লেখকঃ মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজী | ১৬ আগস্ট ২০১৮ | ৯:২৫ অপরাহ্ণ
চামড়া কাঁচামাল। স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট জায়গায় এনে এটিকে প্রসেসিং না করলে পচে নষ্ট হয়ে যায় নিঃসন্দেহে। গত কোরবানিতে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ পশু জবাই হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক পশুর চামড়া দ্রুত সময়ে একত্রিত করা অত্যন্ত কঠিন ও জটিল কাজ। যে কাজটি বড় আনন্দ ও উদ্দীপনার সঙ্গে আঞ্জাম দিচ্ছে এদেশের কওমী মাদরাসার প্রায় বিশ লক্ষ ছাত্র। এর জন্যে তাদেরকে ঈদের আনন্দ ভুলে রক্তমাখা জামা গায়ে ঈদের দিনের পুরোটাই মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে। যদিও তারা মাদ্রাসার জন্য এই কাজটি করে থাকে; কিন্তু এতে বাংলাদেশের বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হচ্ছে। লাভবান হচ্ছেন চামড়া ব্যবসায়ীরাও।
এমতাবস্থায় বছর বছর চামড়ার দাম কমানো ছাত্রদের স্বেচ্ছাশ্রমের সঙ্গে বেইনসাফি বেঈমানি ও বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া আর কিছুই নয়। সেইসঙ্গে গ্রামাঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে বিপদে ফেলে দেয়ার কূটকৌশল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে সিন্ডিকেটের চামড়াব্যবসায়ীদের এহেন কর্মকান্ড।
আর সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদেরও এদিকে নজর দেয়া উচিত, না হলে এদেশের চামড়া শিল্প একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে।