• শিরোনাম


    ওলামায়ে কেরামকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচিত হতে পারে না: মাওলানা নিজামপুরী

    রিপোর্ট: হাবীব আনওয়ার | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১:১৯ অপরাহ্ণ

    ওলামায়ে কেরামকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচিত হতে পারে না: মাওলানা নিজামপুরী

    দীর্ঘ নয় মাস মহান মুক্তিযুদ্ধের পর আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ পেয়েছি এটা আল্লাহ তাআলার বিশেষ এক নিয়ামত। আল্লাহ তাআলার বিশেষ দয়া ও রহমত না থাকলে পাকিস্তানের মত শক্তিশালী রাষ্ট্রের সাথে আমরা কখনো বিজয়ী হতে পারতাম না৷ বিজয় আল্লাহর বিশেষ রহমত। এজন্য আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা দরকার। আর শুকরিয়া আদায় তখনি হবে যখন কুরআন হাদীসে বর্ণিত পদ্ধতিতে বিজয় দিবস উদযাপন করা হবে।

    গতকাল ১৬ ডিসেম্বর বি-বাড়িয়া জেলার নবীনগর বিদ্যাকূট হিলফুল ফুযুল ইসলামী যুব সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত ২ দিন ব্যাপী ঐতিহাসিক ইসলামী মহা সম্মেলনে দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথির আলোচনায় হাটহাজারী মাদরাসার মুহাদ্দিস ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী এসব কথা বলেন।



    মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী আরো বলেন, একটি স্বাধীন সার্বভৌম মুসলিম দেশে বিজাতীয় সংস্কৃতি আমদানি করে শরীয়ত বহির্ভূত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিজয় উল্লাস করা হয়। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার পরিবর্তে আল্লাহর নাফরমানী করা হয়। আর যখন ওলামায়ে কেরাম এসব থেকে বিরত থাকার কথা বলেন, তখন নামধারী একশ্রেণির সুশীল সমাজ ওলামায়ে কেরামকে রাজাকার বলে গালি দেয়!

    মাওলানা নিজামপুরী বলেন, এদেশের মুক্তিকামী মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন অসংখ্য আলেম-ওলামা। রক্ত দিয়েছেন দেশের জন্য।মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন যুদ্ধের জন্য।লড়াই করেছেন মাটি ও মানুষের জন্য।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো আলেমদের সেই অবদানকে বারবার উপেক্ষা করা হয়েছে ও হচ্ছে।রাজাকার বলতে আলেম আর আলেম মানেই রাজাকার(!) এমন একটি তকমা সেঁটে দেওয়া হচ্ছে। আলেমদের রাজাকার বলে তুচ্ছ- তাচ্ছিল্য করে গালিগালাজ করা হচ্ছে !
    ইতিহাস সাক্ষী শতশত আলেম একত্তরে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। অতএব ওলামায়ে কেরামকে বাদ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচিত হতে পারে না!

    তিনি আরো বলেন, আল্লাহর রাসূল সা. মক্কা বিজয়ের পর আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া স্বরূপ ৮ রাকাত নামাজ আদায় করেছেন। যা সালাতুল ফাতাহ নামে পরিচিত। মহান আল্লাহ তাআলা বিজয় উদযাপনের পদ্ধতি বলে দিয়ে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ২ টি সূরাও নাজিল করেছেন। আমাদের উচিত বিজাতীয় কর্মকাণ্ড পরিহার করে নামাজ তেলাওয়াত ইত্যাদির মাধ্যমে শহীদদের জন্য ঈসালে ছওয়াব করা।

    এসময় দেশ ও জাতির কল্যাণ ও শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম