• শিরোনাম


    এস এম শাহনূর প্রণীত -‘মানপত্র’

    | ০৫ এপ্রিল ২০২২ | ৬:৫০ অপরাহ্ণ

    এস এম শাহনূর প্রণীত -‘মানপত্র’

    🇧🇩প্রফেসর ড: মোহাম্মদ আবদুর রশীদ🇧🇩

    মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এঁর আদেশক্রমে গত ২৯ জুলাই ২০২১ ইং উপ-সচিব নূর ই আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, প্রফেসর, পুরকৌশল বিভাগ, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর- কে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসাবে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তিনি পহেলা আগষ্ট ২০২১ ইং তারিখে বর্তমান পদে যোগদান করেন।



    প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ আবদুর রশীদ ১৯৬৩ সালের ২৫ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার কাইতলা (উত্তর) ইউনিয়নের কোনাউর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মুন্সি আব্দুল আহাদ এবং মাতার নাম সালেহা খাতুন।

    তিনি ১৯৭৫ সালে কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জুনিয়র বৃত্তিতে ট্যালেন্টপুল পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। একই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সালে এস.এস.সি.(বিজ্ঞান বিভাগ) পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ১৮তম স্থান অর্জন করেন। ১৯৮০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে (৮০% নম্বর) এইচ.এস.সি. এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ১৯৮৬ সালে বি.এস.সি. ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং (ফার্স্ট ক্লাস, ২১০ জনের মধ্যে ১৬তম) ও ১৯৯৩ সালে বুয়েট থেকে এম.এস.সি. ইন সিভিল (স্ট্রাকচারাল) ডিগ্রি অর্জন করেন। প্রফেসর রশীদ ২০০২ সালে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর থেকে স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ পি.এইচ.ডি. ডিগ্রী লাভ করেন।
    বর্তমানে তিনি ঢাকা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ট্যাকনোলজিতে (ডুয়েট) প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন। মাঝে তিনি প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, ঢাকা তে ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির ডীন এবং উত্তরা ইউনিভার্সিটি, ঢাকা এর স্কুল অব সিভিল, এনভাইরনমেণ্ট এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির  ডীন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নাল ও কনফারেন্স প্রোসিডিংস-এ ২০ টির অধিক পেপার প্রকাশিত হয়েছে।

    প্রফেসর রশীদ ১৯৮৭ সালের এপ্রিল মাসে তৎকালীন বিআইটি, ঢাকায় (বর্তমানে ডুয়েট, গাজীপুর) লেকচারার পদে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করে অদ্যাবদি একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। উল্লেখ্য তিনি ২০১৪ সালে প্রায় এক মাস উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত (মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত) ভাইস চ্যান্সেলর এর দায়িত্বও পালন করেন। তিনি ইন্সটিটিউট ইঞ্জিনিয়ারস অব বাংলাদেশ (আইইবি) এর একজন সম্মানিত ফেলো।

    স্ত্রী ডাঃ মালিহা জেরিন আখতার, দুই ছেলে ডাঃ শাবাব রশীদ ও ইঞ্জিনিয়ার শাফাত রশীদ এবং বড় পুত্রবধু ডা: রুবাইয়া ইশরাকী কে নিয়ে এক সুন্দর সংসার।
    [এস এম শাহনূর প্রণীত]

    মানপত্র

    শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যবাহি কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থী প্রফেসর ড: মোহাম্মদ আবদুর রশীদ এর ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গাজীপুর এ প্রো- ভাইস চ্যান্সেলর পদে পদোন্নতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

    হে বরেণ্য অতিথি:
    ‘বিশ্ব কবির ‘সোনার বাংলা’ নজরুলের ‘বাংলাদেশে’,
    জীবনানন্দের ‘রূপসী বাংলায়’ শরৎ বিদায়ের পর এখন সোনাঝরা হেমন্তের গৌরবময় উপস্থিতি। নবান্ন উৎসবে মুখর এমনি এক স্বর্ণালি প্রহরের এই মায়াবী ক্ষণে শত ব্যস্ততাকে উপেক্ষা করে আপনি আমাদের মাঝে এসে উপস্থিত হয়েছেন। জন্মসূত্রে কৃতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ান হলেও সংস্কৃতির রাজধানী  আজ আপনার পদধূলিতে ধন্য। ঈসা খাঁ, ওস্তাদ আলাউদ্দিন, মনমোহনের ঐতিহ্যবাহী তিতাস বিধৌত এই অঞ্চলে আপনার শুভাগমনে আমরা আনন্দিত ও গৌরবান্বিত। বৃক্ষশাখে  বিহগের কণ্ঠে যেন আজ শুধু আপনারই আগমনী গান। আপনার সাহচর্য পেয়ে আমরা উৎসাহিত ও উজ্জীবিত। আপনি আমাদের প্রাণঢালা অভিনন্দন গ্রহণ করুন।

    হে কৃতি যজ্ঞেশ্বরিয়ান:
    শিক্ষকতা হলো এমন একটি পেশা যা অন্যান্য সমস্ত পেশার সৃষ্টি করে। আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছিলেন, “সৃষ্টিশীল প্রকাশ এবং জ্ঞানের মধ্যে আনন্দ জাগ্রত করা হলো শিক্ষকের সর্বপ্রধান শিল্প।“ একজন সৃষ্টিশীল শিক্ষক হিসেবে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আপনাকে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গাজীপুর এর উপ-উপাচার্য নিযুক্ত করায় সকল যজ্ঞেশ্বরিয়ান আজ সত্যিই আনন্দিত। একজন সুযোগ্য শিক্ষাবিদ হিসেবে এই অভিষেক শুধু আপনাকে নয় আমাদেরকেও করেছে গৌরবান্বিত।

    হে নন্দিত প্রকৌশলী:
    বাংলাদেশের সমকালীন পুরকৌশল ও ষ্ট্রাকচারাল ডিজাইনে আপনার অবদান অনন্য। বহুতল ইমারতের ষ্ট্রাকচারাল ডিজাইনে আপনার দক্ষতা বিস্ময়কর ও চূড়াস্পর্শী। শিক্ষক হিসেবে আপনার উন্নত জীবনবােধ, শৈল্পিক চিন্তা সতীর্থদের মুগ্ধ করে। প্রজন্মের পুরকৌশল বিদ্যায় অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাছে আপনার রয়েছে বিপুল জনপ্রিয়তা। আজ আপনাকে আমাদের মাঝে পেয়ে আমরা মুগ্ধ ও অভিভূত।

    হে দক্ষ প্রকৌশলী গড়ার কারিগর:
    আপনার বিচক্ষণ পাঠদানের কৌশলকে রপ্ত করে দেশ বিদেশে হাজার হাজার সিভিল ইঞ্জিনিয়ার তাঁদের বলিষ্ঠ অবদান রেখে চলেছে। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে এ সকল প্রকৌশলীরা এক একজন সৈনিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত “রূপকল্প ২০৪১” বাস্তবায়নে এ সকল প্রকৌশলীরা বদ্ধপরিকর। আপনি এঁদের অনুপ্রেরণার অগ্রপথিক। তাই আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

    হে মহানুভব:
    নিতান্ত প্রয়োজনেই আপনাকে নানা কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। এই ব্যস্ততাকে উপেক্ষা করে আমাদের মাঝে এসে আপনি যে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন তা আমরা আজীবন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবো। আমরা আশা করবো, আপনার শ্রম, আপনার আন্তরিকতা, আপনার কর্ম  জাতীয় প্রয়োজনে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করবে। সেই সাথে আপনি বার বার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন বলে প্রত্যাশা।

    পরিশেষে মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আপনার সুস্থ, সুন্দর জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

    বিনয়াবনত,
    ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ।

    তারিখ:
    ২৮ কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ১৩ নভেম্বর, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ।

    🇧🇩 প্রফেসর ডক্টর মোঃ শাহ আলম 🇧🇩
    (সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত)
    প্রফেসর  ড. মোঃ শাহ আলম  পিতা: মোছলেহ উদ্দিন আহমেদ, মাতা: মোছাম্মৎ জাহিদা খাতুন। মাননীয় অধ্যক্ষ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ। গত ৪ মার্চ ২০২১ সালে অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি লাভ করেন।  তিনি ২৮ ডিসেম্বর ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার  উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। চন্দ্রপুর সরকারি প্রাঃ বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপান্তে কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। উক্ত বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৫ সালে নিন্ম মাধ্যমিক স্কলারশিপ এবং ১৯৭৮ সালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মানবিক বিভাগ থেকে মেধা তালিকায়  ১২তম স্থান দখল করে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

    ১৯৮০ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে একই বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা বোর্ডে  মেধা তালিকায় ১৮তম স্থান অর্জন করে উত্তীর্ণ হন।
    অতঃপর ১৯৮৩ সালে কৃতিত্বের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স এবং ১৯৮৪ সালে একই বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।

    পড়াশোনা শেষে ১৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উক্তীর্ণ হয়ে সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার এ ইংরেজি বিষয়ের লেকচারার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।

    ২০১৪ সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Mysticism in John Donne and Lalon Shah: A Comparative Study, এর উপর গবেষণা ও থিসিস করে পি.এইচ.ডি. এওয়ার্ড লাভ করেন।

    স্ত্রী, কম্পিউটার প্রকৌশলী দুই ছেলে এবং  মেডিক্যাল শিক্ষার্থী একমাত্র মেয়েকে নিয়ে অনাবিল সুখময় সংসারের এক সারথি।
    [এস এম শাহনূর প্রণীত]

    মানপত্র

    শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহি কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থী প্রফেসর ড. মোঃ শাহ আলম এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদোন্নতিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

    হে মহান অতিথি:
    আপনার শুভাগমনে শতাব্দী প্রাচীন কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা আজ আনন্দে উদ্বেলিত।  আপনাকে কাছে পেয়ে আমাদের  হৃদয় আঙিনায় দারুণ প্লাবন। আমাদের দুচোখ ভরা সোনালি স্বপ্ন। আমাদের অগ্রজ হিসেবে অনেকেই আজ শত ক্রোশ দূরে থেকেও আপনার মত মহান কর্মীকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে। তাদের অনুজ হিসেবে আমরাও আপনার প্রতি পরম শ্রদ্ধায় অবনত। আপনি আমাদের প্রাণঢালা অভিনন্দন গ্রহণ করুন।

    হে বরেণ্য শিক্ষাবিদ:
    আপনার আলােকশিখা সবার অন্তরে জ্বালাবে জ্ঞানের প্রদীপ। সেই আলােয় আলােকিত হব আমরা, হবে সমাজ ও দেশ। শিক্ষা সংস্কৃতির পাদপীঠ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সুযোগ্য অধ্যক্ষ হিসেবে আপনার অভিষেক সকল যজ্ঞেশ্বরিয়ানকে ধন্য ও গৌরবান্বিত করেছে।আপনার চলার পথ হােক কুসুমকোমল।  আপনার মতাে সৎ, একনিষ্ঠ ও যােগ্য ব্যক্তির পরিচালনা একান্ত প্রয়ােজন।আপনার প্রেরণা ও কর্মচাঞ্চল্য নতুন প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরে দেবে কলেজ আঙিনা।  আলােকিত সমাজ নির্মাণে আপনার অবদান যেন চিরস্মরণীয় থাকে, এটা আমাদের একান্ত কামনা।

    হে আধ্যাত্মিক গবেষক:
    ইংল্যান্ডের বিখ্যাত মেটা ফিজিক্যাল পোয়েট জন ডান ও ফকির লাল শাহের আধ্যাত্মিক জীবনের তুলনামূলক পাঠ ও গবেষণা আপনার জীবনকে করেছে সুষমা মন্ডিত। এ গবেষণার মাধ্যমে কণ্টকাকীর্ণ জীবনকে করেছেন পুষ্পিত। আপনার জ্ঞান ও প্রজ্ঞার রশ্মিতে পথহারা পথিক ফিরে পাক সঠিক পথের সন্ধান। পৃথিবী হোক আলোকিত এ প্রত্যাশা সতত।

    হে শিক্ষাগুরু,
    নবীনদের অন্তরে শিক্ষার আলো জ্বালাবার মহান দায়িত্ব নিয়ে একদিন যে পথে আপনার যাত্রা শুরু হয়েছিল; আপনি সে পথের দ্বার প্রান্তে উপনীত হয়েছেন। কিন্তু এর মাঝে জ্বালিয়ে যাচ্ছেন অগণিত অন্তরে জ্ঞানের স্নিগ্ধ আলো। মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে সুনিপুণ হাতে গড়ে তুলেছেন অগণিত জ্ঞানের আধার। আপনার প্রদত্ত জ্ঞান ও শিক্ষা নদীর জলধারার মতো শিক্ষার্থীদের মন ও মানসকে করেছে সরস ও উর্বর। তাই রবীন্দ্রনাথের ভাষায় আমাদের কণ্ঠ থেকে আজ অবলীলায় উচ্চারিত হচ্ছে:
    “কত রাজ্য, কত রাজা, গড়িছ নীরবে
    হে পুজ্য, হে প্রিয়
    একত্বে বরন্যে তুমি, শরন্যে এককে”

    হে নিরলস যজ্ঞেশ্বরিয়ান:
    জীবনের দীর্ঘ পরিক্রমায় বহু প্রতিষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্ব পালনে আপনি ছিলেন নিরলস কর্মী। তাইতো আপনার প্রতিটি দিন হয় কর্মমুখর। নিজ দায়িত্বের প্রতি আপনি কর্তব্যনিষ্ঠ। আপনার কর্তব্যনিষ্ঠার সুবাদে বহু শিক্ষার্থী সত্যিকার জ্ঞানের যে সন্ধান পেয়েছে, তা আলোকবর্তিকা হয়ে ভবিষ্যতে জাতিকে পথ দেখাবে। আপনার স্নেহ  ও সুশাসন শিক্ষার্থীদের স্মৃতিপটে চির ভাস্বর হয়ে বিরাজ করবে।শিক্ষার্থীদের হৃদয় মন্দিরের বেদীমূলে জ্ঞানের যে অম্লান দীপ শিখা জ্বালিয়েছেন তা অভূতপূর্ব। আপনার স্নেহচ্ছায়া জ্ঞানের দীপ্তিতে উজ্জ্বল হব আমরা। অবক্ষয়-জীর্ণ সমাজএকদিন হয়ে উঠবে আলােকোজ্জ্বল।

    হে মহান:
    আপনি থাকবেন আমাদের অন্তরের মনিকোঠায়,আপনার আদর্শের চুড়াপটে,স্মৃতির চির-জাগরুক বুকে এবং প্রতিদিনের প্রার্থনায়।আপনি দীর্ঘজীবী ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারি হোন। আপনার পরিবারের সবার জন্য রইল আমাদের তরফ থেকে হেমন্তের শীতল বাতাসের আদ্রতায় বসন্তের ফুলেল শুভেচ্ছা। আপনার জীবন হয়ে উঠুক সুখময় ও কল্যাণময়।

    বিনয়াবনত,
    ব্রাহ্মণবাড়িয়াস্থ কাইতলা যজ্ঞেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী পরিষদ।

    তারিখ:
    ২৮ কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ১৩ নভেম্বর, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম