• শিরোনাম


    আল্লাহ তা’য়ালার ভালবাসা লাভের মাস মাহে রমজান [] মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান

    লেখকঃ মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি | ১৭ মে ২০২০ | ১১:৪৭ অপরাহ্ণ

    আল্লাহ তা’য়ালার ভালবাসা লাভের  মাস মাহে রমজান [] মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান

    বিদায়ের পথে মাহে রমজান,আর অল্প মাত্র কয়েকটি দিন আমাদের মাঝে মেহমান হয়ে থাকবে মাহে রমজান।এই মাস এবাদত বন্দেগীর মাস।অধিকহারে এবাদত করার মাধ্যমে রমজান মাসের সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

    এ-ই মাসে একটি নফল এবাদত করা হলে একটি ফরজের সমতূল্য সওয়ার দান করা হয়। আর একটি ফরজ এবাদত করিলে সত্তরটি ফরজ এবাদতের সমমান নেকী প্রদান করা হয়।
    রমজান মাস কুরআন নাযিলের মাস।তাই এই মাসে যতটা সম্ভব কুরআন তেলাওয়াতে কাটানো উচিত।



    রাসুলুল্লাহ (সাঃ)রমজান মাসে হজরত জিবরাইল (আঃ)কে কুরআন তেলাওয়াত করে শোনাতেন, আর হজরত জিবরাইল (আঃ)কুরআন তেলাওয়াত করে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)কে শুনাইতেন। সাহাবায়ে কেরামগণ ও রমজান মাসে অধিক হারে কুরআন তেলাওয়াতে মশগুল থাকতেন।

    আমাদের ইমাম, ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)রমজান মাসে তেষট্টি বার কুরআন খতম আদায় করতেন।
    রাসুলুল্লাহ( সাঃ) এরশাদ করেন, রমজান মাস পেয়েও যারা নিজেদের গুনাহ ক্ষমা করিয়ে নিতে পারলোনা তাদের মতো হতভাগা এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই।
    রমজান মাস আল্লাহর ওলি হওয়ার এক বিশেষ ট্রেনিংএর মাস। আল্লাহতায়ালার ভালবাসা লাভ করার মাস মাহে রমজান।

    রোজা অবস্থায় শুধু পানাহার, স্ত্রী সম্ভোগ থেকে বিরত থাকলেই চলবেনা, বরং চোখকে হেফাজত করতে হবে হারাম দৃষ্টি থেকে, কানকে হেফাজত করতে হবে হারাম গানবাজনা থেকে,মুখকে হেফাজত করতে হবে মিথ্যা কথা বলা থেকে,হাতকে হেফাজত করতে হবে হারাম বস্তুর স্পর্শ থেকে, পা কে হেফাজত করতে হবে হারাম পথে চলা ফেরা থেকে।
    এইভাবে নিজের প্রত্যেকটা অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে রোজার আওতায় নিয়ে আসতে হবে, তাহলে ই একজন রোজাদার ব্যক্তির রোজা রাখার সার্থকতা বয়ে আনবে।

    রোজা রেখে মিথ্যা কথা বলা , গীবত করা, হারাম খাদ্য গ্রহণ থেকে ও নিজেকে হেফাজত রাখতে হবে।
    আল্লাহতায়ালার প্রিয় বন্ধু ও ভালবাসার পাত্র হতে হলে মাহে রমজানকে পরিপূর্ণরুপে কাজে লাগাতে হবে।
    চলছে মাহে রমজানের শেষ দশক। রাসুলুল্লাহ (সাঃ)মাহে রমজানের শেষ দশকে সবকিছু ছেড়ে এবাদতে মশগুল থাকতেন।
    শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিতে ই রয়েছে পবিত্র লাইলাতুলকদর। যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।

    তাই আসুন, আর অবহেলা না করে মাহে রমজানের যে কয়েকটি দিন আমাদের মাঝে রয়েছে তার যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করি এবাদত বন্দেগী আর কুরআন তেলাওয়াতে। এছাড়াও যতটা সম্ভব অন্যান্য এবাদতে অতিবাহিত করি।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম