• শিরোনাম


    কাশ্মীরে আধা-সামরিক বাহিনীর কনভয়ে ভয়াবহ হামলায় ৪২ জওয়ান নিহত।

    | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৪:৩১ পূর্বাহ্ণ

    কাশ্মীরে আধা-সামরিক বাহিনীর কনভয়ে ভয়াবহ হামলায় ৪২ জওয়ান নিহত।

    গতকাল (বৃহস্পতিবার) অজানা গেরিলাদের পেতে রাখা জম্মু-কাশ্মীরে সামরিক কনভয়ে ইমপ্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণে আধা-সামরিক বাহিনী সিআরপিএফের (দ্য সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স) ৪২ জওয়ান খতম ও ৪৫ জন জখম হয়েছে। খতমের সংখ্যা বাড়তে পারে।

    আহত জওয়ানদের শ্রীনগরের সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জৈশ-ই-মুহম্মদ ঐ হামলার দায় স্বীকার করেছে। উল্লেখ্য, জৈশ-ই-মুহম্মদ হচ্ছে, একটি ইসলামী সংগঠন – যারা কাশ্মীরকে পাকিস্তানভুক্ত করতে সশস্ত্র সংগ্রামরত। তালেবান ও আল-কায়েদার সঙ্গে সংগঠনটির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।



    পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, সিআরপিএফের গাড়িবহর পুলওয়ামা জেলায় শ্রীনগর-অনন্তনাগ মহাসড়কের উপর দিয়ে জম্মু থেকে শ্রীনগরের দিকে যাওয়ার সময় গোরিপোরার কাছে আগে থেকে একটি গাড়িতে আইইডি বেঁধে রাখা হয়েছিলো। গাড়িবহরটি সেখানে পৌঁছতেই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গেরিলারা গুলিবর্ষণও করেছে। সিআরপিএফের ঐ গাড়িবহরে তখন অন্তত আড়াই হাজার জওয়ান ছিলো।

    সিআরপিএফের আইজি (অপারেশন) জুলফিকার হাসান বলেন: জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ঐ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণের পর, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়েছে।’

    জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আব্দুল্লাহ ঐ হামলার নিন্দা করে বলেন: জৈশ-ই-মুহাম্মদ একে আত্মঘাতী হামলা বলে দাবি করেছে। ঐ হামলা ২০০৪/২০০৫ সালের আগের কালো দিনের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে।

    জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও পিডিপি নেত্রী মেহেবুবা মুফতি ভয়াবহ এ হামলায় কোনো শব্দই নিন্দার জন্যে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন।
    সূত্র: পার্সটুডে ও ইন্টারনেট।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম