• শিরোনাম


    আজকের এই দিনে আমাদের ছেড়ে চলে যান জুনায়েদ জামশেদ (রাহঃ)

    রিপোর্ট: ম.কাজী এনাম, স্টাফ রিপোর্টার | ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯ | ১২:২০ অপরাহ্ণ

    আজকের এই দিনে আমাদের ছেড়ে চলে যান জুনায়েদ জামশেদ (রাহঃ)

    এখনো পস্ট মনে আছে, সেদিন উস্তায লাবীব আব্দুল্লাহ সাবের ছোট ছেলে মুহাম্মাদ উস্তাযকে বলল সে জুনায়েদ জামশেদের নাত শুনবে।উসতায,একের পর এক তাকে তার নাত শুনাচ্ছেন আমরাও শুনছি। এরপর সেখান থেকে বের হয়ে ফেসবুক অন করতেই দেখি তিনি নেই।চলে গেছেন ওপারে।এটা দেখে আমি দীর্ঘক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
    ★★★
    উইকি থেকে কিছু তথ্য দিয়ে দিলাম। পড়ুন! জানুন!!

    জুনায়েদ জামশেদ (সেপ্টেম্বর ৩, ১৯৬৪ – ডিসেম্বর ৭, ২০১৬; বয়স ৫২) পাকিস্তানী রেকর্ডিং শিল্পী,টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব, ফ্যাশন ডিজাইনার, অনিয়মিত অভিনেতা, এবং গায়ক-গীতিকার। অতপর তিনি UET Lahore থেকে প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রী নেয়ার পর, বাদ্যযন্ত্র কর্মজীবন উপর মনোযোগ নিবদ্ধের আগে জামশেদ সংক্ষিপ্তভাবে একটি বেসামরিক PAF ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৮৩ সালে রহাল হায়াত এর কাছ থেকে নির্দেশনা পাওয়ার আগে, তিনি বিভিন্ন স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান করেন।এক্ষেত্রে হায়াত ও নুসরাত হোসেন তাকে সাহায্যে করেন, জামশেদ ভাইটাল সাইন যোগ করেন এবং রেকর্ড নির্বাহী এবং প্রযোজক শোয়েব মনসুর তার পিটিভি সঙ্গীত স্টুডিও সঙ্গে একটি রেকর্ড চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
    জামশেদ প্রথম Vital Signs গায়ক ভোকালিস্ট হিসেবে দেশব্যাপী প্রাধান্য ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ অ্যালবামটি ১৯৮৭ সালে বের হয়,ভাইটাল সাইন ১। তার অ্যালবাম দেশের সঙ্গীত চ্যানেল চার্টে শীর্ষস্থানে।এটি এক নম্বর একক অন্তর্ভুক্ত দিল দিল পাকিস্তান দিল দিল পাকিস্তান, এবং তুম মিল গায়ে তুম মিল গায়া। গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন ‘প্রথম অ্যালবাম বাণিজ্যিক সাফল্য পাকিস্তানের রক সঙ্গীত শিল্পে বিকাশে সাহায্য করে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তাদের সংগীত ‘কসম উস ওয়াক্ত কি’, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সংগীত ‘পালাটনা ঝাপাটনা’ -তে শিল্পী হিসেবে তাকেই বাছাই করে।



    ২০০০ সালের কিছু পর তাকে প্রকাশ্য মঞ্চে আর গান গাইতে দেখা যায়নি। গুঞ্জন রয়েছে, এ সময় তিনি আর্থিক সংকটে ছিলেন। অবশেষে ২০০০ দশকের মাঝামাঝি জামশেদকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়। এ সময় জামশেদ ইসলামে গানের অবস্থা জেনে সংগীত ছেড়ে দেন এবং ইসলামি জীবন-যাপনের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে পোশাক কারখানা গড়ে তোলেন। জামশেদের জীবনে দুটি ধারা ছিলো। তাকে উভয় ক্ষেত্রেই প্রশংসনীয়ভাবেই স্মরণ করা হয়। ৫২ বছরের দীর্ঘ জীবনের শেষ দিকে তিনি ধর্ম প্রচার করেছেন, বিভিন্ন সভা-সমাবেশে ধর্মীয় বিকাশ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    জুনায়েদ জামশেদ ও তার পরিবার ৭ই ডিসেম্বর ২০১৬ সালে পিআইএ ফ্লাইট ৬৬১ দূর্ঘটনায় চিত্রাল থেকে ইসলামাবাদে যাওয়ার সময় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি চিত্রালে তাবলিগ জামাতের একটি মিশনে ছিলেন ও বিমানে করে ইসলামাবাদে ফিরছিলেন।[৪][৫] জামশেদ সংসদ মসজিদে শুক্রবারের খুতবা দেওয়ার পথে যাচ্ছিলেন। তার পরে তার প্রথম স্ত্রী আয়শা, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। ২০১৮ সালে, জামশেদ মরণোত্তরভাবে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান, সিতারা-ই-ইমতিয়াজের জন্য মনোনীত হয়েছিল।

    Facebook Comments Box

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে আওয়ারকণ্ঠ২৪.কম