• শিরোনাম


    করোনা ভাইরাস: মুফতী তাকী উসমানীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    সংগ্রহে : মুফতি মুহাম্মদ এনামুল হাসান, প্রতিনিধি | ১৭ মার্চ ২০২০ | ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

    করোনা ভাইরাস: মুফতী তাকী উসমানীর গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

    শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী হাফিযাহুল্লাহ বিশ্বব্যাপী আলোচিত করোনা ভাইরাস বিষয়ে সংক্ষিপ্ত তবে সারগর্ভ ইসলামী বার্তা তুলে ধরেছেন বিশ্ববাসীর কাছে।

    তাঁর বার্তাটি পাকিস্তানের বিখ্যাত দ্বীনী প্রতিষ্ঠান জামিয়াতুর রশীদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে।



    মুফতী তাকী উসমানীর বক্তব্যের হুবহু অনুবাদ নিম্নে তুলে ধরা হল-

    “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম

    আজকাল বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কথা শোনা যাচ্ছে। এর বিস্তৃতি ক্রমেই বাড়ছে। একে প্রতিরোধ করার জন্য ও সর্তকতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হচ্ছে।

    কেউ কেউ মনে করেন, এক্ষেত্রে পূর্ব সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা ইসলামের তাওয়াক্কুলের পরিপন্থী। এ কথাটি একেবারেই সঠিক নয়। স্বয়ং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরকম পরিস্থিতিতে পূর্ব সতকর্তামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের দিক-নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

    যেমন, তাউন বা প্লেগ রোগ কোথাও ছড়িয়ে পড়লে, বাহির থেকে কাউকে সেখানে যেতে বারণ করেছেন। আর ভিতরের লোককে বাহিরে যেতে নিষেধ করেছেন।

    সুতরাং এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা শরীয়তের চাহিদার অন্তর্ভু্ক্ত।

    অতএব এ ব্যাপারে সরকার প্রধান বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যেসব নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে, তা অনুসরণ করা শুধু উচিত-ই নয়; বরং শরীয়াতের দৃষ্টিতেও জরুরী।

    সরকার প্রধান যদি মুবাহ কোনো বিষয়ে পাবন্দী বা নিয়ন্ত্রন আরোপ করেন তবে তা পালন করতে হবে।

    অধিক হারে লোক সমাগম হয় এমন কোনো প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানে যেহেতু করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আংশকা প্রবল, তাই এ মুহূর্তে এমন প্রোগ্রামের আয়োজন না করাই উচিত।

    বিয়ে-শাদীর প্রোগ্রাম ছোট পরিসরে করা উচিত। লোক সমাগম যেনো কম হয়। তাছাড়া বিয়ে শাদী ছোট পরিসরে হওয়াই সুন্নাহ।

    হয় বিয়ে শাদীর প্রোগ্রাম এ মুহূর্তে পিছিয়ে দিন অথবা পরিসর ছোট করুন।

    জুমা ও অন্যান্য ফরয নামাযের ক্ষেত্রে শুধু ফরযটি মসজিদে পড়বে। বাকি সুন্নাত ও নফল নামায ঘরেই আদায় করবে। তাছাড়া স্বাভাবিক অবস্থায়ও নফল নামায ঘরে পড়াই উত্তম।

    এমনকি ওযুও বাসা থেকেই করে আসবে।

    এমনকি জুমা ও অন্যান্য নামাযের ক্ষেত্রে ইমাম সাহেবগণ ক্বেরাত সংক্ষেপ করাই উত্তম।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় থেকে যদি মুসাফাহা না করার পরামর্শ দেয়া হয়, তবে সেটাও পালন করা উচিত। মুসাফাহা করবে না। কারণ তা ফরয বা ওয়াজিব নয়। আর যা ফরয বা ওয়াজিব নয়, সেটা এ মুহূর্তে ত্যাগ করতে কোনো সমস্যা নেই।

    পূর্বে যা বলা হল তা অনুসরণ করাই ভালো। এতে নিজ ও দেশ সকলেরেই কল্যাণ রয়েছে। এটি শরীয়াহ্ ও নববী নির্দেশনার সম্পূর্ণ অনুকুল। সুতরাং এর উপর আমল করা চাই।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম