• শিরোনাম


    কীর্তিমানের মৃত্যু নাই

    নেয়ামত উল্যাহ তারিফ,বিশেষ প্রতিনিধিঃ | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ

    কীর্তিমানের মৃত্যু নাই

    কর্মগুণে মানুষ যুগ হতে যুগ বেঁচে থাকেন মানব হৃদয়ে। এমন মহান মানুষের সংখ্যা প্রতিটি অঞ্চলে হাতে গোনা। সেই সব স্মরণীয় বরণীয় মহান পুরুষদের নিয়ে বহু সাহিত্য রচিত হয়েছে।

    “কীর্তিমানের মৃত্যু নাই” ভাব-সম্প্রসারণে লেখা হয়েছে- “মহাকালের তুলনায় মানুষের পার্থিব জীবন নিতান্তই ক্ষণস্থায়ী। বেঁচে থাকার প্রবল আকাক্সক্ষা সত্ত্বেও একদিন মানুষের পার্থিব জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। স্বল্পস্থায়ী জীবনে কেউ কেউ মহৎ কর্ম সাধনার মাধ্যমে জগতে অমর হয়ে থাকে। রেখে যাওয়া কর্মের মাধ্যমে যারা জগতে অমরত্ব লাভ করেন তারাই কীর্তিমান। মহৎ-কর্মহীন সাধারণ মানুষের পার্থিব জীবনের পরিসমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তার নামও হারিয়ে যায় পৃথিবী থেকে ।



    পক্ষান্তরে কীর্তিমানরা তাদের মহৎ আদর্শ ও কর্ম দ্বারা যে গৌরব গাঁথা রচনা করেন তা তাদেরকে তাজমহলের মতো সমুজ্জ্বল রাখে চিরকাল । তারা তাদের ত্যাগ-তিতীক্ষা, সত্য-নিষ্ঠা, কর্ম-সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ লাভ করেন অগণিত মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। কর্মযোগী মহৎ মানুষের মৃত্যু হয় ঠিকই কিন্তু তাদের কর্ম ও প্রতিভার কখনও মৃত্যু হয় না। কারণ তারা মহৎ কর্মের অধিকারী। মহৎ কর্মের মধ্যেই একজন মানুষ পৃথিবীতে অমর হয়ে থাকেন।”

    মহৎ কর্মের অধিকারী সুবর্ণচরের কয়েকজনের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা হাবিব উল্যাহ মিয়া চির স্মরণীয় ব্যক্তি। মানব সেবায় নিয়োজিত চর জব্বার হাসপাতালের জন্য ছয় (৬) একর ভূমি দান করে উদার হৃদয়ের পরিচয় প্রদান করেন মাওলানা হাবিব উল্যাহ মিয়া। এছাড়াও চর জব্বারে বিদ্যুতায়নের জন্য ১৯৭৪ সালে অপরিসীম অবদানের মাধ্যমে তিনি এলাকাবাসীর প্রিয়জনে পরিণত হন। সেবামূলক কাজের মাধ্যমে মৃত্যুর দশ বছর পরও তিনি সুবর্ণচরবাসীর নিকট স্মরণীয় বরণীয়।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম