• শিরোনাম


    করোনার পরে চীনে হান্তাভাইরাসের আতংক

    ম. কাজী এনাম, স্টাফ রিপোর্টার | ২৫ মার্চ ২০২০ | ১:১৯ অপরাহ্ণ

    করোনার পরে চীনে হান্তাভাইরাসের আতংক

    করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে হান্তাভাইরাসের আতঙ্কে মানুষ। যদিও এই ভাইরাস করোনার মতো ভয়ঙ্কর নয়। হান্তাভাইরাস নিয়ে নেটিজেনরা আলোচনার ঝড় তুলেছে।

    হান্তাভাইরাস কী?
    যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলছে, হান্তাভাইরাস পালমোনারি সিন্ড্রোম (এইচপিএস) মানুষের শ্বাসযন্ত্রে তীব্র, কখনও কখনও মারাত্মক সমস্যা তৈরি করতে পারে।তবে আতংকের কিছু নেই,এর ভ্যাক্সিন ১৯৯০ সালে আবিষ্কৃত হয়েছে,যার নাম #HANTAVAX



    তবে এটা করোনাভাইরাসের মতো বায়ুবাহিত রোগ নয়। এই ভাইরাস ইঁদুরের মাধ্যমে ছড়াতে পারে, যদিও এটা তাদের মধ্যে ছড়ায় না। ইঁদুরের মূত্র, লালা বা মলের সাহায্যে মানুষ হান্তাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে।

    তবে কোনো প্রমাণ নেই যে, করোনাভাইরাসের মতো মানুষ থেকে মানুষে হান্তাভাইরাস ছড়াবে। তবে কেউ যদি ইঁদুরের মূত্র বা বাসা বাঁধার উপকরণ ছুঁয়ে আসার পর চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করে তাহলে এ ভাইরাসের সংক্রমণ হতে পারে।

    ১৯৫০ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে চীনের ১৫ লক্ষ লোক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয় এবং ৪৬ হাজার লোক মারা যায়। ২০০৫ থেকে ২০১০ এ ফিনল্যান্ডে ৩২ হাজার এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ এ রাশিয়ায় ৯০ হাজার লোক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়।
    এ থেকে বোঝা যায় যে, ১৯৫০ সালের আগে থেকেই এ ভাইরাসের উৎপত্তি,
    কিন্তু কোথাও কোথাও স্বীকৃতি দিয়েছে যে এটি ১৯৯৩ সালে প্রথম ধরা পরে,কিন্তু এর ভ্যাক্সিন আবিস্কৃত হয়েছে ১৯৯০ সালে।

    আরও তথ্য অনুসারে জানা যায়, এটা প্রথম চীনে নয়,যুক্তরাষ্ট্রে ধরা পরে।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম