• শিরোনাম


    কিন্ডার গার্ডেনের অসময়ের ক্লাসের জন্যে হারিয়ে যাচ্ছে কোরআন শিক্ষার সকালের মক্তব

    রিপোর্ট: মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন,নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি। | ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ | ৪:৪২ অপরাহ্ণ

    কিন্ডার গার্ডেনের অসময়ের ক্লাসের জন্যে হারিয়ে যাচ্ছে কোরআন শিক্ষার সকালের মক্তব

    কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে কোরআন শিক্ষার প্রথম স্হান ছোট সোনা মনিদের মক্তব । আগের মত এখন আর কচিকাঁচ শিশুদের কোরআন শিক্ষার জন্য মক্তবে দেখা যায় না । কালিমা আর আলিফ , বা , তা , এর শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেনা জনপদ । গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ছিল কোরআন শুদ্ধ করে পড়তে জানে এমন একটি মেয়েই হবে ঘরনি বা বউ । আগে সবাই ছেলে বিয়ে করানোর জন্য কনেকে জিগ্যাস করত যে মেয়ে কোরআন পড়ছে,কত খতম দিয়েছে,কত পারা পারে,এসব । আর এখন খুঁজে বিয়ে পাস , এম এ পাস, মাষ্টার পাস, তখন ঐতিহ্য ছিল কোরআন শুদ্ধ করে পরতে জানে এমন একটি মেয়েই ঘরনি যাতে বাড়িঘর কোরআনের শব্দে বরকত ময় হয়ে উঠে । এখন সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে মুসলিম এই রাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে ।

    মক্তব আরবি শব্দ – এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে পাঠশালা বা বিদ্যালয় শিশুদের কোরআন শিক্ষার বা ইসলাম সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞানার্জনের উত্তম শিক্ষা কেন্দ্র হল এই সকালের কোরআনিক পাঠশালা মক্তব ।



    এখান থেকে শিশুরা কোরআন শিখার পাশাপাশি নামাজ – রোজার নিয়ম জরুরী মাসাআলা মাসায়েল দোয়া সালাম কালাম ইত্যাদি শিখতে পারে । রোজ সকালে কোরআন আওয়াজ কচি কাঁচা শিশুদের মুখ থেকে শুনা যায় না । শিশুদের অভিবাবকদের অবহেলার কারনে মসজিদের ইমাম সাহেবরা মক্তবে কোরআন শিক্ষার উৎসাহ টা হারিয়ে ফেলছেন । যার কারনে এলাকার শিশুরা বিরত হচ্ছেন এই কোর-আনী শিক্ষা থেকে।

    নোয়াখালী জেলার সদর উপজেলা নোয়ান্না ইউনিয়ন, থানাঃ সদর গিয়ে সরেজমিন দেখা যায় মক্তবে শিশুরা নেই । আমি নিজেই নিজ এলাকা ঘুরে ঘুরে দেখলাম
    যে কিছু কিছু মক্তব নাম মাত্র খুলা আছে এবং সেই মক্তবে কিছু কচিকাঁচ ছেলে মেয়ে বসে পড়ছে নামে মাত্র এবং সেই মক্তবের বৈটক খানায় অনেক কচিকাঁচার ছেলে মেয়ে বসে অপেক্ষা করছে কিন্টার গার্ডেন বা একাডেমির গাড়ির জন্য সকাল প্রায় ৬/৭ টার দিকে
    এমন টা দেখে মক্তবের ইমাম সাহেব কে জিগ্যাস করা হলে যে এই যে কচি কাঁচা ছেলে মেয়েরা এখানে বসে অপেক্ষা করছে উরা কী মক্তবে পড়ে ইমাম সাহেব বল্লেন যে ওরা রোজ ই এখানে বসে অপেক্ষা করে কিন্টার গার্ডেন বা একাডেমির গাড়ির জন্য । আর ও ঘুরে দেখা জন্য রাস্তা চলিলাম দেখা গেছে কোথাও কোথাও মক্তব গেলি রক্ষনাবেক্ষন করার অভাবে বন্দ হয়ে গেছে আর কোথাও কোথাও যা চালো আছে সেগুলোতে জৌলুস নেই ।শিশুদের উপস্তিতি নেই বল্লেই চলে । নাম মাত্র চলে এই সব কোরআন শিক্ষার পাঠশালা বেশির বাগ শিশুরা ঘুম থেকে উটেই স্কুল কুচিং বা কিন্টার গার্ডেনের সময় হয়ে যায় ।

    এ ভাবে চলতে তাকলে ইসলামি বুনিয়াদি শিক্ষার ঐতিহ্যগত প্রতিষ্ঠান চির তরে হারিয়ে জেতে পারে মুসলিম এই রাষ্ট্র থেকে ।এর আগে দেশের পত্যেক টি মুসলিম জাতিকে ধর্মীয় শিক্ষা দিতে ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়রে অধিনে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মসজিদ বিক্তিক গন শিক্ষা চালো করন ।কিন্তু সময় টা চালো করেন নাই যে কখন ক্লাস হবে তাই ।

    অনিয়ন্তিক ভিবিন্ন কিন্টার গার্ডেন একাডেমি শিশু শিক্ষাদানের কারনে মক্তব হারিয়ে যাওয়ার এক মাত্র কারন বলে মনে করছি ।

    এই সব অনিয়ন্তি কিন্টার গার্ডেন একাডেমি শিশু শিক্ষা দানকেন্দ্র নামে যে ব্যবসা শুরু হয়েছে সেই ব্যবসার জন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রী ও কম নাই বল্লেই চলে

    অনিয়ন্তিক ভিবিন্ন কিন্টার গার্ডেন একাডেমি শিশু শিক্ষাদানের কারনে
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গোলা আজ অবহেলিত

    শিশুরা ও শিশুদের অভিবাবকরা ভাবেন যে যেই প্রতিষ্টানে ছাত্র ছাত্রী বেশি সেই প্রতষ্টানে পড়ব বা পড়াব ।

    তাই প্রশাসনের নিকট আবেদন

    এর একটা বিহিত কারার জন্য যাতে সরকার অনুমদন ছাড়া কোনো প্রকার কিন্টার গার্ডেন বা একাডেমি শিশু শিক্ষাদান কেন্দ্র না চলে ।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম