• শিরোনাম


    জঙ্গি ইস্যুতে ‘ছেলেখেলা’ করছেন উপাচার্য

    জঙ্গিবাদের ছায়া দেখেন, কিন্তু হাতুড়ি দেখেন না: ভিসিকে শিক্ষার্থীবৃন্দ

    | ১২ জুলাই ২০১৮ | ৬:১৩ পূর্বাহ্ণ

    জঙ্গিবাদের ছায়া দেখেন, কিন্তু হাতুড়ি দেখেন না: ভিসিকে শিক্ষার্থীবৃন্দ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে ‘জঙ্গিবাদের ছায়া দেখেন, কিন্ত হাতুড়ি দেখেন না’ বলে অভিযোগ করেছে নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দ। প্রশাসনের একপাক্ষিক আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করে তারা বলেছেন, ‘কোটা আন্দোলনের মতো অহিংস আন্দোলনে তিনি (উপাচার্য) অস্থিতিশীলতা দেখেন, জঙ্গিবাদের ছায়া দেখেন, রাতে হলে মেয়েদের চেঁচামেচির আওয়াজ শুনতে পান। কিন্ত রড়-লাঠি, ছুরি-চাপাতি, পিস্তল-হাতুড়ি দেখেন না!’

    আজ ১১ জুলাই, বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মধুর কান্টিনে নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীবৃন্দের ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এমন মন্তব্য করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য অরণী সেমন্তী খান। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মীম আরাফাত মানব, সানজিদা আলম রিয়া, শাহনেওয়াজ অমিসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।



    শিক্ষার্থীদের পক্ষে লিখিত বক্তব্যে অরণী সেমন্তী খান বলেন, ‌‘উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান কোটা সংস্কার আন্দোলনে জঙ্গিবাদের ছায়া খুঁজে পান। জঙ্গিবাদের মতো একটি আন্তর্জাতিক সমস্যাকে তিনি ‘ছেলেখেলা’ হিসেবে উপস্থাপন করছেন। জাতি হিসাবে যে সমস্যা আমরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি সেটিকে তিনি হেয়জ্ঞান করেছেন। অবশেষে সামাজিক চাপে পড়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করছেন। আমরাও দুঃখিত তার মতো এমন ভিসি পেয়ে!’

    বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে সেমন্তী বলেন, ‘যাদের টাকায় এ বিশ্ববিদ্যালয় চলে তাদেরকে ‘বহিরাগত’ আখ্যায়িত করে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। অপরদিকে বহিরাগত শিক্ষকরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে পুরষ্কার হিসেবে ফ্যাকাল্টি মেম্বারশীপ পাচ্ছে। নানা কৌশলে সন্ত্রাসীদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ক্যাম্পাসগুলোতে। এসব সন্ত্রাসীরা ছাত্রের বেশ ধরে হল এবং ক্যাম্পাসকে লক্ষীন্দরের প্রাসাদ বানিয়ে নানা অপকর্মের কন্ট্রোল রুম হিসেবে ব্যবহার করছে।’

    সংবাদ সস্মেলনে বেশ কিছু দাবিনামা তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- কোটা আন্দোলন ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার দাবি করা যেসকল শিক্ষার্থী গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। হামলায় আহত প্রত্যেক শিক্ষার্থীর চিকিৎসাব্যয় রাষ্ট্রকে নিতে হবে। অসিংহ আন্দোলনে যারা হামলা করছে তাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় নিতে হবে।

    এছাড়া কোন শিক্ষার্থীকে জোর করে সাংগঠনিক কর্মসূচিতে যোগদানে বাধ্য করা যাবে না। একইসঙ্গে কোন ছাত্র স্বেচ্ছায় কোনো অহিংস আন্দোলনে যোগ দিলে তাকে হলের ভেতরে যেকোন ধরণের অত্যাচার বা নিগ্রহের হাত থেকে হল প্রশাসনকে সুরক্ষা দিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন প্রশাসক তার উপরে প্রদত্ত দায়িত্ব পালন না করে নিপীড়নমূলক অবস্থান নিলে তাকে অপসারণ করতে হবে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম