• শিরোনাম


    উদ্যোক্তা অর্থনীতির বিকাশে ব্যাংকের ভূমিকা দরকার: প্রফেসর ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী

    | ০৭ জুলাই ২০১৯ | ২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

    উদ্যোক্তা অর্থনীতির বিকাশে ব্যাংকের ভূমিকা দরকার: প্রফেসর ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী

    দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে চলছে। চলতি অর্থ বছরের (২০১৯-২০) বাজেটে ব্যাংকসমূহের সঙ্কট কাটিয়ে তোলার লক্ষ্যে ছয়টি পদ্ধতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতির এ বিকাশে উদ্যোক্তা অর্থনীতি হতে পারে উন্নয়নের হাতিয়ার। এ কারণে কোন অপ্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো রোল মডেল হিসেবে কাজ করবে তা নয় বরং ব্যাংকিং খাতকে প্রোএ্যাকটিভ ভূমিকা পালন করতে হবে। ব্যাংকসমূহ যদি মনে করে থাকে, তারা কস্টকাটিং টেকনিক ব্যবহার করবেন না, বরং জনগণের সঞ্চিত অর্থকে বিভিন্ন কায়দায় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, মোটা অঙ্কের বেতন ভাতাদিসহ অপারেটিং কস্ট এবং এ্যাডমিনেস্ট্রেটিভ কস্ট হিসেবে খরচ করবে তখন এটি এক ধরনের অন্যায় বৈকি। সরকার প্রধানের আন্তরিক নির্দেশ সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ ও সঞ্চয়ের সুদের হার করা সম্ভব হয়নি। এবারের বাজেটে এ ব্যাপারে নির্দেশ রয়েছে যাতে সিঙ্গেল ডিজিটে সুদের হার করা হয়। এখন দেখা দরকার এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক কতটুকু নির্দেশ বাস্তবায়ন কার্যকর হয়। কেননা যে কোন ধরনের নির্দেশনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক রেগুলেটর হিসেবে সক্ষমতা প্রদর্শন করতে হবে।

    চলতি বাজেটে যে সব পদক্ষেপ রয়েছে সেগুলো হচ্ছে : পর্যায়ক্রমে ব্যাংকের অথরাইজড এবং পেইড আপ ক্যাপিটেল বৃদ্ধি করা, ব্যাংকিং কোম্পানি এ্যাক্টের সংশোধনী করে ব্যাংক ব্যবস্থাপনার মান উন্নয়ন করা, সকল কোম্পানির রাজস্ব ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা যাতে ভ্যাট, কাস্টমস এবং আয়কর যথাযথভাবে দেশের প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়। ব্যাংকিং কোম্পানি এ্যাক্টের যে পরিবর্তন আনা হবে তাতে একীভূতকরণ, মার্জার এবং অধিগ্রহণের মতো ব্যবস্থা থাকা দরকার ছিল। ফারমার্স ব্যাংক যদি কোন ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করা হতো তাহলে ভাল হতো। যদিও ফারমার্স ব্যাংকটির নাম এখন পদ্মা ব্যাংকে পরিণত হয়েছে। অনেকদিন ধরে ইচ্ছেকৃত ঋণ খেলাপীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারিত হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ব্যাংকারদের একাংশ এমনভাবে মামলা সাজায় তাতে মামলার মেরিট দুর্বল হয়ে পড়ে। এ বিষয়টির জন্যে তাদের অজ্ঞতা অথবা অন্য কোন কারণ থাকতে পারে। কেউ যদি ঋণ খেলাপী হয় তার জন্য কোন এক্সিটের ব্যবস্থা না থাকায় এ ব্যাপারে উদ্যোগ রাখা হয়েছে। আসলে এদেশে ঋণখেলাপী সংস্কৃতি শুরু করেন জিয়াউর রহমান এবং তার উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং শিল্পমন্ত্রী। তাদের দু’জন তখন থেকে যে ধরনের ঋণখেলাপী সংস্কৃতি গড়ে তুলেছিলেন তার বলয় এরশাদ ও বিএনপি-জামায়াত আমলে বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। যদিও ১৯৯৭ সালে দেউলিয়া আইন ঘোষণা করা হয়েছিল- মাত্র একটি কোম্পানিকে এ আইনের অধীনে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়। দেউলিয়া আইনটি যদি বিএনপি-জামায়াত সরকার ঠিকমতো কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিত তবে দেউলিয়া প্রতিষ্ঠান ঋণ পেত না। এ জন্য চলতি বাজেটে বলা হয়েছে যে, দেউলিয়া আইনের মাধ্যমে ঋণ গ্রহীতাদের জন্য এক্সিট প্ল্যান থাকার ব্যবস্থা নেয়া হবে। বাজেটে ব্যাংকিং কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে। ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দীনের মতো ব্যক্তিত্বকে যদি ব্যাংকিং কমিশনের দায়িত্ব দিয়ে তার সুপারিশমালা বাস্তবায়ন করা যায়, তবে ব্যাংকিং সেক্টরের সমস্যাসমূহ কেটে যাবে। কেননা ব্যবসা করতে গেলে উত্থান পতন হবে- সেটিকে ধরে না বসে বরং কিভাবে কার্যকর করা যায় সেজন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। নচেৎ প্রায়োগিক কৌশল যদি ঠিকমতো বাস্তবায়ন না হয় তাহলে সমস্যা অব্যাহত থাকতে পারে। এটি তো সত্য যে, ব্যাংক স্বল্পকালীন সঞ্চয় সংগ্রহ করে তার বিপরীতে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ দেয়।



    দৈনিক জনকণ্ঠের ৩০ জুন, ২০১৯ এ প্রকাশিত রিপোর্টে দেখা যায়, মূলধন ঘাটতি মেটাতে ব্যর্থ হয়েছে ১০টি ব্যাংক এবং ঘাটতির পরিমাণ হচ্ছে ১৮ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা। তবে আশার কথা হলো, পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় ঘাটতির পরিমাণ কিছুটা হলেও কমেছে। ব্যাসেল-৩ অনুসারে মূলধনের সংস্থান করতে হয়। ব্যাসেল-৩ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে ব্যাংকের মূলধন পর্যাপ্ততা স্ট্রেজ টেস্টিং, বাজারে লিকুইডিটির ঝুঁকি।

    এদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় আরও বেশি করে ঝুঁকিমুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাংকগুলোকে স্বপ্রণোদিত হয়ে কাজ করতে হবে। নচেৎ দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বর্তমানে সরকার যে সব যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় কিছুটা হলেও সমস্যার উদ্রেক করতে পারে। ব্যাংকিং সেক্টর হচ্ছে ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক ধরনের নিউক্লিয়াস স্বরূপ। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণে বর্তমানে ৪৪% এর অধিক লোক যারা ব্যাংকিং সেবার বাইরে রয়েছে। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠাকালে বঙ্গবন্ধু প্রথম যে উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য স্থাপন করেছিলেন সেটি হচ্ছে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা। বঙ্গবন্ধুর সাড়ে তিন বছর শাসনকালে ব্যাংকগুলো অত্যন্ত দক্ষভাবে পরিচালিত হচ্ছিল। তার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর জিয়াউর রহমান এবং তার দোসররা ব্যাংকিং খাতে সুচতুরভাবে ঋণখেলাপীর বীজ বপন থেকে বিষবৃক্ষ তৈরি করেন। তবে কখনও খেলাপী ঋণ গ্রহীতারা কোন বড় ধরনের শাস্তির সম্মুখীন হননি। বরং যে মাফিয়া নেক্সাস সেদিন তারা গড়ে তুলেছিলেন তা ক্রমবর্ধমানহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এদিকে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে উদ্যোক্তা শ্রেণী তৈরির জন্য সরকার বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নিলেও ব্যাংকারদের মধ্যে এক ধরনের শৈথিল্য প্রদর্শিত হয়েছে। তারা সব সময়ে তেলা মাথায় তেল দিতে চেয়েছে। একটি ১৬.৮ কোটি লোকের দেশে গত সাড়ে দশ বছরে অর্থনীতির আকার ও পরিধি বেড়েছে। ধনী শ্রেণীর বৃদ্ধির হারও অনেক বেশি। কিন্তু ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় শৈথিল্য প্রদর্শিত হয়েছে। এদেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যালয় ঢাকা কেন্দ্রিক। ফলে এক ধরনের ‘রেড ওশান’ তত্ত্বের মতো হানাহানির সঞ্চার হয়েছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকিং জানা দক্ষ ব্যাংকারের অভাব দেখা দিয়েছে। বরং ভূঁইফোড় প্রতিষ্ঠানের মতো ডিগবাজি দিয়ে ব্যবসা ধরার কলাকৌশল রপ্ত করতে গিয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহক সেবার মান নিচে নেমে গেছে। আবার গ্রাহকের কাছ থেকে হিডেন চার্জ কাটার প্রক্রিয়াও বেড়ে গেছে। ব্যাংকে কখন, কি কারণে কিভাবে টাকা কাটছে তার কোন সঠিক তথ্যও গ্রাহককে জানাতে কসুর করে না।

    দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলেও এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্যাপ্ত উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে না। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর বড় ভূমিকা রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোন প্রতিফলন নেই। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখছে না বাংলাদেশ ব্যাংক ও দীর্ঘকাল ধরে উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারছে না। ব্যাংকের ঋণের সুদের হার অবশ্যই সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে।

    এদেশের সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত। অথচ ঢাকায় অবস্থানের ফলে ছোট বাজারে নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি না হয়ে বরং একই উদ্যোক্তা গ্রুপকে কিংবা শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীকে নিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক টানাটানি করে। অথচ বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকার ফলে ক্রাউডিং আউট এফেক্ট (Crowding out effect) হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তাই তো কাল বিলম্ব না করে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাঙ্গামাটি নোয়াখালী, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় বিকেন্দ্রীকরণ করা দরকার। তাহলে নতুন বাজার, নতুন শিল্পায়ন এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিক বিনিয়োগের পাশাপাশি তরুণ শিক্ষিত বেকার এবং মহিলাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা দরকার। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংককে ভাবতে হবে- প্রয়োজনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা প্রয়োজন।

    এদিকে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কে ক্ষুদ্র বিনিয়োগে রূপান্তরের জন্য কমিউনিটি ব্যাংকিং স্থাপন করতে হবে। এ জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, গ্রামাঞ্চলে ডাকঘর, কর্মসংস্থান ব্যাংকসহ বিভিন্ন স্থানে কমিউনিটি ব্যাংকিং স্থাপনের জন্য আলাদা রেগুলেটর দরকার। কেননা প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের মাধ্যমে সামাজিক পুঁজি গঠনের যে নির্দেশনা দিয়েছিলেন তা অনুসরণ করে দীর্ঘদিন পড়াশোনা করে দেখেছি, নেত্রীর নির্দেশনা কাজে লাগাতে হলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার দরকার। সমাজের যে ৪৪% লোক এখনও ব্যাংকিংয়ের আওতায় আসেনি তাদের জন্য কমিউনিটি ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার দরকার। দশ টাকা দিয়ে হিসাব খুলে বছরের পর বছর ফেলে রেখে সেখানে কোন ধরনের ট্রানজেকশনের ব্যবস্থা যারা করেনি তাদের আসলে মানবিক ব্যাংকিংয়ের নামে বড় বড় বুলি আওড়ানোই সার।

    দেশে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব খাতে সুন্দরভাবে কাজে লাগানোর প্রয়াস গ্রহণ করেছেন। এটিকে বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যই ব্যাংকিং সেক্টরকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়াতে হবে। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জোসেফ স্টিগলীজসহ অনেক অর্থনীতিবিদই বলেছেন যে, উন্নত বিশ্বে প্রবৃদ্ধি বাড়ছে কিন্তু কর্মসংস্থান কমে যাচ্ছে। এ জন্য বাংলাদেশেরও উচিত উন্নত বিশ্বের অভিঘাত বিবেচনায় এনে কর্মমুখী প্রবৃদ্ধির ব্যবস্থা করা- যার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে শক্তিশালী হতে হবে।

    প্রাজ্ঞ অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দীন প্রত্রিকান্তরে বেশ কিছু সুপারিশমালা ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নের জন্য সুপারিশ করেছেন। আমার মনে হয় বৃহত্তর স্বার্থে ব্যাংকিং খাতে তার সুপারিশ অনুসারে অনতিবিলম্বে সোমবার থেকে শুক্রবার কর্মদিবস পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তাহলে আমরা বৈশ্বিক কর্মসূচীর তুলনায় পিছিয়ে থাকব না। নচেৎ ব্যাংকিং খাতে অনেক সময় তিনদিনের যে খধমমরহম হয় তা বৈদেশিক বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। দেশের যে এগিয়ে যাওয়া সে ক্ষেত্রে ব্যাংককে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

    সরকারী ব্যাংক হয়েও বেসরকারী ব্যাংকের চেয়ে বেশি চার্জ নিয়ে থাকে জনতা ব্যাংক। একটি উদাহরণই যথেষ্ট- জনতা ব্যাংকে সলভেন্সি সার্টিফিকেটের জন্য ভ্যাট ছাড়া নেয় ৫০০ টাকা আর পূবালী ব্যাংক নেয় ৩০০ টাকা। সব ব্যাংকের চার্জেস সিডিউল পর্যালোচনা করে দেখা বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে থাকে। নচেৎ গ্রাহকরা উচ্চমূল্যে সেবা কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিকে কৃষি ঋণ আরও অধিকহারে প্রতিটি ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণের ব্যবস্থা করতে হবে। বৈদেশিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

    দেশের উন্নয়নে বর্তমান সরকার অনেক কর্মকান্ড গ্রহণ করেছে। এ কাজগুলো সমর্থক হিসেবে ব্যাংকিং সেক্টরকে কাজ করে যেতে হবে। নচেৎ দেশের যে উন্নয়নযজ্ঞ সাড়ে দশ বছর ধরে চলে আসছে তা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ব্যাংকিং খাতে যারা ঋণ নেবেন, তাদের মধ্যে যারা উদ্যোক্তা তাদের জন্য ঋণ দেয়ার সময়ে প্রশিক্ষণ এবং পরবর্তী সময়ে বিনিয়োগ পণ্য বাজারজাতকরণ ও বিপণনে সার্ভিস চার্জ নিয়ে সহায়তা করতে হবে। আবার ভেঞ্চার ক্যাপিটেলের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। ক্রাউড ফান্ডিং এবং এঞ্জেল ইনভেস্টার তৈরিতে বিশেষ প্রণোদনা দিতে হবে। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স উদ্যোক্তা অর্থনীতির পাঠ ও পঠনের যে কেন্দ্রবিন্দুতে আজ পরিণত হয়েছে সেখানে সরকারের আর্থিক অনুদান দরকার।

    লেখক : শিক্ষাবিদ ও অর্থনীতিবিদ

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম