• শিরোনাম


    আদর্শ সমাজ গঠনে ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই -মাওলানা কাওসার আহমদ যাকারিয়া

    লেখক: মাওলানা কাওসার আহমদ যাকারিয়া | ০৯ মার্চ ২০২০ | ৫:২২ পূর্বাহ্ণ

    আদর্শ সমাজ গঠনে ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই   -মাওলানা কাওসার আহমদ যাকারিয়া

    ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই
    _মাওলানা কাওসার আহমদ যাকারিয়া।

    দেশের প্রচলিত একটি প্রবাদবাক্য যে- শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, তার সঙ্গে আরেকটি বাক্য সংযুক্ত হয়েছে- শিক্ষা জাতির প্রাণ।
    মেরুদণ্ডহীন মানুষ যেমন বাচতে পারেনা। ঠিক তদ্রূপ- শিক্ষা ছাড়া মানুষ আলোকিত হতে পারেনা। শিক্ষাই আলো।



    পাশ্চাত্যের শিক্ষা, মানব রচিত শিক্ষা, কখনো
    জাতির মেরুদণ্ড হতে পারেনা। আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষা, ইসলামী শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড।

    আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে সৃষ্টি করে শিক্ষা অর্জনের যোগ্যতাও দিয়েছেন, মানুষ যেন প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে সঠিক পথের সন্ধান পায়। অন্ধকার থেকে আলোকিত হয়, ভাল-মন্ধ বুঝতে সক্ষম হয়।
    প্রকৃত শিক্ষার জ্ঞান অন্বেষণ না করলে মানুষ অমানুষে পরিণত হয়।

    বিশ্বের মানচিত্রের দিকে দৃষ্টিপাত করলে দেখাযায়- ইউরোপ, আমেরিকা, বৃটেনের মতো রাষ্ট্রগুলোতে রাষ্ট্রপ্রধান শিক্ষার গুরুত্বপরিমাপ করে রাষ্ট্রীয় আইনজারি করেন। তাদের দেশে অশিক্ষিত থাকতে পারবেনা। যদি কোনো পিতা-মাতা সন্তানকে স্কুলে ভর্তি না করেন তাহলে সন্তানকে শিক্ষা থেকে বন্চিত করার অপরাধে সরকার পিতা-মাতাকে গ্রেফতার করে সন্তানকে রাষ্ট্রীয় খরচে শিক্ষার পাঠদান দিয়ে থাকে।
    তাদের দেশে শতকরা ৯৯% এমনকি ১০০% শিক্ষিত। লক্ষণিয় বিষয় হচ্ছে- এত বেশি পরিমাণ শিক্ষিত হওয়ার পরেও আইয়্যামে জাহেলিয়াতকে হারমানায়।
    মূলকারণ হচ্ছে- পাশ্চাত্যের শিক্ষা আলোকিত করতে পারেনা।
    মুসলমান যতই জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হোক না কেন, মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ করা অপরিহার্য। ধর্মীয় শিক্ষা না থাকলে মানুষ যেন মানুষ নয় পশুত্বে রুপান্তরিত হয়।

    বাংলাদেশের একজন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন পাশ্চাত্তীয় জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত এমনকি উচ্চপর্যায়ে বিশেষ ডিগ্রীলাভ করেও মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষার অভাবে তসলিমা মুরতাদ-কাফের হয়, দেশত্যাগ করতেও বাধ্যহয়।
    যা ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ।
    এমনকি বাংলাদেশের ড.আহমদ শরীফ,দাউদ হায়দার,কবি শামসুর রহমান জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত বিশেষ ডিগ্রিধারীরাও ধর্মীয় শিক্ষা না থাকার কারণে মুরতাদ-কাফের বেইমানে পরিণত হয়। যাকে জ্ঞান পাপী বলে।

    মুসলমান যতই আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হোক, পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন অতিপ্রয়োজনীয়। শিক্ষা দুই প্রকার। (১) মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষা যথা: কুরআন-হাদিসের ইলম-জ্ঞান। (২) জাগতিক শিক্ষা যথা: জেনারেল শিক্ষা।
    প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও নারী উভয়ের উপর ইলমেদ্বীন শিক্ষা করা (ফরজে আইন) বাধ্যতামূলক।
    একজন মুসলমান দৈনন্দিন চলতে যতটুকু ইলম-জ্ঞান অন্বেষণের প্রয়োজন, ঠিক ততটুকু ধর্মীয় ইলম-জ্ঞান শিক্ষা করা (ফরজে আইন) বাধ্যতামূলক।

    ধর্মীয় শিক্ষা এমন এক মূল্যরতন
    দেখাযায়- অপরাধমূলক ঘৃণিত যাবতীয় পাপকাজ থেকে বিরত রেখে আদর্শবান মানুষ তৈরি করেন একমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা।
    আপনি ডাক্তার হোন, ইন্জিনিয়ার হোন, ব্যারেষ্টার হোন, পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা যদি না থাকে, তাহলে শিক্ষার পূর্ণাঙ্গতা মিলবেনা।
    অতএব- ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই।

    দেশের প্রচলিত একটি প্রবাদবাক্য যে- শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড, তার সঙ্গে আরেকটি বাক্য সংযুক্ত হয়েছে- শিক্ষা জাতির প্রাণ।
    মেরুদণ্ডহীন মানুষ যেমন বাচতে পারেনা। ঠিক তদ্রূপ- শিক্ষা ছাড়া মানুষ আলোকিত হতে পারেনা। শিক্ষাই আলো।

    পাশ্চাত্যের শিক্ষা, মানব রচিত শিক্ষা, কখনো
    জাতির মেরুদণ্ড হতে পারেনা। আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষা, ইসলামী শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড।

    আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে সৃষ্টি করে শিক্ষা অর্জনের যোগ্যতাও দিয়েছেন, মানুষ যেন প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে সঠিক পথের সন্ধান পায়। অন্ধকার থেকে আলোকিত হয়, ভাল-মন্ধ বুঝতে সক্ষম হয়।
    প্রকৃত শিক্ষার জ্ঞান অন্বেষণ না করলে মানুষ অমানুষে পরিণত হয়।

    বিশ্বের মানচিত্রের দিকে দৃষ্টিপাত করলে দেখাযায়- ইউরোপ, আমেরিকা, বৃটেনের মতো রাষ্ট্রগুলোতে রাষ্ট্রপ্রধান শিক্ষার গুরুত্বপরিমাপ করে রাষ্ট্রীয় আইনজারি করেন। তাদের দেশে অশিক্ষিত থাকতে পারবেনা। যদি কোনো পিতা-মাতা সন্তানকে স্কুলে ভর্তি না করেন তাহলে সন্তানকে শিক্ষা থেকে বন্চিত করার অপরাধে সরকার পিতা-মাতাকে গ্রেফতার করে সন্তানকে রাষ্ট্রীয় খরচে শিক্ষার পাঠদান দিয়ে থাকে।
    তাদের দেশে শতকরা ৯৯% এমনকি ১০০% শিক্ষিত। লক্ষণিয় বিষয় হচ্ছে- এত বেশি পরিমাণ শিক্ষিত হওয়ার পরেও আইয়্যামে জাহেলিয়াতকে হারমানায়।
    মূলকারণ হচ্ছে- পাশ্চাত্যের শিক্ষা আলোকিত করতে পারেনা।
    মুসলমান যতই জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হোক না কেন, মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ করা অপরিহার্য। ধর্মীয় শিক্ষা না থাকলে মানুষ যেন মানুষ নয় পশুত্বে রুপান্তরিত হয়।

    বাংলাদেশের একজন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন পাশ্চাত্তীয় জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত এমনকি উচ্চপর্যায়ে বিশেষ ডিগ্রীলাভ করেও মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষার অভাবে তসলিমা মুরতাদ-কাফের হয়, দেশত্যাগ করতেও বাধ্যহয়।
    যা ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ।
    এমনকি বাংলাদেশের ড.আহমদ শরীফ,দাউদ হায়দার,কবি শামসুর রহমান জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত বিশেষ ডিগ্রিধারীরাও ধর্মীয় শিক্ষা না থাকার কারণে মুরতাদ-কাফের বেইমানে পরিণত হয়। যাকে জ্ঞান পাপী বলে।

    মুসলমান যতই আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হোক, পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন অতিপ্রয়োজনীয়। শিক্ষা দুই প্রকার। (১) মৌলিক ধর্মীয় শিক্ষা যথা: কুরআন-হাদিসের ইলম-জ্ঞান। (২) জাগতিক শিক্ষা যথা: জেনারেল শিক্ষা।
    প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও নারী উভয়ের উপর ইলমেদ্বীন শিক্ষা করা (ফরজে আইন) বাধ্যতামূলক।
    একজন মুসলমান দৈনন্দিন চলতে যতটুকু ইলম-জ্ঞান অন্বেষণের প্রয়োজন, ঠিক ততটুকু ধর্মীয় ইলম-জ্ঞান শিক্ষা করা (ফরজে আইন) বাধ্যতামূলক।

    ধর্মীয় শিক্ষা এমন এক মূল্যরতন
    দেখাযায়- অপরাধমূলক ঘৃণিত যাবতীয় পাপকাজ থেকে বিরত রেখে আদর্শবান মানুষ তৈরি করেন একমাত্র ধর্মীয় শিক্ষা।
    আপনি ডাক্তার হোন, ইন্জিনিয়ার হোন, ব্যারেষ্টার হোন, পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা যদি না থাকে, তাহলে শিক্ষার পূর্ণাঙ্গতা মিলবেনা।
    অতএব- ইসলামী শিক্ষার বিকল্প নেই।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম