আর বছরের পর বছর আশ্রিত দখলদার ইসরাইলী বাহিনী গণ হত্যা চালাচ্ছে, তারা(সেই সন্ত্রাসী বাহিনী) “আত্ম রক্ষা করছে!” সাম্রাজ্যবাদের এই উক্তি যুগ যুগান্তর শুনছি। আমাদের হুঁশ ফিরে না! তারা আমাদের শুনিয়ে আসছে আফগান, ইরাকসহ বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্র ধ্বংসের পাক মুহূর্তে।

    তাদের যুদ্ধে কৌশল ও অপরাধের ধরন গুলো ভবিষ্যতের দীর্ঘ সময়কাল ব্যাপি। বর্তমানে ফিলিস্তিনে ভবিষ্যৎ মুসলিম প্রজন্ম যাতে বৃদ্ধি না পায়; সেই জন্য ইসরায়েলের দখলদার বাহিনীর লক্ষ্য বস্তু ফিলিস্তিনের শিশু ও নারীরা।

    প্রধানতম লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও পন্থা হচ্ছে মুসলিম নারী ও শিশুদের দীর্ঘ সময় কাল জেলে বন্দী করে রাখা। তাদের উপর মানুষিক ও যৌন নির্যাতন করা। এটা যে শুধু এই সময়ে ফিলিস্তিনে হচ্ছে তা কিন্তু না। বরং এটা চীন, আফগান, ইরাক, সিরিয়াতেও ঘটছে। এটা লিবিয়া, আলজেরিয়া, অতিতে স্পেনসহ আফ্রিকার দেশ গুলোতেও ঘটছে। যে ফ্রান্স আজ সভ্যতার গল্প শুনাচ্ছে সেই ফ্রান্স কতটা অসভ্য আর বর্বর ছিলো আলজেরিয়ার মাটি ও মানুষ জানে, এখন পর্যন্ত আলজেরিয়ার মানুষের মুখের ভাষা ৬০% ফ্রান্সি। এটা হলো শোষনের একটি উদাহরণ মাত্র। তাই মুসলমান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ভাবে এটা ইঙ্গ-মার্কিনের সুপরিকল্পিত কৌশল বলা যেতে পারে।
    আরেক লক্ষ্য হচ্ছে ধ্বংস হওয়া মুসলিম রাষ্ট্র গুলো রাষ্ট্রীয় সংরক্ষণ ও খনিজ সম্পদ লুট করা। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করা।
    আগামি মুসলিম প্রজন্মের উচিৎ হবে। অতিত থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মপন্থা ঠিক করা।

    @fb.com/Tajuddintareq01

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম