• শিরোনাম


    করোনা(কালীন) পদাবলী [] এস এম শাহনূর

    | ২০ নভেম্বর ২০২১ | ৩:৫৬ অপরাহ্ণ

    করোনা(কালীন) পদাবলী [] এস এম শাহনূর

    করোনা মুক্ত বিশ্ব চাই
    করোনা এসেছে জালিমের শাসন থেকে
    করোনা এসেছে অত্যাচারীর খড়গ থেকে।
    করোনা এসেছে বঞ্চিতের আহাজারি থেকে
    করোনা এসেছে রঙিন সরাবের গ্লাস থেকে।

    করোনা এসেছে শিরক,বিদাতের কারণে
    করোনা এসেছে তাওহীদে না থাকার কারণে।
    করোনা এসেছে খোদার আইন না মানার কারণে
    করোনা এসেছে দারিদ্রকে ভয় করার কারণে।



    শুধায় তারে শাপলা ফোটা হিজল তমাল তলে
    সাত সমুদ্র তের নদী পাড়ে বাংলায় কেন এলে?
    সর্দি জ্বর শ্বাসকষ্ট মৃত্যু যন্ত্রণার উপসর্গ গলে
    রাগের স্বরে গড়গড় শব্দে চোখ রাঙিয়ে বলে-

    এসেছি করোনা ক্যাসিনো পতিতা পাড়ার জন্যে
    এসেছি করোনা গুম,অবিচার,নির্বিচারের জন্যে।
    এসেছি করোনা ধনী গরীবের ব্যবধানের জন্যে
    এসেছি করোনা ধর্মহীন জাতির শায়েস্তার জন্যে।

    করোনা এসেছে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রয়োজনে
    করোনা এসেছে সুন্নি শিয়া মতবিভেদের কারণে।
    করোনা এসেছে মানবতার পুনর্জন্মের প্রয়োজনে।

    করোনা এসেছে সৌহার্দ্য সম্প্রীতি সত্য শেখাতে
    করোনা এসেছে সুদ ঘুষ তোষামোদি কমাতে।
    করোনা এসেছে দুনিয়ার হালাল হারাম চেনাতে
    করোনা এসেছে এক আল্লাহতে ঈমাণ শেখাতে।

    হে মানুষ,মানব জাতির সত্যিকারের ইতিহাস খুলে দেখ
    যুগেযুগে অপমান অপদস্ত ধ্বংস হয়েছে কত জাতি
    কী তার কারণ,দম্ভভরে চলতে গিয়ে একটু মনে রেখো।

    পার্থিব লোভ-লালসায় মত্ত সিরিয়ায় কওমে শোয়াইবের বসবাস ছিল।
    মাপে কম,মজুদদারির মতো জঘন্য অন্যায় কর্মের বিষবাষ্পে
    অগ্নিবৃষ্টি, ভূমিকম্পনে সবাই ধ্বংস হলো।

    হুদ (আ.)-এর অহংকারী আদ জাতির উন্নত জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির কথা শুন নাই?
    স্বৈরশাসকের সুরম্য মজবুত অট্টালিকাও
    চিরকাল টিকে নাই।

    বাহরে লুতের শস্যে ভরা সবুজ শ্যামল
    ‘সাদুম’ নগরীর কথা শুন নাই?
    প্রাচুর্যময় জীবনযাত্রা বাড়িয়ে দেয় বিকৃত যৌনাচার, তাই
    (সমকামিতার প্রবণতা,)
    বৃষ্টির মতো কঙ্কর নিক্ষিপ্ত ও ভূমিকম্পনে
    একদিন পুরো নগরটি সম্পূর্ণ উল্টে যায়।

    পৃথিবীর সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী উদ্ধত সামুদ জাতি
    মানবতা ও নৈতিকতায় নিন্মমুখী ছিল তাদের গতি।
    কুফর, শিরক ও পৌত্তলিকতায়
    চরিত্রহীন লোকের নেতৃত্বে চলত দেশ
    সালেহ (আ)র সত্যের দাওয়াত প্রত্যাখ্যানে
    প্রচণ্ড শব্দে ভূমিকম্পে নাস্তানাবুদ অবশেষ।

    আল্লাহর শাস্তি সম্পর্কে সতর্কিত বানীতেও
    মূর্তিপূজারিদের চৈতন্যোদয় হয়নি।
    অবশেষে ডুবে মরে এক ভয়ংকর প্লাবন ও জলোচ্ছ্বাসে
    নুহ (আ.)ও তার আহবানে সাড়া দানকারীরা নৌকায় ভাসে।

    নিজেকে খোদা দাবি করেছিল ফেরাউন। তার কাছে
    ইমানের দাওয়াত নিয়ে গিয়েছিলেন মুসা ও হারুন (আ.)।
    উত্তাল নীলনদের পানিতে সদলবলে ডুবে মরল খোদা নামধারী
    জাবালে ফেরাউন মানুষের জন্য নিদর্শনস্বরূপ আছে জারী।
    সৃষ্টির মাঝে তোমাকে না খোঁজে নিজের মত চলি,বলি, রচি সংবিধান
    কোরআন হাদিসের রীতিনীতি ভুলে গাহি ভন্ড ঠাকুরের গুনগান।

    গুটিবসন্ত,স্প্যানিশ-এশিয়ান-সোয়াইন ফ্লু,এইডস,ইবোলা
    করোনার মত আজাব,গজব থেকে আমাদের রক্ষা করো মাবুদ মাওলা।

    রচনাকালঃ
    ২৭মার্চ ২০২০ইং
    কীর্তন খোলা নদীর তীর,
    বরিশাল নদী বন্দর।

     

    করোনার করুণ গাঁথা
    সাতরঙা আকাশটা করোনা মেঘে ঢাকা
    কিলবিল করা শহর গ্রাম জনশূন্য ফাকা।
    এখনই উঠবে প্রলয়ঙ্কারী ঝড় বইছে হাওয়া অবোধ
    যে যার মত,বিবেকহীনের মত নিয়েছে সঙ্গনিরোধ।
    সারা পৃথিবীটা আজ স্বঘোষিত অবরুদ্ধ
    প্রকৃতি মানব জাতির রূঢ় আচরণে ক্ষুব্ধ।
    নাস্তিকবাদীদের চোঁখে মুখে নিস্তব্ধতার ফিকে জলছাপ
    নির্বাসিত বন্দীশালায় বসে কষে জীবনের যতশত পাপ।
    মানুষ হইয়া মানুষেরে মারার কত কৌশল কর
    বিধাতার রোষানলে পুড়ে এবার গোষ্ঠীশুদ্ধ মর!
    নিজের অকাল মৃত্যুর জন্য কাকে দোষারুপ করবে তুমি
    মনুষ্য তৈরী কোভিড-১৯ করোনা’র প্রথম বলি হলে তুমি।
    এত সুন্দর পৃথিবী আজ কেন যেন নরক মনে হয়
    কোন সে মোহে ভুলে ছিলি মন আখেরাতের ভয়?
    রুহ ফুঁকে দিবার আগে দিলেন প্রভু সুন্দরতম অবয়ব
    তিন ভুবনের অধিপতি,বিচারপতি একজনই তো রব।

    বোকা মানুষ তুই শুধু মিছামিছি করিস বাড়াবাড়ি
    রাজাধিরাজের রাজ্যে কি চলে এত্তো সব বাহাদুরি?
    এতটুকু ঝড়ে ছুটিয়াছ ঘরে কোথা গেল তোমার হিম্মত
    ক্ষমতার দাপট,সুরম্য প্রাসাদ,বিলাসী বসন,ধন দৌলত?
    ধরাতলে চাইনা বাজুক অসময়ে ঈসরাফিলের বাঁশি
    এক আল্লাহতে চিত্ত রেখে সুখসাগরে ভাসি বিশ্ববাসী।

    রচনাকাল: ২১ মার্চ ২০২০ইং
    মাঝরাত,
    রুপসা নদীর তীর,খালিশপুর, খুলনা।

     

    আত্মসমর্পণ
    হাজারো সংশয় অনিশ্চয়তা মানুষের হৃদয়ে
    এক ভয়ানক উদ্বিগ্নতা থেকে জীবন মুক্তি চায়,
    থমকে যাওয়া পৃথিবী কর্মব্যস্ততা ফিরে পেতে চায়
    মানুষ খোলা আকাশের নিচে ঘুরে বেড়াতে চায়।

    অথচ একদিন পুরো আকাশটা মানুষের দখলে ছিল
    একদিন পুরো সাগর মানুষের দুষনের শিকার ছিল,
    একদিন পাহাড় জঙ্গলে মানুষের হিংস্র থাবা ছিল
    একদিন ঘৃণ্য আত্ম অহংকারে মানুষ নিমজ্জিত ছিল।

    আজ সমগ্র মুসলিম মসজিদ মুখি হতে চায়
    হিন্দুরা পূজার ডালা সাজিয়ে যেতে চায় মন্দিরে,
    গীর্জার ঘন্টা ধ্বনি শুনতে কান পেতে রয় খ্রিস্টান
    বৌদ্ধরা যেতে চায় শুভ প্রার্থনায় প্যাগোডায়।

    রাজপ্রাসাদ ছেড়ে দিগ্বিদিক মহা প্রতাপশালীরা
    অসহায় চিকিৎসা বিজ্ঞান,বিফলে চিকিৎসা সেবা;
    নাস্তিকেরা দিশেহারা,চৈতন্যোদয় ঘটেছে আস্তিকে
    অদৃশ্য এক জীবাণুর ভয়ে প্রকম্পিত পুরো পৃথিবী।

    মানুষ ঘরবন্দি কারাগার থেকে মুক্তি চায়
    কৃত অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত থেকে মুক্তি চায়,
    হারানো সুন্দর পৃথিবীর রূপ ফিরে পেতে চায়
    মহান আল্লাহর দয়া ও কল্যাণ পেতে চায়।
    রচনাকাল: ১৫ এপ্রিল ২০২০ইং
    খালিশপুর, খুলনা।

     

    মসজিদ মন্দির দেখেন না প্রভু
    মসজিদ মন্দিরে নিষেধ হলো করতে প্রার্থনা
    গীর্জা প্যাগোডার দরজা বন্ধ নেই আরাধনা।
    হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান আরো কত জাতি
    প্রার্থনা আরাধনার নামে চেয়েছে কেবল খ্যাতি।
    দিনের আলোয় চলনে বলনে সবাই মহৎ প্রাণ
    রাতের আঁধারে সাজেন বটে নিজেই গড়িয়ান।
    আচার আচরণে মনে হয় মানুষ কত সভ্য জাতি
    অন্তরে বিষ হাসিমাখা মুখে ছড়ায় হাজার প্রীতি।
    পরোপকার দানের মাঝেও স্বার্থ লুকিয়ে থাকে
    সুযোগ বুঝে ঘাড় মটকায় একলা পেলে বাঁকে।
    মসজিদ মন্দির গুলো সুশোভিত নজরকাড়া
    গীর্জা প্যাগোডার গায়ে অশ্লীল শিল্পকর্মে ভরা।
    দুনিয়া ভরা অযুত নিযুত অকৃতজ্ঞ আদম সন্তান
    উপভোগ করিছে রাজাধিরাজের অকৃপণ অনুদান।
    আজ প্রভু বড়ই রুদ্র রুষ্ট মানব জাতির প্রতি
    দূরে ঠেলে দিলেন তামাম জাহানের অধিপতি।
    মসজিদে না যেও মুসলিম, গীর্জায় খ্রিস্টান
    অন্তর দেখেন খোদা,না চাহেন এত প্রতিষ্ঠান।

    রচনাকাল: ৬ এপ্রিল ২০২০ইং
    রূপসা নদীর তীর,খুলনা।

     

    করোনা এখন কসবা
    করোনার হাত নেই,পাখা নেই হাটে ভর করে মানুষের পায়
    ট্রেনে বাসে সিএনজি কিংবা ভ্যানে করোনা এখন কসবায়।

    করোনা চারগাছ,মেহারী,দেলী,খেওড়া,খাড়েরার হাটে
    কসবা,কুটি,চৌমুহনী অলিগলির চা দোকান রাস্তার বাটে।
    নয়নপুর,গোপীনাথপুর ইমামবাড়ি কসবা মন্দবাগ রেলস্টেশনে
    তিনলাখপীর,মূলগ্রাম, বল্লভপুর,শিমরাইল ঈদ ফ্যাশনে।
    মূল্যবান জিনিসের দাম সততই হয় একটু বেশী
    অদৃশ্য করোনা ফ্রি তাই ক্রেতাগণ ইদানিং খুশী।
    মৌচাকের মধু খেতে লাগে অমৃত বেশ
    তিক্ত জেনো মৌমাছির শূল ফুটানো রেশ।

    করোনা মুক্ত আমাদের কসবা
    গর্বের সে বুলি মুখে নেই কেনবা?

    অবাধে ঘুরাফেরা-নিজের পায়ে কুড়াল মারা
    এসব কথা কে শুনে গো লক্ষী পেঁচাটি ছাড়া!

    রচনাকাল: ১৭ মে ২০২০ইং
    রূপসা নদীর তীর,খুলনা।

     

    মানুষ
    ও মানুষ তুই মানুষ হবি কবে
    মৃত্যুর পরে নাকি তার আগে?
    আমি পুরুষ,মানুষ হতে পারিনি
    খুঁজে ফিরি লিঙ্গভেদ মানুষ খুঁজিনি!
    ‘মানুষ মানুষের জন্যে,জীবন জীবনের জন্যে’
    এ কথা হৃদয়ে লালন করেনি গর্ব অহংকারে,
    মানুষের তৈরী কিছুই নেই আজি প্রয়োজনে
    মানুষ বন্দী ঘরে,খাঁচার পাখি আকাশে উড়ে।

    ১১ মে ২০২০ইং
    পদ্মা-রূপসা নদীর তীর, খালিশপুর, খুলনা।

    সাধুরঙ
    করোনা প্রবল বর্ষণ থামাতে পারেনি ধর্ষণ
    তাই আজ লিখতে হয় ঘুম ভাঙ্গানোর গান,
    পর্দার আড়ালে সাধুসঙ্গে কামদেবীর খেল
    কবির কলম নিথর হলে মরবে কোটি প্রাণ।

    ধর্ষক ভিন গ্রহের কেউ নয়,অতি পরিচিত
    কারো আদরের ভাই,স্বামী কিংবা পিতা,
    হালের কলুর বলদ ধর্ম বিবর্জিত পুরুষ
    নারীকে দিয়েছে বিশেষণ বেশ্যা পতিতা।

    ধর্ষক ভিনগ্রহের কেউ নয়,সভ্য
    সমাজের
    মুখোশপরা নারী মাংসাশী অসভ্য পতিত,
    প্রয়োজন জাগরণ, একটি শুদ্ধি অভিযান
    নতুন ভোরের প্রত্যাশায় কচুকাটা অতীত।

    ধর্ষক কখনো মানুষ হয় না,হয় না জগতে
    আদম হাওয়ার মোহ বাঁধনের পুরুষ নারী,
    সহমতে শিষ্টার, বলাৎকার নয় অধিকার
    এসোবন্ধু সমতা ঐক্যে সুন্দর পৃথিবী গড়ি।

    ১০ অক্টোবর ২০২০
    টিটিসি,বরগুনা।

     

     

     

     

    কবি এস এম শাহনূর পরিচিতি:
    তিনি ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলাধীন মেহারী ইউনিয়নের অন্তর্গত বল্লভপুর গ্রামের এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পেশা-লেখালেখি ও গবেষণা। তাঁর পিতার নাম হাজী আব্দুল জব্বার বল্লভপুরী (রহ.), মাতার নাম জাহানারা বেগম। ছোটবেলা থেকেই কবিতা ও গল্প লেখায় হাতে খড়ি। ছাত্র জীবনে তিনি ছিলেন প্রতি পরীক্ষায় ফার্স্ট হওয়া অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র। তিনি ১৯৯৭ সনে এস এস সি (কুমিল্লা বোর্ড স্কলারশীপ সহ)১৯৯৯ সনে এইচ এস সি এবং ২০০৩ সনে বি এস এস এবং Marine and Warfare Academy of China.থেকে উচ্চতর প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করেন।

    কর্মজীবনে জাতিসংঘের UNIFIL এ দীর্ঘ সময় কর্মরত ছিলেন। চষে বেড়িয়েছেন ইউরোপ-এশিয়ার নানান দেশ। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রথম কবিতা ‘অগ্নি বাণী’ ১৯৯৪ সালে এবং বেতারে ‘স্বপ্ন দেখার নেইতো মানা’ কবিতা প্রচারিত হয় ১৯৯৬ সালে। ২০০৫ সালের একুশে বই মেলায় “স্মৃতির মিছিলে” নামক প্রথম কাব্য গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। গবেষণাধর্মী, ভ্রমণ, জীবনী, ইতিহাস-ঐতিহ্য ও কবিতাসহ তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৪টি।

     

     

     

    ✪ উদ্ভাবক: Merit Theory.
    ✪ প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি: তিতাস সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ
    ✪ প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ: LITTLE FLOWER INTERNATIONAL SCHOOL , DHAKA.

    ➤কবির উল্লেখযোগ্য সৃষ্টিকর্ম:
    ★স্মৃতির মিছিলে(কাব্য গ্রন্থ)
    ★প্রজাপতি প্রেম(কাব্য গ্রন্থ )
    ★বিশ্বাসী চোঁখ (কাব্য গ্রন্থ )
    ★Colour Of My Love (ইংরেজি কাব্য গ্রন্থ)
    ★প্রেম আসে অসময়ে(উপন্যাস)
    ★ভালবেসে সাধ মিটেনি(উপন্যাস)
    ★স্বর্গের ছায়া(ভ্রমণ কাহিনী)
    ★ভাল ছাত্র হওয়ার সহজ কৌশল।
    ★দীদারে মুহাম্মদ (সাঃ)।
    ★চিরকুমার ও রাজকন্যা(বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত নাটক)
    ★ ব্রাহ্মণবাড়িয়া নামকরণের ইতিকথা।
    ★ রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিধন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও বাংলাদেশ।
    ★দানবীর মহেশ চন্দ্র ভট্টাচার্য (আত্মজীবনী)

    ➤পুরস্কার ও সম্মাননা:
    জাতিসংঘ শান্তি পদক ২০১৫, বিশ্ববাঙালি সম্মাননা ২০১৯ (ঢা.বি.) ; (পাক্ষিক)সকালের সূর্য সাহিত্য বাসর সম্মাননা ২০১৯, ,কলম সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮, কাব্যজগৎ কবিরত্ন সম্মাননা ২০১৮, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওংকার শৃণুতা সম্মাননা ২০২০, কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত সাহিত্য পুরস্কার ২০১৯ এবং অমর একুশে সাহিত্য পুরস্কার ২০২০ লাভ করেন। [বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একাধিকবার গুণিজন সংবর্ধনা প্রাপ্ত]

     

     

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    মগের মুল্লুক (কবিতা)

    ১১ আগস্ট ২০১৮

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম