• শিরোনাম


    এরদোগানের কঠোর সমালোচনায় সৌদি আরবের মিডিয়া।

    | ২২ মার্চ ২০১৯ | ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ

    এরদোগানের কঠোর সমালোচনায় সৌদি আরবের মিডিয়া।

    তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগানের কঠোর সমালোচনায় নেমেছে সৌদি আরবের মিডিয়া। গত সপ্তাহে ক্রাইস্টচার্চে হামালার ঘটনায় এরদোগানের বক্তব্যকে ‘নীচ’, ‘আক্রমণাত্মক’ ও ‘বেপরোয়া’ বলে বর্ণনা করেছে বিন সালমানের ভাই তুর্কি বিন সালমান আল সৌদের মালিকানাধীন সংবাদ মাধ্যম আরব নিউজ। তাতে ডাইনোসরের সঙ্গে এরদোগানের ছবি ব্যবহৃত হয়। ঐ ছবিটি আঙ্কারার একটি পার্ক উদ্বোধনের ছবি – যাতে তার পেছনে ডাইনোসরের ছবি ছিলো।

    মঙ্গলবার ক্রাইস্টচার্চে দু’ মসজিদে হামলার ঘটনায় জোরালো প্রতিবাদ করেছিলেন এরদোগান। তিনি একে পার্টির নির্বাচনী সমাবেশে নিউজিল্যান্ডকে মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন: নিউজিল্যান্ড তাকে শাস্তি দিতে না পারলে, তুরস্ক তার শাস্তি দেবে। তুরস্কের মুসলমান-বিদ্বেষী অস্ট্রেলিয়ানদের গালিপোলিতে তাদের পূর্বপুরুষের মতো কফিনে ফেরত পাঠানো হবে।



    এরদোগানের বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে অস্ট্রেলিয়া সমন জারি করেছে ক্যানবেরায় থাকা তুর্কি রাষ্ট্রদূতকে। এছাড়া, নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে আঙ্কারায় গিয়ে ফেস টু ফেস কথা বলবে বলেও জানানো হয়েছে।

    কিন্তু রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশ্লেষকরা বলেছেন, এরদোগানের এমন বক্তব্য মুসলমানদের নেতৃত্ব বহন করে না।

    ড. হামদান আল-শেহরি বলেছেন: এরদোগান একজন প্রোপাগান্ডিস্ট (উদ্দেশ্যমূলক প্রচারণাকারী) ও আনপ্রেডিক্টিবেল (অনিশ্চিত) রাজনীতিবিদ। তিনি এ ধরনের জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছেন নির্বাচনে জয় লাভের জন্যে। একজন রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে তিনি অনপযুক্ত আচরণ করেছেন। কোনো রাষ্ট্রপতি কি এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করেন এবং এ ধরনের মন্তব্য করেন?

    এরদোগান বলেন যে, ১৯১৫ সালে গ্যালিপলি উপদ্বীপ থেকে বৃটিশ ঔপনিবেশিক বাহিনী তাদের রাশিয়ান মিত্রদের মুক্ত করার প্রচেষ্টায় ছিলো। এ হামলাটি ছিলো একটি সামরিক দুর্যোগ। এতে ১১ হাজারের বেশি অসি ও কিউই সেনাকে হত্যা করা হয়েছিলো।

    উভয় দেশের হাজার হাজার মানুষ যুদ্ধ স্মৃতিসৌধের জন্যে প্রতি বছর তুরস্ক ভ্রমণ করেন। ২৫শে এপ্রিলকে আনজাক দিবস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই পরিবেশে তুরস্কের প্রেসিডেন্টর বক্তব্য অস্ট্রিলিয়ার জন্যে ব্যাপক আক্রমণাত্বক ও বেপরোয়া বলে মন্তব্য করেছেন অসি প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। এ ঘটনায় ক্ষমা প্রকাশ করতে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছেন তিনি। তিনি বলেন: আমি আশা করছি এ ধরনের বক্তব্য পরিস্কার বা প্রত্যাহার করতে।

    নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন বলেছেন: এরদোগানের এমন বক্তব্যে সরাসরি ব্যাখ্যা জানাতে।

    সূত্র: আরব নিউজ।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১
    ১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
    ১৯২০২১২২২৩২৪২৫
    ২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম