• শিরোনাম


    আল্লামা মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তেকালে আল্লামা বাবুনগরীর শোক প্রকাশ

    হাবিব আনওয়ার, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি | ১৯ মে ২০২০ | ৫:৪৩ অপরাহ্ণ

    আল্লামা মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তেকালে আল্লামা বাবুনগরীর শোক প্রকাশ

    দারুল উলুম দেওবন্দের শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব ও হাটহাজারী মাদরাসার সহযোগী পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

    আজ ১৯ মে মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক শোকবার্তায় আল্লামা বাবুনগরী বলেন,আল্লামা পালনপুরী রহ. অনেক উঁচু মাপের একজন আলেম ও বুজুর্গ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ছিলেন ইলমী অঙ্গনের একটি উজ্জল নক্ষত্র,প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ। তার দারস-পাঠদান ছিলো অত্যন্ত জনপ্রিয় ও চিত্তাকর্ষক এবং তথ্যপূর্ণ। ইলমী অঙ্গনে কঠিন বিষয়কে সহজভাবে উপস্থাপনার জন্য তার বিশেষ প্রসিদ্ধি রয়েছে। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি দেওবন্দের শাইখুল হাদিস পদে সমাসীন ছিলেন। তার ইন্তেকালে ইলমাকাশের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র ঝরে পড়েছে। তাঁর ইন্তেকালে ইলমী অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে তা কভু পূরণ হবার নয়। লেখালেখীর ময়দানেও অসাধারণ খেদমত করে গেছেন তিনি। বিভিন্ন বিষয়ে ছোট বড় প্রায় পঞ্চাশের কাছাক কিতাব রচনা করেছেন তিনি। আমি তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত।



    স্মৃতিচারণ করে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, ১৯৮০ সালে দারুল উলুম দেওবন্দের সদ সালা (শতবার্ষিকী) অনুষ্ঠানে আমার আব্বাজান মেশকাত শরীফের বিশ্ববিখ্যাত ব্যখ্যা গ্রন্থ তানজিমুল আশতাতের রচয়িতা আল্লামা আবুল হাসান রহ. এর সাথে আমিও শরীক হয়েছিলাম। সে সময় তিনি আমার আব্বাজান রহ. এর রচিত তানজিমুল আশতাত কিতাবের খুব বেশী প্রশংসা করেছিলেন। কিতাবটিকে তিনি অনেক পছন্দ করেছিলেন। তাঁর বাসায় আব্বাজান ও আমাকে নিমন্ত্রণ করে অনেক আপ্যায়ন করেছিলেন। তাঁর আতিথেয়তায় আমরা সেদিন মুগ্ধ হয়েছিলাম।

    অতপত: আমার স্বরচিত কিতাব ইসলাম আওর সাইন্স এবং আত-তাওহিদ ওয়াশ শিরক ওআকসামুহুমা কিতাব দুটি তার নিকট পাঠিয়েছিলাম। কিতাব দু’টি পাঠ করে তিনি অত্যন্ত মুগ্ধ হয়ে বলেছিলেন-
    আমি মনে করতাম জুনায়েদ বাবুনগরী সাহেবের উর্দূ ভাষায় দক্ষতা আছে কিন্তু এখন আরবী ভাষায় লিখিত” আত তাওহিদ ওয়াশ শিরক কিতাবটি পড়ে বুঝতে পারলাম আরবী ভাষায়ও অসাধারণ দক্ষতা ও পাণ্ডিত্য রয়েছে। এবং ইসলাম আওয়ার সাইন্স কিতাবে তিনি অত্যন্ত মূল্যবান তাকরিয
    (অভিমতও) লিখেছিলেন। যা প্রকাশ হয়েছে।

    স্মৃতিচারণ করে আল্লামা বাবুনগরী আরো বলেন-গত ৪ ঠা আগস্ট ২০১৯ ইংরেজীর রবিবারে আমার মুহতারামাহ আম্মাজান ইন্তেকাল করলে তিনি এ সংবাদ পেয়ে ছাত্রদেরকে নিয়ে একনিষ্ঠভাবে আম্মাজানের জন্য মাগফিরাত ও দারাজাত বুলন্দির জন্য দুআ করেছিলেন।

    পরিষেশে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী মরহুমের শোক সন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, মহান প্রভুর দরবারে আমি দুআ করি, আল্লাহ তাআলা তাঁর সকল দ্বীনি খেদমতকে কবুল করুন এবং ত্রুটি-বিচ্যুতি ক্ষমা করে জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করুন,আমিন।

    Facebook Comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম