• শিরোনাম


    কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার ফাঁসির দাবিতে পোস্টারিং।

    নোয়াখালী প্রতিনিধি। | ২৭ মার্চ ২০২১ | ৩:০৫ অপরাহ্ণ

    কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার ফাঁসির  দাবিতে পোস্টারিং।

    কোম্পানীগঞ্জে কাদের মির্জার ফাঁসির
    দাবিতে পোস্টারিং।
    চলছে ফেসবুক লাইভে একে অন্যকে আক্রমণ
    করে বক্তব্য।

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল
    কাদেরের ভাই পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ফাঁসির দাবীতে
    পোস্টারিং করা হয়েছে।শনিবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের
    দেয়াল,দোকানপাটে এ পোস্টার ছেঁয়ে গেছে।পোস্টারে উল্লেখ করা হয়-
    সাংবাদিক মুজাক্কির এবং আলা উদ্দিন হত্যার নির্দেশদাতা খুনি মিজার
    ফাসিঁ চাই,প্রচারে-কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের
    জনগন।স্থানীয়দের অভিমত এ পোস্টারিংকে কেন্দ্র নতুন করে সহিংসতা
    সৃস্টি হবে। এবার কাদের মির্জার পক্ষ থেকেও পোস্টারিং করা হবে।এতে
    পরিস্থিতি আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠবে।
    এদিকে জেলা আওয়ামীলীগ থেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার
    আওয়ামীলীগের কার্যক্রম স্থগিত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
    ফেসবুকে যে কোন ধরনের বক্তব্য দেয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও
    সেটি মানছেনা আবদুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান
    মিজানুর রহমান বাদলক গ্রুপ ।একে অপরকে আক্রমণ করে ফেসবুকে বক্তব্য
    দিয়ে যাচ্ছেন।গত দেড় মাসে দু পক্ষের সংঘাতে ২ জন নিহত ও শতাধিক
    ব্যাক্তি আহত হওয়ার ঘটনায় ৪০ জন গ্রেফতার ও বেশ কয়েকটি মামলা
    হলেও নেতাদের মধ্যে কেউ কাউকে ছাড় দেয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছেন ।দুই পক্ষই
    নিজ নিজ অবস্থানে থেকে একে অপরকে আক্রমন করে যাচ্ছেন।এক পক্ষ অন্য
    পক্ষকে আসামী করে পাল্টাপাল্টি মামলা দিয়েছেন,দিচ্ছেন পাল্টাপাল্টি
    কর্মসূচী।অবশ্য প্রশাসন কোন পক্ষককেই এসব কর্মসূচী বাস্তবায়ন
    করতে দিচ্ছে না।সর্বশেষ ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসকে কেন্দ্র করে উভয় গ্রুপ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচী দেয়।এতে উত্তেজনা দেখা দিলে প্রশাসন
    উভয় পক্ষের কর্মসূচী স্থগিত করেন।প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকলেও
    সাধারণ মানুষ আওয়ামীলীগের এ সিদ্ধান্তকে ভালভাবে দেখেছেন না।
    বসুর হাট বাজারের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে আলাপকালে
    জানাযায়,জেলা আওয়ামীলীগকে বিষয়টি তদন্ত করে কেন্দ্রে রির্পোট
    পাঠানোর নির্দেশ দিলেও সেটির কোন ধরণের কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে
    না।দল থেকে কার্যত কারো বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে
    না।ফলে সমস্যার সমাধান না হয়ে জটিল আকার ধারণ করেছে।তারা
    জানান,সংঘাত,সহিংসতার কারনে বসুরহাট বাজারে সাধারণ মানুষ
    সওদা করতে না এসে আশপাশের বাজারে যাচ্ছে।ফলে তাদের অপূরণীয় ক্ষতি
    হচ্ছে।
    এদিকে কাদের মির্জা জেলা কমিটিকে তদন্ত দেয়ার বিরোধিতা করে
    বক্তব্য দিয়ে আসছেন। তিনি বলছেন জেলা কমিটির সভাপতি
    মেরুদন্ডহীন প্রানী আর সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর
    বিরদ্ধে গত তিন মাস যাবৎ চাকুরি
    বানিজ্য,টেন্ডারবাজি,অস্ত্রবাজিসহ নানান অভিযোগ করে
    আসছেন।তাই তাদেরকে দিয়ে তদন্ত হলে এক তরফা হবে বলে তিনি তার
    বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন।



    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম